Wednesday, December 7, 2016

মহেশখালী সেতুর পাশে সড়ক রিলিং ভেঙ্গে যাচ্ছে,টিকাদার তৈয়বের খুটির জোর কোথায়?

নিজস্ব প্রতিবেদক: কোটি কোটি টাকায় নির্মিত মহেশখালী-বদরখালী সেতুর পাশ দিয়ে বালি ও পাথর লোড-আনলোড করার কারনে সড়ক ও সড়কের রিলিং ভেঙ্গে খান্ খান্ হয়ে যাচ্ছে। সড়কের পাশে দাঁড়ানো থাকা পাথর ও বালি বোঝাই ভারী ট্রাক অবস্থান করার কারনে প্রতিনিয়ত জানঝট ও দুর্ঘটনা লেগে রয়েছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগের এ সড়কের বেহাল দশা এখন চোখে পড়ার মতো। এক দিকে সেতুর উপরেই জিপ ও সিএনজি স্টেশন অন্য দিকে নতুন ভাবে টিকাদারি প্রতিষ্টানের পাথর ও বালির বোঝাই ভারী ট্রাকের অবস্থান ও তা লোড-আনলোড। এগুলো দেখার যেন কেউ নাই। সেতুর এপাশ ওপাশ সড়কের রিলিং ভেঙ্গে খান খান হয়ে যাচ্ছে। সিএনজি ও জিপ ড্রাইভাররা রিলিং থেকে ইট তুলে নিয়ে গাড়ী রাখার ও পার্কিং সুবিধার জন্য ভেঙ্গে ফেলছে এ মুল্যবান সেতুর লিলিং। এতে করে কোটি টাকার এ সেতু ও সরকারের উন্নয়নের মুল কেন্দ্র দ্বীপ উপজেলার সাথে দেশের মুল ভুকন্ডের সড়ক যোগাযোগের একমাত্র অবলম্বনটি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগ দেখে ও না দেখার নিচ্ছে অদৃশ্য কারনে। বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে চকরিয়া এসি ল্যান্ড এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি উক্ত স্থান পরিদর্শন করে ঘটনার সত্যতা দেখে তা বন্ধ করার জন্য টিকাদারী প্রতিষ্টান উপকুলীয় এন্টারপ্রাইজের সত্ত্বাধীকারি তৈয়ব কে নির্দেশ দেন। কিন্তু উক্ত তৈয়ব এ নির্দেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এখনো পাথর ও বালি লোড-আনলোড অব্যহত রেখেছে। সচেতন মহলের প্রশ্ন তৈয়বের খুটির জোর কোথায়? এ বিষয়ে সহকারী প্রকৌশলী কক্সবাজার এর সাথে কথা বলতে চাইলে তিনি উপ-সহকারী প্রকৌশলীর সাথে কথা বলতে বলেন। অতঃপর বিভাগীয় উপ-সহকারী প্রকৌশলী শফিক এর সাথে ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, সড়ক ও জনপথ বিভাগের লোকবল সংকট থাকার কারনে অনেক কিছু তদারকী করা সম্ভব হয়না। সকলের সহযোগিতা দরকার। তবে টিকাদারী প্রতিষ্টান এধরনের কাজ করছে বলে এখন যখন জানলাম , শীঘ্রই ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে। এলাকার সাধারন মানুষ সহ সচেতন মহল সড়ক ও সেতু রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জরুরী ভাবে ব্যাবস্থা গ্রহন করবে এমনটি আশা করে।

No comments:

Post a Comment