দাম্পত্য
জীবনে মান-অভিমান ও একটু ঝগড়া-বিবাদ তো হতেই পারে, এটাই স্বাভাবিক। আর
ঝগড়া-বিবাদ যদি হয় সন্তানের সামনে, তাহলে সেটা মোটেই স্বাভাবিক নয়। কারণ
আপনাদের এমন আচরণ সন্তানের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে। একটা বয়স পর্যন্ত
শিশুরা বাবা-মাকে অনুকরণ করে, তাদের কাছ থেকেই শেখে ভালো-মন্দ।
সেই বেড়ে
ওঠার সময়ে আপনাদের মধ্যকার ঝগড়া-বিবাদ আপনার সন্তানকে মানসিকভাবে দুর্বল
করে তুলতে পারে। তবে সন্তান যদি একটু বড় হয়, তাহলে তাকেও বুঝতে হবে।
বাবা-মা কখনোই সন্তানদের খারাপ চান না, তারা স্বভাব দোষেই এমনটা করে ফেলেন।
সন্তানদেরও বুঝতে হবে যে জীবনে অনেক অসুবিধা আসবে, কিন্তু নিজেকে সামলে
অবশ্যই বাবা-মায়ের পাশে থাকতে হবে। যখনই এই সরল সত্যটা তোমরা বুঝবে তখন আর
বাবা-মার প্রতি রাগ থাকবে না। ভুলে গেলে চলবে না দুঃখজনক অতীত কিন্তু
বর্তমানকেও নষ্ট করে দেয়। তাই বাবা-মাকে দোষ দেয়া ছেড়ে এবার নিজেই ভাবো,
কীভাবে এসময় পরিস্থিতি সামাল দেবে তুমি। তোমাদের সুবিধার্থে বিশেষজ্ঞদের
কিছু পরামর্শ আলোচনা করা হলো :
* সন্তানদের সবসময় মনে রাখতে হবে বাবা-মাও কিন্তু একজন মানুষ। সব সময় তোমাদের ভালোভাবে বড় করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন তারা। তাই যখনই বাবা-মাকে খারাপ ব্যবহার করতে দেখবে, তখন ভাববে, তারাও হয়তো ছোট বেলায় খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে গেছেন, তাই হয়তো তারা এমন স্বভাবের হয়ে গেছেন।
* বাবা-মা শুধু খারাপ ব্যবহার করে তা নয়, তাদের মধ্যে অনেক ভালো কিছুও আছে? তোমরা তো জানোই, দুঃখের পরেই সুখ আসে। তাই দুঃখ পেলে কষ্ট বাড়ে এটা ঠিক, তবে এতে মানসিক জোরও বাড়ে। ফলে আগামী দিনে জীবনের চলার পথ আরো মসৃণ হয়।
* বাবা-মায়ের মধ্যে ঝগড়া হলে তাদের দোষ দেয়া ছেড়ে দাও, বরং তাদের ধন্যবাদ জানাও যে তাদের ঝামেলার মধ্যে বড় হতে হতে তোমরা খাটি মানুষ হয়ে উঠেছ।
* বাবা-মায়ের ঝগড়া হলে আগে তুমি নিজের দিতে তাকাও। বোঝার চেষ্টা কর কীভাবে তাদের আচরণ তোমাকে বিপথে নিতে পারে। তাই আজ থেকেই নিজেকে সামলাতে শুরু করো। খারাপ মনকে ভালো করতে এসময় নিজেকে কাজে ব্যস্ত রাখতে চেষ্টা করো।
* বাবা-মায়ের ঝগড়া-বিবাদে কখনই নিজেকে একা মনে করবে না বা নেশায় জড়িয়ে জীবন নষ্ট করো না। বরং নিজেকে খটি মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করো।
* মনে কখনো বাজে চিন্তা এনো না। মতে যত বাজে চিন্তা থাকবে, ভেতরটা তত বিষিয়ে যাবে। তাই মনের কথাগুলো তুমি যাকে বিশ্বাস করো তাকে উজার করে বলে ফেলো। কোনও খারাপ কথা বা চিন্তা নিজের মধ্যে রাখবে না। এমনটা করলেই দেখবে মানসিক শান্তি পাবে ও মনের জোর বাড়বে।
* সন্তানদের সবসময় মনে রাখতে হবে বাবা-মাও কিন্তু একজন মানুষ। সব সময় তোমাদের ভালোভাবে বড় করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন তারা। তাই যখনই বাবা-মাকে খারাপ ব্যবহার করতে দেখবে, তখন ভাববে, তারাও হয়তো ছোট বেলায় খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে গেছেন, তাই হয়তো তারা এমন স্বভাবের হয়ে গেছেন।
* বাবা-মা শুধু খারাপ ব্যবহার করে তা নয়, তাদের মধ্যে অনেক ভালো কিছুও আছে? তোমরা তো জানোই, দুঃখের পরেই সুখ আসে। তাই দুঃখ পেলে কষ্ট বাড়ে এটা ঠিক, তবে এতে মানসিক জোরও বাড়ে। ফলে আগামী দিনে জীবনের চলার পথ আরো মসৃণ হয়।
* বাবা-মায়ের মধ্যে ঝগড়া হলে তাদের দোষ দেয়া ছেড়ে দাও, বরং তাদের ধন্যবাদ জানাও যে তাদের ঝামেলার মধ্যে বড় হতে হতে তোমরা খাটি মানুষ হয়ে উঠেছ।
* বাবা-মায়ের ঝগড়া হলে আগে তুমি নিজের দিতে তাকাও। বোঝার চেষ্টা কর কীভাবে তাদের আচরণ তোমাকে বিপথে নিতে পারে। তাই আজ থেকেই নিজেকে সামলাতে শুরু করো। খারাপ মনকে ভালো করতে এসময় নিজেকে কাজে ব্যস্ত রাখতে চেষ্টা করো।
* বাবা-মায়ের ঝগড়া-বিবাদে কখনই নিজেকে একা মনে করবে না বা নেশায় জড়িয়ে জীবন নষ্ট করো না। বরং নিজেকে খটি মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করো।
* মনে কখনো বাজে চিন্তা এনো না। মতে যত বাজে চিন্তা থাকবে, ভেতরটা তত বিষিয়ে যাবে। তাই মনের কথাগুলো তুমি যাকে বিশ্বাস করো তাকে উজার করে বলে ফেলো। কোনও খারাপ কথা বা চিন্তা নিজের মধ্যে রাখবে না। এমনটা করলেই দেখবে মানসিক শান্তি পাবে ও মনের জোর বাড়বে।

No comments:
Post a Comment