‘জাতিগত নির্মূল প্রক্রিয়া’র অংশ হিসেবে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও উগ্র
বৌদ্ধ জাতীয়তাবাদীদের ধারাবাহিক খুন-ধর্ষণ ও জ্বালাও পোড়াও এর হাত থেকে
রক্ষা পেতে নাফ নদী পেরিয়ে বাংলাদেশে আসছিলেন নূর আয়েশা। রাখাইন রাজ্যে
তিনি ফেলে এসেছেন ঘৃণার আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া বাড়িঘর। রেখে এসেছেন নিজের
স্বামী, পুড়িয়ে মারা ৫ ছেলে আর ধর্ষণের পর মেরে ফেলা ২ মেয়ের মরদেহ।
পরিবারের সদস্যদের মধ্যে এখন বেঁচে আছেন কেবল তিনি আর তার এক মেয়ে।
জলে ভাসা নৌকায় করে মেয়েকে বুকে আঁকড়ে আয়েশা আসছিলেন বাংলাদেশের আশ্রয়প্রার্থী হয়ে। প্রভাবশালী ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান সাক্ষাৎকারের মধ্য দিয়ে তুলে এনেছে মিয়ানমারের ‘জাতিগত নিধনযজ্ঞ’ আর ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’র অংসখ্য ঘটনার মধ্যে অন্যতম এক মর্মস্পর্শী ঘটনার বিবরণ।
গার্ডিয়ানের কাছে আয়েশা বর্ণনা করেছেন স্মৃতিতে জাগ্রত অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ের এক বাস্তবতা। সে সময় মিয়ানমারের সামরিক বাহিণীর শত শত সদস্য তাদের গ্রাম ঘিরে ফেলেছে। আয়েশা বর্ণনা করেন, ‘তাদের ২০ জনের এক দল আমাদের বাড়ির সামনে আসে। সবাইকে বের হয়ে আঙ্গিনায় জড়ো হতে বলে তারা। প্রথমে আমার ৫ ছেলেকে আলাদা করে। তাদের একটি কক্ষে ঢুকতে বাধ্য করা হয়। এরপর নিক্ষেপ করা হয় বোমা। এতে ওই কক্ষে আগুন ধরে যায়।’ আয়েশা জানান এভাবেই পুড়িয়ে মারা হয় তার ৫ সন্তানকে।
আয়েশা জানান, ‘মিয়ানমারের সেনারা এভাবেই আমার ৫ সন্তানকে পুড়িয়ে মারে। আমার দুই মেয়েকে ধর্ষণের পর হত্যা করে। তারা আমার স্বামীকেও হত্যা করে। ধর্ষণ করে আমাকে।’
উল্লেখ্য, রাখাইনে ৯ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া মিয়ানমার সেনাবাহিনীর দমন-পীড়নে অন্তত ৮৬ জন রোহিঙ্গা নিহত হয়েছেন। সহিংসতা থেকে বাঁচতে তারা বাংলাদেশ সীমান্তে ছুটে আসছেন। জাতিসংঘ সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্যে জানিয়েছে, ১ নভেম্বর থেকে এ পর্যন্ত ২২ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। সংঘাতে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং সংঘাতে হাজার হাজার রোহিঙ্গা ভোগান্তির শিকার হয়েছে। শুক্রবার জাতিসংঘের মুখপাত্র পিয়েরে পিরন এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানান।
তিনি আরও জানান, সর্বশেষ এ সহিংসতার সূত্রপাতের আগে সেখানকার ১ লাখ ৫০ হাজারের বেশি মানুষ ত্রাণ সাহায্যের আওতায় ছিলেন। সরবারহ ব্যবস্থা সীমিত করে দেওয়ায় ৯ অক্টোবরের পর থেকে সেখানকার মাত্র ২০ হাজার মানুষের কাছেই ত্রাণ সাহায্য পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে। আর বাকি ১ লাখ ৩০ হাজার ব্যক্তির কাছে সাহায্য পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না।
জলে ভাসা নৌকায় করে মেয়েকে বুকে আঁকড়ে আয়েশা আসছিলেন বাংলাদেশের আশ্রয়প্রার্থী হয়ে। প্রভাবশালী ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান সাক্ষাৎকারের মধ্য দিয়ে তুলে এনেছে মিয়ানমারের ‘জাতিগত নিধনযজ্ঞ’ আর ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’র অংসখ্য ঘটনার মধ্যে অন্যতম এক মর্মস্পর্শী ঘটনার বিবরণ।
গার্ডিয়ানের কাছে আয়েশা বর্ণনা করেছেন স্মৃতিতে জাগ্রত অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ের এক বাস্তবতা। সে সময় মিয়ানমারের সামরিক বাহিণীর শত শত সদস্য তাদের গ্রাম ঘিরে ফেলেছে। আয়েশা বর্ণনা করেন, ‘তাদের ২০ জনের এক দল আমাদের বাড়ির সামনে আসে। সবাইকে বের হয়ে আঙ্গিনায় জড়ো হতে বলে তারা। প্রথমে আমার ৫ ছেলেকে আলাদা করে। তাদের একটি কক্ষে ঢুকতে বাধ্য করা হয়। এরপর নিক্ষেপ করা হয় বোমা। এতে ওই কক্ষে আগুন ধরে যায়।’ আয়েশা জানান এভাবেই পুড়িয়ে মারা হয় তার ৫ সন্তানকে।
আয়েশা জানান, ‘মিয়ানমারের সেনারা এভাবেই আমার ৫ সন্তানকে পুড়িয়ে মারে। আমার দুই মেয়েকে ধর্ষণের পর হত্যা করে। তারা আমার স্বামীকেও হত্যা করে। ধর্ষণ করে আমাকে।’
উল্লেখ্য, রাখাইনে ৯ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া মিয়ানমার সেনাবাহিনীর দমন-পীড়নে অন্তত ৮৬ জন রোহিঙ্গা নিহত হয়েছেন। সহিংসতা থেকে বাঁচতে তারা বাংলাদেশ সীমান্তে ছুটে আসছেন। জাতিসংঘ সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্যে জানিয়েছে, ১ নভেম্বর থেকে এ পর্যন্ত ২২ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। সংঘাতে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং সংঘাতে হাজার হাজার রোহিঙ্গা ভোগান্তির শিকার হয়েছে। শুক্রবার জাতিসংঘের মুখপাত্র পিয়েরে পিরন এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানান।
তিনি আরও জানান, সর্বশেষ এ সহিংসতার সূত্রপাতের আগে সেখানকার ১ লাখ ৫০ হাজারের বেশি মানুষ ত্রাণ সাহায্যের আওতায় ছিলেন। সরবারহ ব্যবস্থা সীমিত করে দেওয়ায় ৯ অক্টোবরের পর থেকে সেখানকার মাত্র ২০ হাজার মানুষের কাছেই ত্রাণ সাহায্য পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে। আর বাকি ১ লাখ ৩০ হাজার ব্যক্তির কাছে সাহায্য পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না।
>>>বাংলা ট্রিবিউন

No comments:
Post a Comment