তুরাগ
নদীতে মাটি ভরাট, দখল ও নির্মাণ কাজ বন্ধে গত ৯ নভেম্বর ৪৮ ঘণ্টা সময়
দিয়েছিল হাইকোর্ট। ওই নির্দেশের বাস্তবায়ন হয়েছে কিনা তা জানাতে গাজীপুর
চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে এক মাসের সময় দিয়ে বিচারিক তদন্তের নির্দেশ
দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি
মোহাম্মদ উল্লাহর হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
আদালতে রিটকারী আইনজীবী
মনজিল মোরসেদ বলেন, গত ৬ নভেম্বর একটি দৈনিকে তুরাগ নদীর বিভিন্ন অংশ
ভরাটের মাধ্যমে স্থাপনা নির্মাণের বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরা হয়। ওই
প্রতিবেদনকে সংযুক্ত করে ৭ নভেম্বর পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস পিস ফর
বাংলাদেশ একটি রিট দায়ের করে। সেই রিটের প্রেক্ষিতে ৯ নভেম্বর আদালত ৪৮
ঘণ্টার মধ্যে তুরাগ নদীতে মাটি ভরাট, দখল ও নির্মাণকাজ বন্ধের নির্দেশ দেন।
বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান, ওয়াপদা ও পরিবেশ অধিদফতরের মহাপরিচালক,
গাজীপুর জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার এবং টঙ্গী ও তুরাগ থানার ওসিকে এই
নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়। একইসঙ্গে এই আদেশ কতটুকু বাস্তবায়িত হয়েছে
তা ২৭ নভেম্বরের মধ্যে জানাতে বলা হয়। মনজিল মোরসেদ জানান, এই সময়ের মধ্যে
বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় দখল নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই বিষয়গুলো
আদালতের নজরে আনলে আদালত বিচারিক তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। ওই নির্দেশের
বাস্তবায়ন হয়েছে কিনা? কতটুকু হয়েছে? এর বর্তমান অবস্থা আগামী একমাসের
মধ্যে জানাতে হবে। ওইদিনই রিটের পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

No comments:
Post a Comment