চতুর্থ
দিনে অধিনায়ক মুশফিকুর রহীমের লড়াকু ব্যাটিং আতঙ্ক ছড়িয়েছে ভারত শিবিরে।
সেঞ্চুরির পর মুশফিকের হাতখোলা ব্যাটিংয়ে চাপে পরে কোহলিরা। এক পর্যায়ে
বাংলাদেশকে অলআউট করতে উঠে-পড়ে লাগে। তাসকিনকে আউট করতে বার বার আপিল করে
তারা। এ সময় অধিনায়ক কোহলির মুখে চিন্তার ছাপ স্পষ্ট ছিল। কারণ ঐতিহাসিক এ
টেস্টটি ড্র হলেও বাংলাদেশের জন্য তা জয় আর ভারতের জন্য পরাজয়ের সামিল। তবে
শেষ পর্যন্ত তাসকিন সাজঘরে ফিরেন। ১২৭ রানে ফিরেন মুশফিক। বাংলাদেশের
প্রথম ইনিংস শেষ হয় ৩৮৮ রানে।
ভারত থেকে ২৯৯ রান পিছিয়ে ছিল বাংলাদেশ। এর
ফলে ব্যাট হাতে নামতে বাধ্য হয় ভারত। প্রথম ইনিংসে বিপুল রান করে তারা
ভেবেছিল দ্বিতীয় ইনিংস তাদের খেলতে হবে না। ইনিংস ব্যবধানেই জিতবে। কিন্তু
বাংলাদেশী ব্যাটসম্যানরা তাদের বোলিং নিয়ে ভালোমতোই খেলেছে। দীর্ঘ সময়
বোলিং ও ফিল্ডিং করে ভারতীয়রা হয়ে পড়েছিল বেশ ক্লান্ত। এতে করে বাংলাদেশ
আবার ব্যাট করলে তাদের বোলাররা আরো ক্লান্ত হয়ে পড়তে পারত। সেক্ষেত্রে
ম্যাচটি ড্র হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। এসব দিক বিবেচনা করে তারা দ্বিতীয় ইনিংসে
ব্যাট করতে বাধ্য হয়।

No comments:
Post a Comment