শাস্ত্রীয়
সঙ্গীতের মুকুটহীন সম্রাট হিসেবে পরিচিত ওস্তাদ ফতেহ আলী খান আর নেই।
বুধবার ইসলামাবাদের পিআইএমএস হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন এই
সঙ্গীতশিল্পী। ফুসফুসে সংক্রমণ নিয়ে ১০ দিন ধরে ভর্তি ছিলেন হাসপাতালে। বয়স
হয়েছিল ৮২ বছর। ওস্তাদ ফতেহ আলী খানের ভাইপো ও বিখ্যাত গায়ক শাফাকত আমানত
আলী মৃত্যুর খবর প্রথম শেয়ার করেন সংবাদমাধ্যমে। টুইটারে শাফাকত আমানত আলী
লিখেছেন, 'আজ উস্তাদ ফতেহ আলি খান সাহেবের মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে পাতিয়ালা
ঘরানার একটা যুগের অবসান হয়ে গেল।'
বলা হয়ে থাকে শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের যেকোনো
আলোচনায় ওস্তাদ ফতেহ আলী খানের নাম না আসাটাই 'অপরাধ'। একটি ঠুংরির কথা
তুললেই, আমি নিশ্চিত আপনি মনে মনে গুনগুন করবেন। 'মোরা পিয়া মোসে বোলে
না...'। ১৯৩৫ সালে অবিভক্ত ভারতের পাতিয়ালায় জন্মগ্রহণ করেন ফতেহ আলী খান।
মাত্র ১২ বছর বয়সেই পাতিয়ালার মহারাজার দরবারের গায়ক হিসেবে নির্বাচিত হন
তিনি। বড়ভাই আমানত আলী খানও একই সঙ্গে ১৪ বছর বয়সেই পাতিয়ালার মহারাজার
সভাগায়কের চাকরি পান। পাতিয়ালার মহরাজের বড় প্রিয় ছিলেন দুই ভাই।
পাকিস্তান তো বটেই আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও একাধিক পুরস্কার পেয়েছেন ফতেহ আলী
খান।

No comments:
Post a Comment