
প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনার আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, কানাডার একটি
আদালত পদ্মা সেতু দুর্নীতি মামলার রায়ে পদ্মা সেতু প্রকল্প কেলেংকারীর
পেছনে একটি ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত রয়েছে।
জয় তার ফেসবুক পোস্টে বলেন, কানাডার আদালত পদ্মা সেতু দুর্নীতি মামলার বিচারে প্রকল্পটিতে দুর্নীতির অভিযোগের কোন প্রমাণাদি না পাওয়ায় এ সম্পর্কিত সকল অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে আদালত বলেছে, অভিযোগটি ছিল সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও গুজব।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র জয় বলেছেন, যারা এ ধরনের অভিযোগ করেছেন, তাদের উচিত হবে, প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার এবং দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়া।
জয় পোস্টে লিখেন, এটি খুবই নিন্দনীয়, সুশীল সমাজের কথিপয় সদস্য তাৎক্ষণিকভাবে বিশ্ব ব্যাংকের পক্ষে আমাদের দেশের বিরুদ্ধে অবস্থান নিলেন। তারা আমার মা’র উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমানের মতো কয়েকজন অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় ও শিক্ষিত এবং কঠোর পরিশ্রমী খ্যাতিমান লোকের সুনাম ক্ষুন্ন করেছেন।
জয় আরো লিখেন, তাদের উচিত হবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর আওয়ামী লীগ সরকার এবং যারা এ অভিযোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদের কাছে, এমনকি বাংলাদেশের কাছে ক্ষমা চাওয়া। তিনি বলেন, যারা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে তারা দেশপ্রেমিক নন।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জয় বলেন, বিশ্ব ব্যাংকের অভিযোগটি ছিল বানোয়াট। অথচ এই অভিযোগের কারণে বিশ্ব ব্যাংক বাংলাদেশের মেগা প্রকল্প পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণে লাখ লাখ ডলারের ঋণ দেয়া বন্ধ করে দেয়। সেতুটি নির্মিত হলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের লাখ লাখ লোক এর সুফল পাবে। এতে এলাকার পরিবহন ব্যবস্থায়ও একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটবে।
জয় বলেন, তিনি নিজে এই অভিযোগপত্রটি দেখেছেন। এতে অভিযোগের বিস্তারিত কোন তথ্য নেই। একটি অসমর্থিত সূত্রের বরাত দিয়ে অভিযোগটি করা হয়। কানাডার আদালতে যা হাজির করা সম্ভব হয়নি।
জয় বলেন, বিশ্ব ব্যাংক আদালতে লড়েছে। আদালত তাদের কাছে অভিযোগের বিপরীতে তথ্য প্রমাণাদি চেয়েছে, অথচ তারা তাদের পক্ষে প্রমাণাদি দেখাতে অস্বীকার করে।
জয় বলেন, বিশ্ব ব্যাংক আমার মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তাঁর সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে তাঁর বিরুদ্ধে এই ষড়যন্ত্র করে। এরপর সে সময়ের মাকির্ন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন আমাদের সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে পদ্মা সেতু প্রকল্পে অর্থায়ন প্রদান বাতিল করার নিদের্শ দেয়। তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমার মা’র বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউনুসের অনুরোধে হিলারি ক্লিনটন এ নিদের্শ দেন।
জয় বলেন, আমি নিজে আমাদের সরকারের বিরুদ্ধে হিলারি ক্লিনটনের অবস্থান সম্পর্কে প্রকৃত ঘটনা অবহিত করতে মাকির্ন পররাষ্ট্র দফতরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কয়েক দফা যোগাযোগ করি।
তিনি বলেন, ইউনুসের কারণেই বিশ্ব ব্যাংক বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রকল্প পদ্মা সেতু নির্মাণে ঋণ দেয়া বন্ধ করে। জয় বলেন, ইউনুস তার বিদেশী বন্ধুদের ব্যবহার করে বাংলাদেশের ক্ষতি করতে চেয়েছিল।
জয় বলেন, ইউনুস, তার পরিবার এবং বন্ধুরা বাংলাদেশের সবচেয়ে লাভজনক মোবাইল কোম্পানি গ্রামীণফোনের ৩০ শতাংশ শেয়ারহোল্ডার। তিনি বলেন, গ্রামীণ ব্যাংক থেকে লাখ লাখ ডলার ঋণ নিয়ে এই শেয়ারের মালিক হয়েছেন তারা। অথচ গ্রামীণ ফোন থেকে প্রাপ্ত লভাংশের একটি কানাকড়িও গ্রামীণ ব্যাংককে দেয়া হয়নি। দরিদ্রদের ক্ষুদ্র ঋণ দিতে দাতাদের দেয়া অর্থায়নে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ব্যক্তিগত ব্যবসার জন্য কেউ এই অর্থ ব্যবহার করতে পারে না।
জয় বলেন, একটি স্বাধীন কমিশন দিয়ে গ্রামীণ ব্যাংক অডিট করানো হয়েছে। এতে দেখা গেছে, এই ট্রাস্ট থেকে প্রাপ্ত লাভের বিন্দুমাত্রও গ্রামীণ ব্যাংক অথবা এর কোন সহযোগী প্রতিষ্ঠানকে দেয়া হয়নি।
