বিএনপি
চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা ড্যান্ডি ডায়িংয়ের ঋণ
খেলাপির মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ২৯ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার ঢাকার অর্থঋণ আদালত-১ এর বিচারক নাসরিন জাহান এ দিন ধার্য করেন।
আজ এই মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের ধার্য দিন ছিল। কিন্তু আসামিপক্ষ সময় আবেদন
করলে আদালত তা মঞ্জুর করে ২৯ জানুয়ারি পরবর্তী তারিখ ঠিক করেন। ২০১৩ সালের ২
অক্টোবর ঢাকার প্রথম অর্থঋণ আদালতে ৪৫ কোটি ৫৯ লাখ ৩৭ হাজার ২৯৫ টাকা ঋণ
খেলাপির অভিযোগে এই মামলা করে সোনালী ব্যাংক। ব্যাংকটির সংশ্লিষ্ট শাখার
জ্যেষ্ঠ নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে এই মামলা করেন। মামলা
সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৩ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি বিবাদীরা ড্যান্ডি ডায়িংয়ের
অনুকূলে সোনালী ব্যাংকে ঋণের জন্য আবেদন করেন। ওই বছরের ৯ মে সোনালী ব্যাংক
ঋণ মঞ্জুর করে।
এরপর বিবাদীদের আবেদনক্রমে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ তাদের
সুদ মওকুফ করে। পরবর্তীতে বিবাদীদের আবেদনের কারণে ব্যাংক আবারও ঋণ
পুনঃতফসিলীকরণ করে দেয়। কিন্তু বিবাদীরা ঋণ পরিশোধ না করে বারবার কালক্ষেপণ
করে। মামলার বিবরণে আরো বলা হয়, এরপর ২০১০ সালের ২৮ ফ্রেব্রুয়ারি ব্যাংকের
পক্ষ থেকে ঋণ পরিশোধের জন্য বিবাদীদের চূড়ান্ত নোটিশ দেয়া হলেও তারা ঋণ
পরিশোধ করেননি। খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো মারা যাওয়ার পর
ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক অংশীদারিত্ব মামলায় তার মা খালেদা জিয়া, স্ত্রী
শর্মিলা রহমান এবং দুই মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানকে বিবাদী করার
জন্য ২০১৫ সালের ৮ মার্চ আদালতে আবেদন করে সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।
আবেদনের ফলে ২০১৫ সালের ১৬ মার্চ ঢাকার অর্থঋণ আদালত-১ এর ভারপ্রাপ্ত
বিচারক রোকসান আরা হ্যাপী এ মামলায় তাদের বিবাদী করেন। ২ মামলার অপর
বিবাদীরা হলেন- ড্যান্ডি ডায়িং লিমিটেড, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া,
তারেক রহমান, কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান এবং দুই মেয়ে জাফিয়া রহমান ও
জাহিয়া রহমান, প্রয়াত সাঈদ এস্কান্দারের ছেলে শামস এস্কান্দার ও সাফিন
এস্কান্দার, মেয়ে সুমাইয়া এস্কান্দার, স্ত্রী বেগম নাসরিন আহমেদ, গিয়াস
উদ্দিন আল মামুন, মামুনের স্ত্রী শাহীনা ইয়াসমিন, কাজী গালিব আহমেদ, শামসুন
নাহার ও মাসুদ হাসান।

No comments:
Post a Comment