Monday, January 16, 2017

'জাগারটা জাগায়' বসানো হলো না নূর হোসেনের

বহুল আলোচিত নারায়ণগঞ্জের সাত খুন মামলার মূল অভিযুক্ত নূর হোসেনসহ ২৬ জনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার সকাল ১০টা ৫ মিনিটে নারায়ণগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক সৈয়দ এনায়েত হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন। এ মামলার ৩৫ আসামীর বাকি নয় জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। তবে নারায়ণগঞ্জের দোর্দণ্ড প্রতাপশালী কাউন্সিলর নূর হোসেন বিচারকাজ চলাকালীন বেশ প্রভাব দেখিয়েছেন। ঘটনার পর থেকে রায় ঘোষণার আগ পর্যন্ত নূর হোসেন পেয়েছেন বিভিন্ন বিশেষ সুবিধা। এছাড়া আদালতে বিভিন্ন সময় তিনি ও তার অনুসারীরা ঘটিয়েছেন বিতর্কিত কর্মকাণ্ড। এসব নিয়ে আলোচনা-সমালোচনাও কম হয়নি। নূর হোসেন ও তার অনুসারীরা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের নজির রাখেন গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর। এদিন নারায়ণগঞ্জের বর্বরোচিত সাত খুন মামলার জেরা চলাকালে নূর হোসেন ও এক র‌্যাব সদস্যের মধ্যে বিরানির প্যাকেট নিয়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এসময় নূর হোসেনকে হুংকার দিতেও দেখা গিয়েছিল। সেদিন খাবার না পেয়ে সাত খুন মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেনকে কাঠগড়ায় চড়-থাপ্পড় মারেন র‌্যাবের বহিষ্কৃত হাবিলদার এমদাদ। এসময় নূর হোসেনের অনুগামী হিসেবে পরিচিত মর্তুজা জামান চার্চিল ফুঁসে উঠে হাবিলদার এমদাদ হোসেনকে মেরেছিলেন কিলঘুষি। সেদিন নূর হোসেন হুংকার দিয়ে বলেছিলেন, 'ভাবছো কি ছাড় পাইয়া গেছো, জাগারটা জাগায় বয়াইয়া দিমু।'

No comments:

Post a Comment