![]() |
| জেমস ফ্র্যাংকলিন (বাঁয়ে) ও সাব্বির রহমানের অবিচ্ছিন্ন ৬২ রানের জুটি রাজশাহী কিংসকে সাত উইকেটের বড় জয়ে ফাইনালে তুলে দিয়েছে -যুগান্তর |
বিপিএলে
যদি হাসির জন্য কোনো পুরস্কার থাকত, সন্দেহাতীতভাবে সেটি ড্যারেন স্যামি
পেতেন। আর কী আশ্চর্য, অধিনায়ক সবসময় হাসিমুখ করে থাকেন বলেই কী রাজশাহী
হাসতে হাসতে ফাইনালে চলে গেল। শুক্রবার মিরপুরে ঢাকা-রাজশাহী ফাইনালের ফল
যদি রাজশাহী কিংসের অনুকূলে নাও যায়, তবুও স্যামি হাসবেন। কাল খুলনা
টাইটানসের বিপক্ষে কোয়ালিফায়ার টুয়ে রাজশাহীর সাত উইকেটের জয় মাঠের বাইরে
বসে দেখলেন স্যামি। ব্যাটিং প্যাড পরে বসে রইলেন। সাব্বির রহমান ও জেমস
ফ্র্যাংকলিন বাইশ গজে নামতেই দিলেন না অধিনায়ককে। ফ্র্যাংকলিন ছয় মেরে জয়
এনে দেয়ার পরও টি ২০ বিশ্বকাপজয়ী ক্যারিবীয় কাপ্তানকে শিশুর মতো বাঁধনহারা
উল্লাসে মেতে উঠতে দেখা গেল না। হয়তো একথা ভেবে উচ্ছ্বাসহীন থেকেছেন তিনি
যে, পথ এখনও শেষ হয়নি। আরও একটা ম্যাচ বাকি। আরও কিছু পেতে বাকি।
উৎসব না
হয় শেষ জয়ের পরেই করা যাবে। উৎসব? সাকিব আল হাসানের ঢাকা আগেই ফাইনালে চলে
গেছে। শেষ যুদ্ধে তারা ‘ডায়নামাইটস’-এর বিস্ফোরণ ঘটানোর জন্য যে ঝাঁপাবে সে
তো জানাই। তবে রাজশাহীর ভয় কিসের। তারা এলিমিনেটরে উড়িয়ে দিয়েছে তামিম
ইকবাল ও ক্রিস গেইলের চিটাগং ভাইকিংসকে। খুলনাকে হারিয়ে ঢাকার সঙ্গী হয়েছে
বিপিএলের শেষ রণাঙ্গনে। ঢাকা যতই শক্তিতে-সামর্থ্যে বলীয়ান হোক না কেন,
রাজশাহী ভড়কে যাবে, এমন ভাবাটাই বোকামি। টি ২০-র যা চরিত্র, মেজাজ-মর্জি,
তাতে শ্রাবণের অঝোর ধারায়ও ঝলমল করতে পারে রোদেলা দিন। ঢাকা চাইবে কাল
সামর্থ্যরে সবক’টা জানালা খুলে দিয়ে চূড়ান্ত সাফল্যের সমীরণের স্পর্শ পেতে।
রাজশাহী চাইবে শেষ চেষ্টা করে দেখতে। এতদূর যখন আসা গেছে, শিখর স্পর্শ
করার চেষ্টা করে দেখতে ক্ষতি কী? আর দর্শকরা কী চাইবেন? তারা চাইবেন
নিভের্জাল বিনোদন। টি ২০-র মচমচে ভাজা চার-ছয়ের চানাচুর। বৃষ্টির টাপুর
টুপুর কানে ঝংকার তোলা রিনিঝিনি শব্দের মতো স্টাম্প ভাঙার আওয়াজ। শেষ হয়ে
এলো সাধের বিপিএল। ক্রিকেট-উইকেটের রঙিন সেলুলয়েড শেষ বিন্দুতে এসে মিলিত
হবে কাল। ঢাকা, না রাজশাহী? সাকিব, না স্যামি? উত্তরটা পাওয়া যাবে শীতের
আগমনী বার্তা ঘোষণাকারী অগ্রহায়ণের রাতে। আর তো মাত্র কয়েক ঘণ্টা।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
খুলনা টাইটানস ১২৫/৯, ২০ ওভারে (আবদুল মজিদ ১১, নিকোলাস পুরান ২২, মাহমুদউল্লাহ ২২, বেনি হাওয়েল ১২, আরিফুল হক ৩২*। সামিত প্যাটেল ৩/১৯, ড্যারেন স্যামি ১/৮)।
রাজশাহী কিংস ১২৯/৩, ১৯.২ ওভারে (নুরুল
হাসান ১৪, আফিফ হোসেন ২৬, সাব্বির রহমান
৪৩*, জেমস ফ্র্যাংকলিন ৩০*। কেভন
কুপার ১/৩২, মাহমুদউল্লাহ ১/১০)।
ফল : রাজশাহী কিংস ৭ উইকেটে জয়ী।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ : সামিত প্যাটেল (রাজশাহী কিংস)।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
খুলনা টাইটানস ১২৫/৯, ২০ ওভারে (আবদুল মজিদ ১১, নিকোলাস পুরান ২২, মাহমুদউল্লাহ ২২, বেনি হাওয়েল ১২, আরিফুল হক ৩২*। সামিত প্যাটেল ৩/১৯, ড্যারেন স্যামি ১/৮)।
রাজশাহী কিংস ১২৯/৩, ১৯.২ ওভারে (নুরুল
হাসান ১৪, আফিফ হোসেন ২৬, সাব্বির রহমান
৪৩*, জেমস ফ্র্যাংকলিন ৩০*। কেভন
কুপার ১/৩২, মাহমুদউল্লাহ ১/১০)।
ফল : রাজশাহী কিংস ৭ উইকেটে জয়ী।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ : সামিত প্যাটেল (রাজশাহী কিংস)।

No comments:
Post a Comment