বন্দরের
কেওঢালা এলাকায় ক্রিকেট খেলা নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় আহত ব্যবসায়ী মনির হোসেন
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। নিহত মনির হোসেন বন্দরের
কেওঢালা এলাকার মৃত আবদুর রহমানের ছেলে। রোববার রাতে রাজধানীর একটি
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। সোমবার বিকালে জানাজা শেষে
কেওঢালা কবরস্থানে লাশ দাফন করা হবে বলে নিহতের পরিবার জানায়। সূত্র জানায়,
শুক্রবার ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে
মনির হোসেন ও তার দুই ভাইসহ ১০ জন আহত হয়। মনির হোসেনকে আশংকাজনক অবস্থায়
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে ঢামেক থেকে
তাকে ফেরত দেয়া হয়। পরে বেসরকারি একটি হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়। সেখানে
তিন দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে রোববার রাতে মারা যান মনির হোসেন। এ ঘটনায়
থানায় পাল্টাপাল্টি মামলা হয়। ঘটনার পর মো. আলী (৩০), মাসুম (২৫), আরমান
(২৬) ও শফিকুল (৩৫) নামে চারজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
নিহতের ভাই সাইফুল
ইসলাম জানান, তার ভাই একজন মুদি দোকানদার। বাড়ির পাশেই তার দোকান। শুক্রবার
দোকানের পাশের মাঠে ক্রিকেট খেলছিল একদল কিশোর। ক্রিকেট খেলা শেষে কিশোররা
দোকানে এসে ভাইয়ের কাছে সিগারেট কিনতে চায়। তিনি তাদের কাছে সিগারেট
বেঁচতে অস্বীকার করায় বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে কিশোররা তাদের অভিভাবকদের
উল্টা বুঝিয়ে দলেবলে হামলা চালায়। বন্দর থানার ওসি আবুল কালাম জানান,
ক্রিকেট খেলা নিয়ে কেওঢালায় মারামারি হয়েছে। এ ঘটনায় মনির হোসেনসহ ১০ জন
আহত হয়। চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা জেলহাজতে আছে। রোববার রাত ১১টার
দিকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে মারা যান মনির হোসেন। মারামারির মামলাটি এখন
হত্যা মামলা হিসেবে ৩০২ ধারায় সংযোজিত হবে।

No comments:
Post a Comment