রাজধানীর
দক্ষিণ খান থানার পূর্ব আশকোনার 'সূর্য ভিলা' ভবনের তিনতলায় 'জঙ্গি
আস্তানায়' অভিযানের সময় আত্মঘাতী হওয়া নারীর ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।
রোববার দুপুরে নিহত এই জঙ্গি নারীর ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়। ময়নাতদন্ত
শেষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সোহেল
মাহমুদ জানান, নিহত ওই নারী হাতে তৈরি বোমা পেটে বেঁধে বিস্ফোরণে ঘটানোর
কারণে তার পেট ঝাঁঝরা হয়ে যায়। এতে তার মৃত্যু ঘটে। তিনি বলেন, ওই নারীর
ক্ষতবিক্ষত পেটে স্প্লিন্টার, ও বোমার টুকরো পাওয়া গেছে। শনিবার রাজধানীর
পূর্ব আশকোনার 'জঙ্গি আস্তানায়' পুলিশের অভিযানের এক পর্যায়ে দুপুর সাড়ে
১২টার দিকে ভবন থেকে বেরিয়ে এসে বিস্ফোরণ ঘটান আত্মঘাতী হওয়া এই জঙ্গি
নারী। ময়নাতদন্তকারী ফরেনসিক বিভাগের এই চিকিৎসক আরও জানান, আত্মঘাতী হওয়া
নারীর পেটের নিচের অংশ ক্র্যাশড ছিল।
পেটে বোমা রেখে বিস্ফোরণ ঘটানোর কারণেই এ রকম হয়েছে। মনে হচ্ছে বোমাটি হ্যান্ডমেইড গ্রেনেড জাতীয়। তিনি বলেন, বোমার অংশ, স্প্লিন্টার এবং ওই নারীর দাঁত ও চুল নমুনা হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়েছে। শুক্রবার রাত ১২টার পর পুর্ব আশকোনার ওই জঙ্গি আস্তানা ঘিরে রাখে পুলিশ। এসময় জঙ্গিদের আত্মসমর্পণের আহ্বান জানানো হয়। কিন্তু তারা দেহে সুইসাডাল ভেস্ট পড়ে প্রতিরোধের ঘোষণা দেয়। এক পর্যায়ে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পল্লবীতে পুলিশের অভিযানে নিহত মেজর জাহিদের স্ত্রী জেবুন্নেসা শীলা ও তার শিশু সন্তান এবং পলাতক জঙ্গি মুসার স্ত্রী তৃষ্ণা তার শিশু সন্তানকে নিয়ে আত্মসমর্পণ করে। এরপর বেলা সাড়ে ১২টার দিকে পুলিশ জঙ্গি আস্তানায় টিয়ারসেল নিক্ষেপ করলে ভবনটি থেকে বের হয়ে এসে ওই নারী আত্মঘাতী হয়। এসময় এক শিশু ও ডিবির পরিদর্শক শফি আহমেদ আহত হন। আত্মঘাতী হওয়া এই নারী নিহত জঙ্গি সুমনের স্ত্রী বলে ধারণা পুলিশের। এরপর পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন জঙ্গিনেতা তানভীর কাদেরীর ছেলে আবীর। তার লাশ এখনও আশকোনার ওই আস্তানায় পড়ে আছে। দক্ষিণখান থানার ওসি তপন কুমার সাহা জানান, যে জায়গায় মৃতদেহ পড়ে আছে সেখানে বিস্ফোরক ও দাহ্য পদার্থ থাকায় লাশটি উদ্ধারে সময় নেয়া হচ্ছে।
পেটে বোমা রেখে বিস্ফোরণ ঘটানোর কারণেই এ রকম হয়েছে। মনে হচ্ছে বোমাটি হ্যান্ডমেইড গ্রেনেড জাতীয়। তিনি বলেন, বোমার অংশ, স্প্লিন্টার এবং ওই নারীর দাঁত ও চুল নমুনা হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়েছে। শুক্রবার রাত ১২টার পর পুর্ব আশকোনার ওই জঙ্গি আস্তানা ঘিরে রাখে পুলিশ। এসময় জঙ্গিদের আত্মসমর্পণের আহ্বান জানানো হয়। কিন্তু তারা দেহে সুইসাডাল ভেস্ট পড়ে প্রতিরোধের ঘোষণা দেয়। এক পর্যায়ে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পল্লবীতে পুলিশের অভিযানে নিহত মেজর জাহিদের স্ত্রী জেবুন্নেসা শীলা ও তার শিশু সন্তান এবং পলাতক জঙ্গি মুসার স্ত্রী তৃষ্ণা তার শিশু সন্তানকে নিয়ে আত্মসমর্পণ করে। এরপর বেলা সাড়ে ১২টার দিকে পুলিশ জঙ্গি আস্তানায় টিয়ারসেল নিক্ষেপ করলে ভবনটি থেকে বের হয়ে এসে ওই নারী আত্মঘাতী হয়। এসময় এক শিশু ও ডিবির পরিদর্শক শফি আহমেদ আহত হন। আত্মঘাতী হওয়া এই নারী নিহত জঙ্গি সুমনের স্ত্রী বলে ধারণা পুলিশের। এরপর পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন জঙ্গিনেতা তানভীর কাদেরীর ছেলে আবীর। তার লাশ এখনও আশকোনার ওই আস্তানায় পড়ে আছে। দক্ষিণখান থানার ওসি তপন কুমার সাহা জানান, যে জায়গায় মৃতদেহ পড়ে আছে সেখানে বিস্ফোরক ও দাহ্য পদার্থ থাকায় লাশটি উদ্ধারে সময় নেয়া হচ্ছে।

No comments:
Post a Comment