হিলারি
ক্লিনটনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে দাঁড়িয়েছেন শতকরা ৯১
ভাগ। গত সপ্তাহে হিলারির এমন জয়ের সম্ভাবনা ছিল শতকরা ৭৮ ভাগ। গত সপ্তাহে
ডনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষে এমন সম্ভাবনা ছিল শতকরা ২৩ ভাগ। তা কমে এখন
দাঁড়িয়েছেন শতকরা ৯ ভাগ। আজ যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হচ্ছে প্রেসিডেন্ট
নির্বাচন। এর আগে সোমবার সিএনএনের সর্বশেষ পলিটিক্যাল প্রেডিকশন মার্কেট
পূর্বাভাসে এসব কথা বলা হয়েছে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন সিএনএন। হিলারি
ক্লিনটনের পক্ষে এই পূর্বাভাষ ২০শে অক্টোবরে ছিল শতকরা ৯৫ ভাগ। ২৬শে
অক্টোবর তা কমে দাঁড়ায় শতকরা ৯০ ভাগে। তারপর ৩১শে অক্টোবর তা ক্রমাগত কমতে
থাকে। হ্যালোয়েন উৎসবের দিনে তা কমে দাঁড়ায় শতকরা ৭৮ ভাগে। এ সময়ে এফবিআই
প্রধান জেমস কমি মার্কিন কংগ্রেসে একটি চিঠি পাঠান। তাতে তিনি বলেন, হিলারি
ক্লিনটনের বেসরকারি সার্ভারের কিছু ইমেইল তারা নতুন করে হাতে পেয়েছেন। এ
নিয়ে তদন্ত করছেন। হিলারি ক্লিনটন ২০১৫ সালের এপ্রিলে প্রেসিডেন্ট
নির্বাচনের ঘোষণা দেন। তারপর এত বড় ধাক্কা তিনি খান নি। এফবিআইকান্ডে
হিলারি যেন দিশাহারা হয়ে পড়েন। তীব্র প্রতিবাদ ওঠে ডেমোক্রেট শিবির থেকে।
এফবিআইকে প্রশ্নবাণে জর্জরিত করা হয়। অভিযোগ করা হয় এফবিআই প্রধান হ্যাচ
অ্যাক্ট লঙ্ঘন করেছেন। অবশেষে গত রোববার জেমস কমি ঘোষণা দেন যে, নতুন ওই
ইমেইলে হিলারি নির্দোষ। ফলে হিলারির প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সুযোগ বৃদ্ধি
পেয়ে দাঁড়ায় শতকরা ৯১ ভাগে। উল্লেখ্য, সিএনএন-এর পলিটিক্যাল প্রেডিকশন
মার্কেট একটি অনলাইন প্রশাসনিক বিষয়ক কোম্পানি পিভিট। এরা অনলাইন মার্কেট,
ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের নির্বাচন নিয়ে পূর্বাভাষ অনুমোদন করে। তবে প্রকৃত
ভোটের সঙ্গে এই ভোট একেবারে মিলিয়ে দেখা ঠিক হবে না। অন্যদিকে নির্বাচনের
আগের দিন সোমবার সিএনএনের পোল অব পোলস থেকে দেখা যাচ্ছে যে, জনমত জরিপে
হিলারি এগিয়ে আছেন শতকরা ৪ ভাগে। তাকে সমর্থন করেছেন শতকরা ৪৬ ভাগ ভোটার।
ট্রাম্পকে সমর্থন করেছেন শতকরা ৪২ ভাগ ভোটার।
>>>মানবজমিন

No comments:
Post a Comment