জার্মানির
বার্লিনের একটি ক্রিসমাস মার্কেটে একটি লরি ঢুকে পড়ার পর অন্তত ১২ জন
নিহত এবং অন্তত ৪৮জন আহত হয়েছে। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া
হয়েছে। এদের মধ্যে চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে হাসপাতাল
কর্তৃপক্ষ। দেশটির পুলিশ এক টুইট বার্তায় জানিয়েছে, লরি ড্রাইভারকে আটক
করা হয়েছে। এছাড়া আহত একজন পথচারী মারা গেছেন।
নিরপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে জার্মান সংবাদ সংস্থা ডিপিএ জানাচ্ছে, হামলাকারী লরির ড্রাইভার আফগানিস্তান কিংবা পাকিস্তান থেকে আসা একজন শরনার্থী, যে ফেব্রুয়ারিতে জার্মানি এসেছিল। ভিডিও ফুটেজে দেখা যাচ্ছে যে মার্কেটের বেশ কিছু দোকান ভেঙ্গে পড়েছে এবং আহত অনেক মানুষ রাস্তায় লুটিয়ে পড়েছেন।জার্মানীর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থমাস ডে মেইজ্যেরে বলছেন, এটিকে একটি ইচ্ছাকৃত হামলা মনে করছে সরকার। বার্লিনের শপিংকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত একটি রাস্তার কাছে এই সম্ভাব্য হামলার ঘটনাটি ঘটে।
বার্লিনের একটি পত্রিকা বলছে, পুলিশ একটি বিশেষ জায়গা নির্ধারণ করেছেন যেখানে স্বজনরা মিলিত হতে পারবেন।
লরি চালিয়ে মানুষ চাপা দেয়ার এই ঘটনার সাথে গত ১৪ই জুলাই ফ্রান্সের নিস শহরে লরি হামলার মিল রয়েছে। ঐ হামলায় ৮৬ জন নিহত হয়েছিল। পরবর্তীতে তথাকথিত ইসলামিক স্টেট ঐ হামলার দায়িত্ব স্বীকার করে। ফেসবুক বার্লিনের বাসিন্দাদের জন্য একটি 'সেফটি চেক' পেজ খুলেছে, যাতে যারা নিরাপদে আছে, তারা এর মাধ্যমে পরিবার পরিজনদের তা জানাতে পারে।
নিরপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে জার্মান সংবাদ সংস্থা ডিপিএ জানাচ্ছে, হামলাকারী লরির ড্রাইভার আফগানিস্তান কিংবা পাকিস্তান থেকে আসা একজন শরনার্থী, যে ফেব্রুয়ারিতে জার্মানি এসেছিল। ভিডিও ফুটেজে দেখা যাচ্ছে যে মার্কেটের বেশ কিছু দোকান ভেঙ্গে পড়েছে এবং আহত অনেক মানুষ রাস্তায় লুটিয়ে পড়েছেন।জার্মানীর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থমাস ডে মেইজ্যেরে বলছেন, এটিকে একটি ইচ্ছাকৃত হামলা মনে করছে সরকার। বার্লিনের শপিংকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত একটি রাস্তার কাছে এই সম্ভাব্য হামলার ঘটনাটি ঘটে।
বার্লিনের একটি পত্রিকা বলছে, পুলিশ একটি বিশেষ জায়গা নির্ধারণ করেছেন যেখানে স্বজনরা মিলিত হতে পারবেন।
লরি চালিয়ে মানুষ চাপা দেয়ার এই ঘটনার সাথে গত ১৪ই জুলাই ফ্রান্সের নিস শহরে লরি হামলার মিল রয়েছে। ঐ হামলায় ৮৬ জন নিহত হয়েছিল। পরবর্তীতে তথাকথিত ইসলামিক স্টেট ঐ হামলার দায়িত্ব স্বীকার করে। ফেসবুক বার্লিনের বাসিন্দাদের জন্য একটি 'সেফটি চেক' পেজ খুলেছে, যাতে যারা নিরাপদে আছে, তারা এর মাধ্যমে পরিবার পরিজনদের তা জানাতে পারে।
>>>মানবজমিন

No comments:
Post a Comment