জয় আরো বলেন, ইউনুস কখনো কোন কর দেননি। ইউনুস নিজেকে রক্ষা করতে গোপনে হিলারি ক্লিনটনের সহায়তা চেয়েছেন।
জয় তার ফেসবুক পোস্টে বলেন, কানাডার আদালত পদ্মা সেতু দুর্নীতি মামলার বিচারে প্রকল্পটিতে দুর্নীতির অভিযোগের কোন প্রমাণাদি না পাওয়ায় এ সম্পর্কিত সকল অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে আদালত বলেছে, অভিযোগটি ছিল সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও গুজব।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র জয় বলেছেন, যারা এ ধরনের অভিযোগ করেছেন, তাদের উচিত হবে, প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার এবং দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়া।
জয় পোস্টে লিখেন, এটি খুবই নিন্দনীয়, সুশীল সমাজের কথিপয় সদস্য তাৎক্ষণিকভাবে বিশ্ব ব্যাংকের পক্ষে আমাদের দেশের বিরুদ্ধে অবস্থান নিলেন। তারা আমার মা’র উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমানের মতো কয়েকজন অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় ও শিক্ষিত এবং কঠোর পরিশ্রমী খ্যাতিমান লোকের সুনাম ক্ষুন্ন করেছেন।
জয় আরো লিখেন, তাদের উচিত হবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর আওয়ামী লীগ সরকার এবং যারা এ অভিযোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদের কাছে, এমনকি বাংলাদেশের কাছে ক্ষমা চাওয়া। তিনি বলেন, যারা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে তারা দেশপ্রেমিক নন।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জয় বলেন, বিশ্ব ব্যাংকের অভিযোগটি ছিল বানোয়াট। অথচ এই অভিযোগের কারণে বিশ্ব ব্যাংক বাংলাদেশের মেগা প্রকল্প পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণে লাখ লাখ ডলারের ঋণ দেয়া বন্ধ করে দেয়। সেতুটি নির্মিত হলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের লাখ লাখ লোক এর সুফল পাবে। এতে এলাকার পরিবহন ব্যবস্থায়ও একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটবে।
জয় বলেন, তিনি নিজে এই অভিযোগপত্রটি দেখেছেন। এতে অভিযোগের বিস্তারিত কোন তথ্য নেই। একটি অসমর্থিত সূত্রের বরাত দিয়ে অভিযোগটি করা হয়। কানাডার আদালতে যা হাজির করা সম্ভব হয়নি।
জয় বলেন, বিশ্ব ব্যাংক আদালতে লড়েছে। আদালত তাদের কাছে অভিযোগের বিপরীতে তথ্য প্রমাণাদি চেয়েছে, অথচ তারা তাদের পক্ষে প্রমাণাদি দেখাতে অস্বীকার করে।
জয় বলেন, বিশ্ব ব্যাংক আমার মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তাঁর সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে তাঁর বিরুদ্ধে এই ষড়যন্ত্র করে। এরপর সে সময়ের মাকির্ন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন আমাদের সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে পদ্মা সেতু প্রকল্পে অর্থায়ন প্রদান বাতিল করার নিদের্শ দেয়। তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমার মা’র বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউনুসের অনুরোধে হিলারি ক্লিনটন এ নিদের্শ দেন।
জয় বলেন, আমি নিজে আমাদের সরকারের বিরুদ্ধে হিলারি ক্লিনটনের অবস্থান সম্পর্কে প্রকৃত ঘটনা অবহিত করতে মাকির্ন পররাষ্ট্র দফতরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কয়েক দফা যোগাযোগ করি।
তিনি বলেন, ইউনুসের কারণেই বিশ্ব ব্যাংক বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রকল্প পদ্মা সেতু নির্মাণে ঋণ দেয়া বন্ধ করে। জয় বলেন, ইউনুস তার বিদেশী বন্ধুদের ব্যবহার করে বাংলাদেশের ক্ষতি করতে চেয়েছিল।
জয় বলেন, ইউনুস, তার পরিবার এবং বন্ধুরা বাংলাদেশের সবচেয়ে লাভজনক মোবাইল কোম্পানি গ্রামীণফোনের ৩০ শতাংশ শেয়ারহোল্ডার। তিনি বলেন, গ্রামীণ ব্যাংক থেকে লাখ লাখ ডলার ঋণ নিয়ে এই শেয়ারের মালিক হয়েছেন তারা। অথচ গ্রামীণ ফোন থেকে প্রাপ্ত লভাংশের একটি কানাকড়িও গ্রামীণ ব্যাংককে দেয়া হয়নি। দরিদ্রদের ক্ষুদ্র ঋণ দিতে দাতাদের দেয়া অর্থায়নে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ব্যক্তিগত ব্যবসার জন্য কেউ এই অর্থ ব্যবহার করতে পারে না।
জয় বলেন, একটি স্বাধীন কমিশন দিয়ে গ্রামীণ ব্যাংক অডিট করানো হয়েছে। এতে দেখা গেছে, এই ট্রাস্ট থেকে প্রাপ্ত লাভের বিন্দুমাত্রও গ্রামীণ ব্যাংক অথবা এর কোন সহযোগী প্রতিষ্ঠানকে দেয়া হয়নি।
জয় আরো বলেন, ইউনুস কখনো কোন কর দেননি। ইউনুস নিজেকে রক্ষা করতে গোপনে হিলারি ক্লিনটনের সহায়তা চেয়েছেন।
>>>বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)
No comments:
Post a Comment