কুমিল্লা
জেলার বাঙ্গরা থানার প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণ করা হয়নি বলে প্রতিবেদন
দিয়েছেন ওই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)। বৃহস্পতিবার এফিডেভিড আকারে
দাখিলকৃত পুলিশ প্রতিবেদনে বলা হয়, এই ঘটনায় এজাহারে নাম থাকা পাঁচজনের
মধ্যে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাছাড়া ভুক্তভোগীর জবানবন্দিতে এসেছে
ধর্ষণ নয়, এখানে শ্লীলতাহানীর ঘটনা ঘটেছে। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল
মোতাহার হোসেন সাজু জানান, প্রতিবেদনটি আগামী রোববার আদালতে উপস্থাপন করা
হবে।
কুমিল্লার বাঙ্গরা : বোনকে ধর্ষণ ভাইকে কোপ থানায় সালিশ’ এমন শিরোনামে
একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে ঘটনায় অভিযুক্তকে ৪৮
ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারে ব্যবস্থা গ্রহণে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে
ধর্ষণের মতো আপোষঅযোগ্য অভিযোগ সালিশের মাধ্যমে মীমাংসার উদ্যোগ কেন বেআইনী
ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুলও জারি করেন আদালত। গ্রেফতার
সংক্রান্ত অগ্রগতি প্রতিবেদন আগামী ১৯ জানুয়ারির মধ্যে জানাতে কুমিল্লার
পুলিশ সুপার ও বাঙ্গরা থানার ওসিকে নির্দেশ দেয়া হয়। সে অনুযায়ী আজ পুলিশ
এই প্রতিবেদনটি জমা দেয়। আদালত সেদিনই এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য ২২
জানুয়ারি দিন ধার্য করেন। এর আগে এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন সুপ্রিম
কোর্টের আইনজীবী মুজিবুর রহমান নজরে আনলে এই আদেশ দেন আদালত। প্রতিবেদনে
উল্লেখ করা হয়, বোনকে ধর্ষণের প্রতিবাদ করায় ভাইকে কুপিয়েছে বখাটে যুবক।
পরিবার থানায় লিখিত অভিযোগ করেছে।
পুলিশ গত ছয় দিনেও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।
শনিবার কুমিল্লার বাঙ্গরা থানায় এ নিয়ে সালিস বসার কথা রয়েছে। আইন অনুযায়ী এ
ধরনের ঘটনা সালিসে মীমাংসা করা যায় না। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ২৩
ডিসেম্বর গ্রামের পাশে একটি ব্রিকস ফিল্ডে প্রতিবন্ধী মেয়েকে ফুঁসলিয়ে নিয়ে
গিয়ে যৌন নির্যাতন করে প্রতিবেশী নজরুল (৩০)।

No comments:
Post a Comment