সালাহ্
উদ্দিন আহমেদ আদর্শ স্কুল অ্যান্ড কলেজ। দেয়াল ঘেঁষেই রয়েছে বিদ্যুতের ১১
হাজার ভোল্টেজের তার ও ট্রান্সমিটার। আতংক আর ঝুঁকির মধ্যেই এ বিদ্যাপীঠ
ছড়াচ্ছে শিক্ষার আলো। ২০০২ সালে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার মোমেনবাগ
পাড়াডগার এলাকায় প্রতিষ্ঠা করা হয় এ প্রতিষ্ঠানটি। প্লে থেকে দ্বাদশ শ্রেণী
পর্যন্ত বিদ্যালয়ে রয়েছে প্রায় ১৫শ’ শিক্ষার্থী। প্রভাতী শাখা বালিকা,
দিবা শাখায় রয়েছে বালক এবং কলেজ শাখায় বালিকা। অথচ প্রতিষ্ঠার পর থেকে ১৬
বছর অতিক্রম হলেও এমপিওভুক্ত হয়নি এ বিদ্যালয়টি। শিক্ষকরা দিন গুনছেন কখন
এমপিভুক্ত হবে এ বিদ্যালয়টির। আর বিদ্যালয়ের এমপিওর সঙ্গে রয়েছে তাদের
নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন। আধুনিক ছোঁয়া থেকে বঞ্চিত রয়েছে বিদ্যালয়ের
শিক্ষক-কর্মচারীদের জীবন-যাপন। বিদ্যালয়ের দেয়াল ঘেঁষে রয়েছে বিদ্যুতের ১১
হাজার ভোল্টেজের ট্রান্সমিটার ও তার। সার্বক্ষণিক আতংক আর ঝুঁকির মধ্যে
থাকেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। বিদ্যালয়ে শ্রেণী কক্ষের সমস্যা হলেও
বৈদ্যুতিক ট্রান্সমিটার ও তারের জন্য বিদ্যালয় ভবন ঊর্ধ্বমুখী করতে পারছে
না বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ট্রান্সমিটার ও বিদ্যুৎ লাইন স্থানান্তরের জন্য
কর্তৃপক্ষ বরাবর আবেদনও করা হয়েছে। বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো.
সালাম উল্লাহ খান বলেন,
কমিটির সার্বক্ষণিক তদারকি এবং শিক্ষকদের
প্রচেষ্টায় আল্লাহর রহমতে বিদ্যালয়ে ভালো লেখাপড়া হয়। ছেলেমেয়েদের
আদব-কায়দায় কঠোর নজর রাখা হয়। বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মো. আমিরুল ইসলাম
যুগান্তরকে বলেন, বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর ভালো ফলাফলসহ এ প্রতিষ্ঠানের
সুনাম রয়েছে। বিদ্যালয় এমপিওভুক্ত না হওয়ায় আমরা শিক্ষক-কর্মচারীরা আধুনিক
জীবনযাপনের ছোঁয়া থেকে বঞ্চিত রয়েছি। তিনি আরও বলেন, বিদ্যালয়ের দেয়াল
ঘেঁষে রয়েছে ১১ হাজার ভোল্টেজ বিদ্যুতের ট্রান্সমিটার ও লাইন। এর জন্য
বিদ্যালয় ভবন ঊর্ধ্বমুখী করতে পারছি না। অপরদিকে আমরা শিক্ষক ও
শিক্ষার্থীরা শ্রেণীকক্ষে আতংকে থাকি। ট্রান্সমিটার ও বিদ্যুৎ লাইন
স্থানান্তরের জন্য কর্তৃপক্ষ বরাবরে আবেদন করা হয়েছে। ডিপিডিসির ডেমরার
নির্বাহী প্রকৌশলী (এনওসিএস) মো. ইব্রাহীম যুগান্তরকে জানান, আবেদন পেয়েছি
বিষয়টি দেখে রিপোর্ট করার জন্য সাব-ডিভিশনাল ইঞ্জিনিয়ার প্রিদিব বাবুকে বলা
হয়েছে। তার মতামত নিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

No comments:
Post a Comment