মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক
জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে মালয়েশিয়ার
পুলিশ দুই বাংলাদেশীসহ চারজনকে আটক করেছে। রাজধানী কুয়ালালামপুর ও সাবাহ
প্রদেশে গত ১৩ থেকে ১৯ জানুয়ারির মধ্যে ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে তাদের আটক
করা হয়। খবর নিউ স্ট্রেইট টাইমস, দ্য স্টার অনলাইনের। আটক ব্যক্তিদের
নাম-পরিচয় পুলিশ প্রকাশ করেনি। তবে আটক চারজনের মধ্যে একজন ফিলিপাইনের ও
অপরজন মালয়েশিয়ার নাগরিক। এই দু'জনকে গত ১৩ জানুয়ারি সাবাহ প্রদেশ থেকে
একসঙ্গে আটক করা হয়। তারা বিয়ের পরিকল্পনা করেছিলেন বলে পুলিশের দাবি। আটক
বাকি দু'জন বাংলাদেশী। গত বৃহস্পতিবার কুয়ালালামপুর থেকে তাদের আটক করা হয়।
তাদের বয়স ২৭-২৮ বছর।
তারা বিক্রয়কর্মী হিসেবে কাজ করছিলেন। মালয়েশিয়া
পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজি) তান শ্রী খালিদ আবু বকর এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন,
পুলিশ বাহিনীর সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ শাখার সদস্যরা আইএসের একটি আস্তানা
গুঁড়িয়ে দিয়েছে। এ ঘটনায় চারজনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে দু'জন বাংলাদেশী
রয়েছেন। আটকরা ফিলিপাইনের মিন্দানাও প্রদেশ থেকে পরিচালিত একটি জঙ্গি
গ্রুপে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন। ওই জঙ্গি গ্রুপটির প্রধান মাহমুদ আহমাদ
মালয়েশিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক। এছাড়া জঙ্গি গ্রুপটি ইসনিলন
হ্যাপিলন পরিচালিত ফিলিপাইনের আইএস সমর্থক জঙ্গি সংগঠন আবু সাইয়াফের সঙ্গে
জড়িতও বলে জানিয়েছে পুলিশ। আইজিপি খালিদ আবু বকর জানান, জঙ্গি গ্রুপটি
মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশ, মিয়ানমার থেকে কর্মী সংগ্রহ করে
ফিলিপাইনে নিয়ে যাওয়ার রাস্তা হিসেবে সাবাহ প্রদেশকে ব্যবহার করার
পরিকল্পনা করেছিল। তিনি আরও বলেন, ফিলিপিনোর ওই নাগরিক একজন ঘড়ি বিক্রেতা।
তিনিই অন্যদের জঙ্গি গ্রুপে টানতে উৎসাহিত করছিলেন। খালিদ আবু বকর বলেন,
'বাংলাদেশে আইএসের পরিচালিত গ্রুপের সঙ্গে আটক ওই দুই সন্দেহভাজনের যোগাযোগ
থাকতে পারে।'

No comments:
Post a Comment