Monday, January 23, 2017

ট্রাম্পকে নিয়ে ‘বিদ্রুপের রেকর্ড’

সর্বকালের সেরা বিদ্রুপ ও উপহাসের পাত্র হতে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইতিমধ্যে তাকে নিয়ে নিয়ে কৌতুকের সংখ্যা অতীতের যে কোনো নেতাকে ছাড়িয়ে গেছে। আগামী চার বছরের শাসনকাল এমনকি তার পরবর্তী সময়েও হাসির খোরাক হয়ে থাকতে পারেন ব্যবসায়ী থেকে রাজনীতিক বনে যাওয়া ট্রাম্প। খবর ওয়াশিংটন পোস্টের।
আমেরিকার সব রাজনীতিবিদ বিশেষ করে প্রেসিডেন্ট প্রার্থীদের নিয়ে কৌতুক করা একটি স্বাভাবিক রীতি। নেতা বা শাসকদের যে কোনো বিতর্কিত বিষয় সামনে এলে তা নিয়ে হাস্যরস করেন কৌতুক প্রণেতারা। টেলিভিশন চ্যানেলের কমেডি শো, পত্রিকার কার্টুন কিংবা গল্প-আড্ডায় এসব কৌতুক উঠে আসে। যুক্তরাষ্ট্রের জর্জ ম্যাসোন ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক অ্যাফেয়ার্স রাজনীতিবিদদের নিয়ে উপহাস-বিদ্রুপের বিষয়ে গবেষণা করে থাকে। ২০১৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে নির্বাচনপরবর্তী ১১ নভেম্বর পর্যন্ত সময়ের হিসাব অনুযায়ী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে যে পরিমাণ হাস্যরস হয়েছে, তা কেবল তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের বেশি নয়, বরং দুই দশক আগে সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের যৌন কেলেংকারিকেও ছাড়িয়ে গেছে। ওই সময়ের মধ্যে ট্রাম্পকে নিয়ে কৌতুক করা হয়েছে ১৮১৭টি, যা হিলারিকে নিয়ে হাস্যরসের (৫০৬টি) তিনগুণেরও বেশি। মার্কিন টেলিভিশনের চারটি লেটনাইট কমেডি প্রোগ্রাম বিশ্লেষণ করে এ হিসাব দাঁড় করানো হয়েছে।
ওই চারটি শো হচ্ছে এনবিসি টিভির জিমি ফ্যালনের উপস্থাপনায় ‘দ্য টুনাইট শো’, সিবিএসে স্টিফেন কলবার্ট উপস্থাপিত ‘দ্য লেট শো’, এবিসির ‘জিমি কিমেল লাইভ’ ও কমেডি সেন্ট্রালের ‘দ্য ডেইলি শো’। মনিকা লিউনস্কির সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ব্যাপারে মিথ্যা বলে ধরা খাওয়ার পর ১৯৯৮ সালে বিল ক্লিনটনকে নিয়ে ১৭১৭টি কৌতুক বলা হয়েছিল এ শোগুলোতে। বারাক ওবামা প্রথমবার ক্ষমতায় গেলে ২০০৯ সালে তাকে নিয়ে ৯৩৬টি কৌতুক করা হয়েছিল। সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশকে নিয়েও দেশে এবং দেশের বাইরে বহু কৌতুক রচিত হয়।

No comments:

Post a Comment