নীলফামারীর
ডোমারে প্রেমিক ও তার চার বন্ধুর গণধর্ষণের শিকার হয়েছে এক কিশোরী। তাকে
শেষ পর্যন্ত ধর্ষক প্রেমিকের সঙ্গে বাল্যবিয়ে দেয়া হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার
আশুগঞ্জে দ্বিতীয় শ্রেণীর এক ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। বিস্তারিত
প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরে-
নীলফামারী : গণধর্ষণের শিকার কিশোরীর বাড়ি ডোমার উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের ধনীপাড়া গ্রামে। সে সোনারায় উচ্চবিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীতে পড়ে। তার সঙ্গে জামিরবাড়ী চাগধাপাড়া গ্রামের জাহাঙ্গীরের ছেলে ফরহাদ হোসেন জীবনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। জীবন সদ্য পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকরি নিয়ে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে যোগ দিয়েছে। কিশোরীর বাবা জানান, ২৯ জানুয়ারি বেড়ানোর কথা বলে তার মেয়েকে মোটরবাইকে করে নিয়ে যায় জীবন ও তার চার বন্ধু। অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে জীবন ও তার চার বন্ধু। পরে তাকে বাড়ির অদূরে একটি ফসলের মাঠে ফেলে রেখে যায়। অসুস্থ কিশোরী নীলফামারী হাসপাতালে বেশ কয়েকদিন চিকিৎসা নেয়।
নীলফামারী : গণধর্ষণের শিকার কিশোরীর বাড়ি ডোমার উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের ধনীপাড়া গ্রামে। সে সোনারায় উচ্চবিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীতে পড়ে। তার সঙ্গে জামিরবাড়ী চাগধাপাড়া গ্রামের জাহাঙ্গীরের ছেলে ফরহাদ হোসেন জীবনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। জীবন সদ্য পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকরি নিয়ে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে যোগ দিয়েছে। কিশোরীর বাবা জানান, ২৯ জানুয়ারি বেড়ানোর কথা বলে তার মেয়েকে মোটরবাইকে করে নিয়ে যায় জীবন ও তার চার বন্ধু। অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে জীবন ও তার চার বন্ধু। পরে তাকে বাড়ির অদূরে একটি ফসলের মাঠে ফেলে রেখে যায়। অসুস্থ কিশোরী নীলফামারী হাসপাতালে বেশ কয়েকদিন চিকিৎসা নেয়।
এ
ঘটনায় ৬ ফেব্রুয়ারি ডোমার থানায় অভিযোগ করেন কিশোরীর বাবা। পুলিশ বিষয়টি
তদন্ত করলেও মামলা নিতে রাজি হচ্ছিল না। পরে ইউপি চেয়ারম্যানসহ ক্ষমতাসীন
দলের নেতারা বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেন। কিশোরী নামে ০.৬০ একর জমি লিখে
দিয়ে এবং ২৬ লাখ টাকা দেনমোহরে ধর্ষণের শিকার কিশোরীকে বিয়ে করতে রাজি হয়
জীবন। মঙ্গলবার রাতে আবু মাওলানার বাড়িতে চুপিসারে এফিডেভিডের মাধ্যমে
তাদের বিয়ে হয়। নতুন বউকে নিয়ে বাড়িতে যায় বরপক্ষ। ধর্ষণের বিচার না হয়ে
উল্টো ধর্ষকের হাতে কিশোরীকে তুলে দেয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনার
সৃষ্টি হয়েছে। ধর্ষণের শিকার ছাত্রীর বাবা বিয়ের বিষয়টি অস্বীকার করে
বলেন, বিয়ে নয়, আংটি পরিয়ে রাখা হয়েছে। মেয়ের বয়স পূর্ণ হলে বিয়ে দেয়া হবে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ধর্ষণের শিকার ছাত্রীর বাড়ি আশুগঞ্জের তালশহর ইউনিয়নের মইসাইর গ্রামে। একই গ্রামের ইসমাঈল মুন্সির বাড়িতে রোজ আরবি পড়তে যায় ছাত্রী। রোববার দুপুরে ছাত্রী ওই বাড়িতে গেলে ইসমাঈল মুন্সির ছেলে তাজুল তাকে পেয়ারা খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে ঘরের ভেতরে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ধর্ষণ করে।পরে খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন শিশুটিকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় সোমবার ছাত্রীর বাবা তাজুলের বিরুদ্ধে আশুগঞ্জ থানায় ধর্ষণ মামলা করেছেন। বিষয়টি ধাপাচাপা দিতে সোমবার দিনভর প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সমঝোতা বৈঠক চলে। আশুগঞ্জ থানার ওসি মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন জানান, ঘটনার পর থেকেই তাজুল ইসলাম পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেফতারে পুলিশের চেষ্টা চলছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ধর্ষণের শিকার ছাত্রীর বাড়ি আশুগঞ্জের তালশহর ইউনিয়নের মইসাইর গ্রামে। একই গ্রামের ইসমাঈল মুন্সির বাড়িতে রোজ আরবি পড়তে যায় ছাত্রী। রোববার দুপুরে ছাত্রী ওই বাড়িতে গেলে ইসমাঈল মুন্সির ছেলে তাজুল তাকে পেয়ারা খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে ঘরের ভেতরে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ধর্ষণ করে।পরে খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন শিশুটিকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় সোমবার ছাত্রীর বাবা তাজুলের বিরুদ্ধে আশুগঞ্জ থানায় ধর্ষণ মামলা করেছেন। বিষয়টি ধাপাচাপা দিতে সোমবার দিনভর প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সমঝোতা বৈঠক চলে। আশুগঞ্জ থানার ওসি মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন জানান, ঘটনার পর থেকেই তাজুল ইসলাম পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেফতারে পুলিশের চেষ্টা চলছে।

No comments:
Post a Comment