কফি
(Coffee) বিশ্বব্যাপী একটি জনপ্রিয় পানীয়। পানির সঙ্গে ফুটিয়ে রান্না
করা 'কফি ' নামে পরিচিত এক প্রকার বীজ পুড়িয়ে গুঁড়া করে কফি তৈরি করা
হয়। চায়ের পর কফিই বিশ্বের অত্যধিক জনপ্রিয় পানীয়। কফিতে ক্যাফেইন নামক
এক ধরনের উত্তেজক পদার্থ রয়েছে। ৮ আউন্স কফিতে প্রায় ১৩৫ মিলিগ্রাম
ক্যাফেইন থাকে। কফির উপাদান ক্যাফেইনের জন্যে কফি মানুষের ওপর উত্তেজক
প্রভাব ফেলে, যা উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কফি ক্লান্তি
দূর করে সারা দিনের শক্তি যোগায়। কফি টাইপ-২ ডায়াবেটিস, লিভারের চর্বি
কমায় ও লিভার সংক্রান্ত যেকোনো রোগসহ আরও অনেক রোগ প্রতিরোধ করতে বেশ
কার্যকরী। শুধু তাই নয়, কফি আপনার ওজন হ্রাস করতেও সাহায্য করে। তাই তো
গবেষকরা প্রতিদিন সকালে মাত্র এক চামুচ কফি পানের পরামর্শ দিয়েছেন। এছাড়া
কফিতে আর কী কী গুণ আছে তা নিম্নে আলোচনা করা হলো :
লিভার ভালো রাখে : গবেষণায় দেখা গেছে, কোনো কোনো সময় লিভারের চর্বি কমাতে ক্যাফেইন কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
হৃদপিণ্ডের গতি বাড়ে : ক্যাফেইন যুক্ত কফি হৃদপিণ্ডের গতি বাড়ায়, তারপরও কফি শরীরে উদ্যম ও উৎসাহ তৈরি করে।
মনযোগ বাড়ে : গবেষণায় দেখা গেছে মানসিক চাপের সময়, ২০০ মি.গ্রাম ক্যাফেইন শরীরে গেলে মনযোগ বৃদ্ধি পায়। অন্যদিকে প্রমাণ মিলেছে আলঝেইমার (স্মৃতিভ্রংশ) রোগের ক্ষেত্রে বিশেষ উপকারী কফি।
রোগের ঝুঁকি কমায় : ক্যাফেইন যুক্ত যে কোনো ধরনের কফি টাইপ টু ডায়াবেটিস রোগের ঝুঁকি কমায়।
স্কিন ক্যানসার : প্রতিদিন কফি পানে স্কিন ক্যানসারের ঝুঁকি কমে। সেই সঙ্গে শরীরের অন্য অংশেও ক্যানসারে হতে বাধা দেয়।
মনযোগ বাড়ে : গবেষণায় দেখা গেছে মানসিক চাপের সময়, ২০০ মি.গ্রাম ক্যাফেইন শরীরে গেলে মনযোগ বৃদ্ধি পায়। অন্যদিকে প্রমাণ মিলেছে আলঝেইমার (স্মৃতিভ্রংশ) রোগের ক্ষেত্রে বিশেষ উপকারী কফি।
রোগের ঝুঁকি কমায় : ক্যাফেইন যুক্ত যে কোনো ধরনের কফি টাইপ টু ডায়াবেটিস রোগের ঝুঁকি কমায়।
স্কিন ক্যানসার : প্রতিদিন কফি পানে স্কিন ক্যানসারের ঝুঁকি কমে। সেই সঙ্গে শরীরের অন্য অংশেও ক্যানসারে হতে বাধা দেয়।

No comments:
Post a Comment