আপনার
আদরের শিশুটি কথা বলতে চায় না। সবসময় একা একা খেলা করতে পছন্দ করে। স্কুলে
শিক্ষক বা অন্য কেউ নাম জিজ্ঞেস করলে সে লজ্জায় মুখ লুকিয়ে রাখে, নতুবা
মাথা নুইয়ে উত্তর না দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। বন্ধুদের সঙ্গে সে মিশতে চায় না।
এসময় তাকে কড়া করে ধমক দিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে খেলতে বললে সে কান্না শুরু করে
দেয়। পরে তার কথা মেনে নিয়ে অভিভাবক চুপ থেকে ব্যপারটা সামাল দেন। ছেলেটা
এমন করে কেন? ভেবে দুশ্চিন্তায় পড়ে যান মা-বাবা। তবে এ ব্যপারে কড়া না হয়ে
বরং ধৈর্য ধরে সচেতনতার সঙ্গে সমাধান করা সম্ভব। এ বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিশু বিশেষজ্ঞ ড. সাখাওয়াত
আলম
শিশুকে সময় দিন : মা-বাবা দুজনেই চাকরি করেন এমন পরিবারের সন্তানরা কথা বলতে চায় না, চুপ করে থাকে। বাবা-মায়ের কাছে যথেষ্ট সময় না পেয়ে শিশু অন্তর্মুখী স্বভাবের হয়ে যায়। এরকমটা হলে আপনার সন্তানকে যথেষ্ট সময় দিন।
শিশুর সঙ্গে গল্প করুন : শিশুর সঙ্গে গল্প জুড়ে দিন। দুই-একটি বাক্য বলে তাকে জিজ্ঞেস করুন। বলো তো বাবু, কী বললাম; এতে শিশু আপনার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনবে এবং সে পাল্টা জবাব দেবে।
সবার সঙ্গে মিশতে দিন : বাড়ির বড়দের বলুন শিশুকে তার নাম, মা-বাবার নাম জিজ্ঞেস করতে। এতে শিশুর মধ্যে মিশুক হওয়ার স্বভাব তৈরি হবে। শিশু কথা বলায় পটুতা অর্জন করবে।
শিশুকে পরিচয় করিয়ে দিন : শিশুকে বন্ধুদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিন, তারপর ওকে ওর বয়সীদের খোঁজখবর জিজ্ঞেস করুন। এতে তার মধ্যে স্বাভাবিকতা তৈরি হবে। ওর বয়সীদের সঙ্গে যথাযথ কথা বলতে শিখবে।
আদব-কায়দা শেখান : শিশুকে বড়দের সালাম দিয়ে সম্মান করে কথা বলতে শেখান। বন্ধুদের হাই-হ্যালো বলতে শিখিয়ে দিন। আদব-কায়দা শেখানোর দায়িত্ব যে পরিবারের, এ বিষয়ে সজাগ থাকুন।
সুন্দর পরিবেশ : শিশুর জন্য ওর চারপাশটাকে সহজ ও সুন্দর করে উপস্থাপন করার চেষ্টা করুন। দেখবেন, সে ধীরে ধীরে সামাজিক হয়ে উঠবে।
সৃষ্টিশীল কাজে মনোযোগ : বয়সভিত্তিক প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দিন শিশুকে। কবিতা বলা, গান গাওয়া এসব সৃষ্টিশীল কাজে মনোযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করুন। এতে শিশুর অন্তর্মুখী স্বভাব কেটে যাবে। খেয়াল রাখবেন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করিয়ে কখনোই সেরা হওয়ার জন্য চাপ দেবেন না আপনার শিশুকে।
বিনোদন : শিশুর সুস্থ ও স্বাভাবিক মানসিক বিকাশে প্রয়োজন শিক্ষামূলক বিনোদন। এতে তার মধ্যে বিষণ্নতা তৈরি হবে না। শিশু হয়ে উঠবে প্রাণবন্ত চরিত্রের অধিকারী। তবে খেয়াল রাখবেন অর্থহীন কার্টুন ও ভিডিও গেমস খেলায় যে আসক্ত হয়ে না পড়ে।
শিশুকে সময় দিন : মা-বাবা দুজনেই চাকরি করেন এমন পরিবারের সন্তানরা কথা বলতে চায় না, চুপ করে থাকে। বাবা-মায়ের কাছে যথেষ্ট সময় না পেয়ে শিশু অন্তর্মুখী স্বভাবের হয়ে যায়। এরকমটা হলে আপনার সন্তানকে যথেষ্ট সময় দিন।
শিশুর সঙ্গে গল্প করুন : শিশুর সঙ্গে গল্প জুড়ে দিন। দুই-একটি বাক্য বলে তাকে জিজ্ঞেস করুন। বলো তো বাবু, কী বললাম; এতে শিশু আপনার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনবে এবং সে পাল্টা জবাব দেবে।
সবার সঙ্গে মিশতে দিন : বাড়ির বড়দের বলুন শিশুকে তার নাম, মা-বাবার নাম জিজ্ঞেস করতে। এতে শিশুর মধ্যে মিশুক হওয়ার স্বভাব তৈরি হবে। শিশু কথা বলায় পটুতা অর্জন করবে।
শিশুকে পরিচয় করিয়ে দিন : শিশুকে বন্ধুদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিন, তারপর ওকে ওর বয়সীদের খোঁজখবর জিজ্ঞেস করুন। এতে তার মধ্যে স্বাভাবিকতা তৈরি হবে। ওর বয়সীদের সঙ্গে যথাযথ কথা বলতে শিখবে।
আদব-কায়দা শেখান : শিশুকে বড়দের সালাম দিয়ে সম্মান করে কথা বলতে শেখান। বন্ধুদের হাই-হ্যালো বলতে শিখিয়ে দিন। আদব-কায়দা শেখানোর দায়িত্ব যে পরিবারের, এ বিষয়ে সজাগ থাকুন।
সুন্দর পরিবেশ : শিশুর জন্য ওর চারপাশটাকে সহজ ও সুন্দর করে উপস্থাপন করার চেষ্টা করুন। দেখবেন, সে ধীরে ধীরে সামাজিক হয়ে উঠবে।
সৃষ্টিশীল কাজে মনোযোগ : বয়সভিত্তিক প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দিন শিশুকে। কবিতা বলা, গান গাওয়া এসব সৃষ্টিশীল কাজে মনোযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করুন। এতে শিশুর অন্তর্মুখী স্বভাব কেটে যাবে। খেয়াল রাখবেন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করিয়ে কখনোই সেরা হওয়ার জন্য চাপ দেবেন না আপনার শিশুকে।
বিনোদন : শিশুর সুস্থ ও স্বাভাবিক মানসিক বিকাশে প্রয়োজন শিক্ষামূলক বিনোদন। এতে তার মধ্যে বিষণ্নতা তৈরি হবে না। শিশু হয়ে উঠবে প্রাণবন্ত চরিত্রের অধিকারী। তবে খেয়াল রাখবেন অর্থহীন কার্টুন ও ভিডিও গেমস খেলায় যে আসক্ত হয়ে না পড়ে।

No comments:
Post a Comment