কোরীয়
উপদ্বীপে মার্কিন অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা থাড মোতায়েন করার ফলে
সৃষ্ট যেকোনো পরিণতির জন্য আমেরিকা ও দক্ষিণ কোরিয়াকে দায়ী থাকতে হবে। এর
পাশাপাশি চীনের জন্য সৃষ্ট হুমকি মোকাবেলা ও নিজের নিরাপত্তা স্বার্থ
রক্ষায় বেইজিং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের
মুখপাত্র গেং শুয়াং সোমবার এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেছেন। তিনি বলেন,
“কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের মাধ্যমে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা থাড মোতায়েন
করা হলে এ অঞ্চলের কৌশলগত ভারসাম্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
এছাড়া,
চীনসহ আঞ্চলিক দেশগুলোর নিরাপত্তা স্বার্থ দারুণভাবে অচলাবস্থায় পড়বে। থাড
মোতায়েন কোরীয় উপদ্বীপে কোনো রকম শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় সহায়তা
করবে না।” দক্ষিণ কোরিয়ার বৃহৎ ব্যবসায়ী গ্রুপ ‘লোটে’ থাড মোতায়েনের জন্য
জমি বরাদ্দ দিতে সিউল সরকারের সাথে চুক্তি করেছে। বিনিময়ে দক্ষিণ কোরিয়া
রাজধানী সিউলের কাছে একটি সামরিক স্থাপনা লোটে গ্রুপকে দেবে বলে রাজি
হয়েছে। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে চীন কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করল। গত বছরের
জুলাই মাসে দক্ষিণ কোরিয়া ও আমেরিকা থাড মোতায়েনের বিষয়ে একটি চুক্তি করে।
উত্তর কোরিয়া, চীন ও রাশিয়া এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে আসছে। দেশগুলো
বলছে, থাড মোতায়েন করা হলে আঞ্চলিক ভারসাম্যহীনতা ও কৌশলগত নিরাপত্তাহীনতা
সৃষ্টি হবে।
সূত্র : ওয়েবসাইট
সূত্র : ওয়েবসাইট

No comments:
Post a Comment