জাপানের
আকাশসীমায় চীন ও রাশিয়ার বিমান ঢুকে পড়ার নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। চলতি
বছর এ পর্যন্ত এক হাজার বারের বেশি দেশটির আকাশসীমায় ঢুকে পড়া চীন-রাশিয়ার
বিমানের গতিরোধ করেছে জাপানের বিমান বাহিনী। জাপানের সম্প্রচার সংস্থা
এনএইচকে দেশটির সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ৭৬
ভাগ ক্ষেত্রে চীনা এবং ২৩ ভাগ ক্ষেত্রে রাশিয়ার বিমান জাপানের আকাশসীমায়
ঢুকে পড়েছে। এসব বিমানের গতিরোধ করতে জাপানের বিমান বাহিনীর জেট বিমান
পাঠাতে হয়েছে। এর আগে, জাপানের আকাশসীমা লঙ্ঘনের রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছিল ১৯৮৪
সালে। সে বছর ৯৪৪ বার জাপানের আকাশসীমা লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছিল। পূর্ব চীন
সাগরের দিয়াউয়ু বা সেনকাকু দ্বীপ নিয়ে চীন ও জাপানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে
উত্তেজনা বিরাজ করছে।
জাপান ২০১২ সালে দ্বীপটিকে জাতীয়করণ করার পর থেকে
প্রায়ই চীনা জাহাজ ও বিমান বিতর্কিত অঞ্চলে টহল দেয়। চীনও ওই দ্বীপের
মালিকানা দাবি করে আসছে। দিয়াউয়ু বা সেনকাকু দ্বীপের সার্বভৌমত্ব ছাড়ের
বিষয়ে কোনো আপস করবে না বলে দুপক্ষই এর আগে ঘোষণা করেছে। চীনের উপকূল থেকে
দ্বীপটি ৩০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ২০১৩ সালের নভেম্বর মাসে বিতর্কিত
দ্বীপপুঞ্জকে ঘিরে আকাশ প্রতিরক্ষা জোন গঠন করে বেইজিং। এদিকে, মার্কিন
যুক্তরাষ্ট্র পূর্ব চীন সাগরের দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে বিরোধে জাপানের প্রতি
সমর্থন ঘোষণা করায় চলতি মাসের ১৬ তারিখে উদ্বেগ প্রকাশ করে চীন। মার্কিন
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং জাপানি প্রধানমন্ত্রী শিনজো অ্যাবের মধ্যে
এক বৈঠকে এ সমর্থন ঘোষণা করা হয়। বৈঠক শেষে যৌথ ইশতেহারে দাবি করা হয় যে,
বিরোধপূর্ণ দ্বীপপুঞ্জের বিষয়টি মার্কিন-জাপান নিরাপত্তা চুক্তির এখতিয়ারের
মধ্যেই পড়ে। ইশতেহারের এ বক্তব্যে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র
গেং শুয়াং গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি এ বক্তব্যের কঠোর বিরোধিতাও
করেন তিনি। তিনি বলেন, এ দ্বীপপুঞ্জ প্রাচীনকাল থেকেই ঐতিহ্যগতভাবে চীনা
ভূখণ্ড হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।
সূত্র : ওয়েবসাইট
সূত্র : ওয়েবসাইট

No comments:
Post a Comment