পাকিস্তান
শান্তির প্রয়াসে ইতিবাচক সাড়া না দিলে ‘পাল্টা আঘাত হানার অধিকার’ আছে
ভারতেরও। সুতরাং আরো সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে
না। বললেন ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল বিপিন রাওয়াত। ৩১ ডিসেম্বর সেনাপ্রধান
পদে বসার পর শুক্রবার তার প্রথম বার্ষিক সংবাদ সম্মেলনে তাকে প্রশ্ন করা
হয়, নিয়ন্ত্রণ রেখায় যেভাবে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক হয়েছে, মায়ানমারের
অভ্যন্তরে যেমন সামরিক অভিযান চলেছে, তা সেনাবাহিনীর নীতির অঙ্গ হচ্ছে
কিনা। সেনাপ্রধান বলেন, আমরা প্রতিপক্ষকে শান্তির প্রস্তাব স্বীকার করতে
বলেছি।
ওরা পাল্টা একই ভাবে সাড়া না দিলে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক ধাঁচের
অভিযান চলবে। তিনি এও বলেন, প্রতিপক্ষকে আমাদের বার্তা এটাই যে, তোমরা
শান্তির প্রস্তাবে একইভাবে সাড়া দিলে সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের দরকারই হবে
না। শান্তি, স্থিতিশীলতা কায়েম করাই উদ্দেশ্য ভারতের। তবে একইসঙ্গে জম্মু ও
কাশ্মীরে পাকিস্তান কী ভাবে সাড়া দেয়, সেদিকে ভারতের ‘অপেক্ষা করে খেয়াল
রাখা’ উচিত বলেও মন্তব্য করেন সেনাপ্রধান। তিনি মেনে নেন, ভবিষ্যতের
বছরগুলিতে ছায়াযুদ্ধ, সন্ত্রাসবাদ, উগ্রপন্থার চ্যালেঞ্জ ভারতকে
ব্যতিব্যস্ত করে রাখবে। জেনারেল রাওয়াত জানান, ২৩ নভেম্বর দু দেশের
ডিজিএমও-রা পরস্পরের সঙ্গে কথা বলেছেন, নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর শান্তি,
স্থিতিশীলতা চায় দুপক্ষই। জম্মু ও কাশ্মীর থেকে কাশ্মীরী পন্ডিতদের উত্খাত
হয়ে চলে যাওয়ার প্রসঙ্গ টেনে সেনাপ্রধান বলেন, জম্মু ও কাশ্মীরে ছায়াযুদ্ধ
শুরুই হয়েছিল ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ কাঠামো নষ্ট করে দেয়ার লক্ষ্যে। দেশের
ধর্মনিরপেক্ষ কাঠামো অটুট সুনিশ্চিত করতে হলে ১৯৮৯-এর আগের পরিস্থিতি
ফিরিয়ে আনতে হবে জম্মু ও কাশ্মীরে।

No comments:
Post a Comment