তেল-গ্যাস-খনিজ
সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির ডাকা বৃহস্পতিবারের হরতাল
ধ্বংসের নয় সৃষ্টির বলে মন্তব্য করেছেন এর সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু
মুহাম্মদ। সোমবার সকাল ১১টায় পুরানা পল্টনের প্রগতি সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত
এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি আরো বলেন,
এযাবতকালে
বাংলাদেশের মানুষ সম্পদ ধ্বংসের আর ক্ষমতার সংকীর্ণ সংঘাতের অনেক হরতাল
দেখেছে। কিন্তু বৃহস্পতিবারের হরতাল ক্ষমতার সংকীর্ণ সংঘাতে সম্পদ ধ্বংসের
নয়, বরং সম্পদ রক্ষা-সম্পদ সৃষ্টি এবং বাংলাদেশ রক্ষার। তাই তিনি সাধারণ
নাগরিকদের হরতালে স্বতস্ফুর্তভাবে সহযোগিতা করার আহবান জানান। অধ্যাপক আনু
মুহাম্মদ বলেন, গত ৭ বছর ধরে সুন্দরবন বিনাশী রামপাল কয়লা প্রকল্প বাতিলের
জন্য সাত দফা বাস্তবায়নে আমরা লংমার্চ, প্রতিবাদ-বিক্ষোভসহ নানা কর্মসূচী
পালন করেছি। কিন্তু সরকার এই প্রকল্প বাতিল না করে উল্টো সুন্দরবনের জন্য
ক্ষতিকর নানা তৎপরতা চালাচ্ছে। তাই আমরা বাধ্য হয়ে হরতাল পালনের কর্মসূচি
নিয়েছি।
তিনি বলেন, আমরা জ্বালাও পোড়াওয়ের বিরোধিতা করি। আমাদের বিরোধিতা
সত্ত্বেও কেউ যদি জ্বালাও পোড়াও করে অন্তর্ঘাত করতে চায় তার দায়িত্ব
সরকারকে নিতে হবে। সুন্দরবন রক্ষায় ২৬শে জানুয়ারী বৃহস্পতিবার ঢাকা
মহানগরীতে সকাল ৬টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত হরতাল আহবান করেছে
তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি। একইসঙ্গে ওইদিন
সারা দেশে বিক্ষোভ-সংহতি সমাবেশের কর্মসূচী পালন করা হবে। পথচারী, সাইকেল,
রিকশা, ভ্যান, এ্যাম্বুলেন্স, গণমাধ্যমের গাড়ি হরতালের আওতামুক্ত থাকবে বলে
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় কমিটির সংগঠক রুহিন
হোসেন প্রিন্স, টিপু বিশ্বাস, বজলুর রশিদ ফিরোজ, সাইফুল হক, জোনায়েদ
সাকী, মোশরেফা মিশু প্রমুখ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

No comments:
Post a Comment