একেই
বলে রসবোধ। অথবা রাজনৈতিক সচেতনতা এবং মতামত প্রকাশের 'মৃত্যুঞ্জয়ী'
ইচ্ছাও বলা যেতে পারে। এলিস স্টেপলটনের শরীরে বাসা বেঁধেছে মারণ রোগ
ক্যান্সার। সদ্য ধরা পড়েছে সেই অসুখ। কিন্তু তিনি দমবার পাত্রী নন, তার
শরীরের সংক্রামিত টিউমারটির নাম রেখেছেন তার অতি অপছন্দের মার্কিন
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নামে। হ্যাঁ, ঠিকই পড়লেন, এলিসের শরীরের
টিউমারটির নাম- 'ডোনাল্ড'।
পেশায় 'অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অ্যাসিসট্যান্ট'
এলিসকে ডাক্তার জানান, গত সেপ্টেম্বর থেকে তিনি Hodgkin’s lymphoma নামক
ক্যান্সারে আক্রান্ত। এই রোগের চিকিৎসার জন্য দীর্ঘকাল কেমোথেরাপির প্রয়োজন
এবং তার ফলে ২৪ বছর বয়সী যুবতীর মাথার চুল উঠে যাওয়া সহ নানা
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হবে। তবে এই সব শুনে এই যুবতী একেবারেই দমে যাননি, বরং
উল্টে ঠিক করেছেন তার শরীরে ওই রোগের উৎস তথা টিউমারটির নাম রাখবেন
ডোনাল্ড, এবং তা নিয়ে তিনি একটি ব্লগ লেখারও পরিকল্পনা করেছেন। এলিসের
কথায়, "আমি ঠিক করেছি এটার নাম রাখব ডোনাল্ড, ডোনাল্ড ট্রাম্প আসলে যেরকম-
বিশাল চেহেরা, অসুন্দর এবং প্রায় কোনও কাজেই লাগে না, একমাত্র মানুষকে আহত
করা ছাড়া"। আরও পড়ুন- পাক বিরোধী স্লোগান উঠল ইসলামাবাদের পথে! অভিবাসন
নীতিসহ ট্রাম্পের একাধিক পদক্ষেপ নিয়ে যখন সমগ্র বিশ্ব উত্তাল, সেই সময়ে
এলিসের এই সিদ্ধান্ত অভূতপূর্ব। সত্যিই ঘৃণা কতটা জমাট বাঁধলে এমনটা হতে
পারে।

No comments:
Post a Comment