পটুয়াখালীর
রাঙ্গাবালী উপজেলার রাঙ্গাবালী সদর ইউনিয়নের সামুদফাৎ গ্রামের আয়তন মাত্র
দুই বর্গকিলোমিটার। এটুকুর মধ্যেই যাতায়াতের জন্য আছে আটটি সাঁকো। ফলে
দুর্ভোগে রয়েছে গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ। স্থানীয়রা জানান, সামুদফাৎ
গ্রামে পাঁচশ’ পরিবার বসবাস করে। জনসংখ্যা ৪ হাজারের মতো। গ্রামের এক পাশে
বুড়াগৌরাঙ্গ নদ। এখান থেকে ভাঙার ও হলুদিয়া নামে দুটি খাল গ্রামকে
বিচ্ছিন্ন করেছে। এলাকাবাসীর উদ্যোগে ডাক্তার বাড়ি, মাল বাড়ি, হাকিম আলীর
বাড়ি, হাওলাদার বাড়ি, চৌকিদার বাড়ি, হাজী বাড়ি,
দালাল বাড়ি ও হানিফ মৃধার
বাড়ি সংলগ্ন আটটি সাঁকো নির্মাণ করা হয়। এসব সাঁকো দিয়ে গ্রামের মানুষজনকে
জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হয়। এ কারণে প্রতিদিনই ঘটছে কোনও না কোনও
দুর্ঘটনা। স্কুল, মাদ্রাসা ও কলেজ পড়–য়া ছাত্র-ছাত্রীদের কষ্টের যেন শেষ
নেই। সামুদফাৎ গ্রামের বাসিন্দা নূর আলম বলেন, ‘গ্রামের এইসব সাঁকো দিয়ে
চলাচল করেত গিয়ে প্রতিদিনই কেউ না কেউ পড়ে যাচ্ছে। তাছাড়া বৃদ্ধ ও ছোট ছেলে
মেয়েদের এইসব সাঁকো দিয়ে পারাপার হতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।’ গ্রামের
সামুদফাৎ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী ইয়াসমিন বলেন,
‘হাক্কা (সাঁকো) দিয়া পারাইতে (পার হতে) ভয় করে। তাই লগে (সঙ্গে) কেউ না
থাকলে স্কুলে যাই না।’ এ ব্যাপারে রাঙ্গাবালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান
সাইদুজ্জামান মামুন বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে সামুদফাৎ গ্রামের মানুষ ঝুঁকিপূর্ণ
সাঁকো দিয়ে পারাপার হচ্ছে। বিষয়টি আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত
করবো।’

No comments:
Post a Comment