
বাংলাদেশের
শুল্ক গোয়েন্দারা বলছেন, তারা ঢাকার বনানী থেকে একটি বিএমডব্লিউ গাড়ী
আটক করেছেন, যেটির নাম্বারপ্লেটে ছিল ব্রিটিশ নম্বর। বিএমডব্লিউ এক্স ফাইভ
সিরিজের এই গাড়িটি ব্যবহার করছিলেন ঢাকার একজন ব্যবসায়ী। আটকের সময়ে
গাড়িটি বনানীর একটি বাড়ির বেসমেন্টে কাপড় দিয়ে ঢাকা ছিল।
গাড়িটি 'অদ্ভুত নাম্বারপ্লেট' ব্যাবহার করে চলছে, এমন একটি অভিযোগের ভিত্তিতে শুল্ক গোয়েন্দারা অভিযান চালিয়ে গাড়িটি আটক করেন।
এটির সম্মুখভাগের নাম্বারপ্লেটে দেখা যাচ্ছে প্রথমে ইংরেজিতে লেখা ঢাকা এবং এর পর ইংরেজিতে লেখা ওয়াইএফ-০৫পিভিটি। প্রথমত বাংলাদেশে যানবাহনের নাম্বারপ্লেট ইংরেজিতে লেখা নিষিদ্ধ।
দ্বিতীয়ত দেশটিতে যানবাহনের নম্বরের ক্ষেত্রে ইংরেজি বর্ণমালা নয়, ব্যবহার করা হয় বাংলা বর্ণমালা।
শুল্ক গোয়েন্দা সংস্থার মহাপরিচালক ড. মঈনুল খান মোবাইল অ্যাপ ভাইবারে পাঠানো বার্তায় জানিয়েছেন, এটি একটি ব্রিটিশ নম্বর। কিন্তু ব্রিটেনের কোন যানবাহনে বাংলাদেশের কোন শহরের নাম ব্যবহার করার নজিরও পাওয়া যায়না।
কারনেট বা শুল্কমুক্ত সুবিধা ব্যবহার করে গাড়িটি বাংলাদেশে আনা হয়েছিল।
এটি ব্রিটিশ নম্বর ব্যবহার করেই এতদিন চালাচ্ছিলেন মোহাম্মদ মুহসিন আলম।
তিনি গাড়িটি আমদানি করার সময় উল্লেখ করেছিলেন, যুক্তরাজ্যের কভেন্ট্রিতে বসবাস করেন।
ড. খান তার বার্তায় আরো জানান, কারনেটের মেয়াদ আগেই শেষ হয়ে গিয়েছিল, কিন্তু তারপরও গাড়িটি জমা দেয়া হয় নি। এ ব্যাপারে একাধিক নোটিশও পাঠানো হয়েছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ড. খান আরো জানাচ্ছেন, আটককৃত গাড়িটির আনুমানিক মূল্য শুল্ক-সহ সাড়ে তিন কোটি টাকা।
গাড়িটি 'অদ্ভুত নাম্বারপ্লেট' ব্যাবহার করে চলছে, এমন একটি অভিযোগের ভিত্তিতে শুল্ক গোয়েন্দারা অভিযান চালিয়ে গাড়িটি আটক করেন।
এটির সম্মুখভাগের নাম্বারপ্লেটে দেখা যাচ্ছে প্রথমে ইংরেজিতে লেখা ঢাকা এবং এর পর ইংরেজিতে লেখা ওয়াইএফ-০৫পিভিটি। প্রথমত বাংলাদেশে যানবাহনের নাম্বারপ্লেট ইংরেজিতে লেখা নিষিদ্ধ।
দ্বিতীয়ত দেশটিতে যানবাহনের নম্বরের ক্ষেত্রে ইংরেজি বর্ণমালা নয়, ব্যবহার করা হয় বাংলা বর্ণমালা।
শুল্ক গোয়েন্দা সংস্থার মহাপরিচালক ড. মঈনুল খান মোবাইল অ্যাপ ভাইবারে পাঠানো বার্তায় জানিয়েছেন, এটি একটি ব্রিটিশ নম্বর। কিন্তু ব্রিটেনের কোন যানবাহনে বাংলাদেশের কোন শহরের নাম ব্যবহার করার নজিরও পাওয়া যায়না।
কারনেট বা শুল্কমুক্ত সুবিধা ব্যবহার করে গাড়িটি বাংলাদেশে আনা হয়েছিল।
এটি ব্রিটিশ নম্বর ব্যবহার করেই এতদিন চালাচ্ছিলেন মোহাম্মদ মুহসিন আলম।
তিনি গাড়িটি আমদানি করার সময় উল্লেখ করেছিলেন, যুক্তরাজ্যের কভেন্ট্রিতে বসবাস করেন।
ড. খান তার বার্তায় আরো জানান, কারনেটের মেয়াদ আগেই শেষ হয়ে গিয়েছিল, কিন্তু তারপরও গাড়িটি জমা দেয়া হয় নি। এ ব্যাপারে একাধিক নোটিশও পাঠানো হয়েছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ড. খান আরো জানাচ্ছেন, আটককৃত গাড়িটির আনুমানিক মূল্য শুল্ক-সহ সাড়ে তিন কোটি টাকা।
>>>বিবিসি বাংলা
No comments:
Post a Comment