ভাষার
জন্য যারা দিয়েছেন প্রাণ, যাদের বুকের তাজা রক্ত রাঙিয়েছিল রাজপথ- সেই সব
ভাষা শহীদকে মঙ্গলবার বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করেছে জাতি। যথাযোগ্য মর্যাদায়
পালন করেছে মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। একুশের প্রথম প্রহরে
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা
জানান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। এরপর সব সড়ক যেন মিশে গিয়েছিল সেখানে। শিশু
থেকে বৃদ্ধ- সবার কণ্ঠে অবিনাশী গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে
ফেব্রুয়ারি/আমি কী ভুলিতে পারি...।’ রাত শেষে ফুটল ভোরের আলো, সকাল পেরিয়ে
দুপুর, দুপুর গড়িয়ে বিকেল, নামে সন্ধ্যা- মানুষের সেই ঢল থামেনি এক
মুহূর্তের জন্যও।
গৌরবের মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে এসেছিলেন ভিনদেশীরাও। শুধু
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারই নয়, শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নিবেদন করা ফুলে
ফুলে ভরে ওঠে দেশের হাজারও শহীদ মিনারের বেদি। এমনকি প্রত্যন্ত গ্রামে,
পাড়ায় পাড়ায় উঠানে উঠানে আদুল হাতে গড়া অস্থায়ী স্মৃতির মিনারও এদিন ভরেছে
শ্রদ্ধার ফুলে। নাঙা পায়ে সারি সারি মানুষ হেঁটেছেন এক পথে। নিয়েছেন
অন্যায়ের কাছে মাথানত না করার শপথ। বাংলাদেশের মতো বিভিন্ন দেশেও দিবসটি
পালন করা হয়েছে যথাযোগ্য মর্যাদায়। ভাষা শহীদদের প্রতি তারাও জানিয়েছেন
শ্রদ্ধাঞ্জলি। গৌরবের মিনারে শ্রদ্ধা জানানো ছাড়াও দিনটি পালনে ছিল নানা
আয়োজন। ছিল ফাতেহা পাঠ, কোরআনখানি, প্রার্থনা, আলোচনা সভা, সেমিনার,
বিভিন্ন প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এসবে একদিকে মহান শহীদদের
আত্মার মাগফিরাত কামনা, অন্যদিকে ছিল মাতৃভাষাকে সর্বস্তরে প্রতিষ্ঠার
দাবি। আর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সেই ঢলের বড় অংশই যেন পথ পেয়েছিল একুশে
গ্রন্থমেলায়। মেলাতেও তাই এদিন ছিল না পা ফেলার স্থান। সোমবার রাত ১০টার পর
থেকেই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের আশপাশে হাজারও মানুষ জড়ো হতে শুরু করেন।
কারও পরনে কালো পোশাক, কারও বুকে কালো ব্যাজ। কী শাড়ি, কী পাঞ্জাবি-
কোনোটিতে বর্ণমালা, কোনোটিতে ভাষা শহীদদের নাম-ছবি, কোনোটিতে নানা স্লোগান,
শহীদ মিনার, কালোর বুকে রক্তরঙের ছটা।
শাহবাগ, দোয়েল চত্বর, পলাশী,
আজিমপুর, নীলক্ষেত, চানখাঁরপুলসহ শহীদ মিনারে যাওয়ার প্রবেশপথেই কেবলি
মানুষের মিছিল, গান আর কবিতা। প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পর
পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। পরে
বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া শ্রদ্ধা জানান।
বিভিন্ন বাহিনীর প্রধান, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল,
সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন
করেন। মঙ্গলবার ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা
পরিণত হয় জনসমুদ্রে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশ থেকে শুরু হয়
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাতফেরি। ভিসি অধ্যাপক ড. আআমস আরেফিন সিদ্দিক
বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আজিমপুর কবরস্থানে ভাষা শহীদদের কবরে
শ্রদ্ধা জানান ও ফাতেহা পাঠ করেন। পরে শহীদ মিনারে গিয়ে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ
করেন। বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক এলাকার মসজিদসহ অন্যান্য ধর্মীয়
উপাসনালয়ে ভাষা শহীদদের রুহের মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত ও
প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। ড. আরেফিন সিদ্দিক বলেন, একুশ মানে মাথানত না করা।
একুশ মানে চেতনা। আমাদের বাংলার ইতিহাস-ঐতিহ্য ধারণ করতে হবে। সবাইকে
বাংলা ভাষা শুদ্ধভাবে শিখতে হবে।
বাংলা ভাষাকে লালন করতে হবে। তারপর ১০টি
বিদেশী ভাষা শিখলে সমস্যা নেই। সকালে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদনের পর
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আজ
বিশ্বে ৩২ কোটি মানুষ বাংলা ভাষায় কথা বলছে। এখন বাংলা ভাষা জাতিসংঘের
দাফতরিক ভাষা হওয়া সময়ের দাবি। এ দাবি তুলে ধরা আমাদের অঙ্গীকার হওয়া উচিত।
এদিনে বাংলাকে জাতিসংঘের দাফতরিক ভাষা করার দাবি জানাচ্ছি।’ তিনি আরও
বলেন, বিভিন্ন কারণেই আমাদের বাংলা ভাষার মর্যাদা দিন দিন ক্ষুণœ হচ্ছে। এ
মর্যাদা অক্ষুণœ রাখতে আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে। এর আগে ওবায়দুল
কাদেরের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা আজিমপুর কবরস্থানে ভাষা শহীদদের
কবর জিয়ারত, ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাত করেন। এ সময় ছিলেন যুগ্ম সম্পাদক আবদুর
রহমান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, দফতর সম্পাদক আবদুস
সোবহান গোলাপ, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, সাংগঠনিক
সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, এনামুল হক শামীম, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী প্রমুখ।
পরে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও উত্তর আওয়ামী
লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ,
জাতীয় পার্টি, বিএনপি, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক
ইউনিয়ন, জাতীয় প্রেস ক্লাব, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন, ঢাকা রিপোর্টার্স
ইউনিটি, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, সাংস্কৃতিক লীগ, স্থাপত্য অধিদফতর, বাংলাদেশ
পথনাট্য সংসদ, সাউথ এশিয়া পিপলস ফোরাম, বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদ, অভিনয়
শিল্পী সংঘ, ঢাকা মহানগর সমিতি, বাসদ, জাসদ, বাংলাদেশ তাঁতী লীগ, গ্রিস
বিশ্ববিদ্যালয়, কবি সংসদ বাংলাদেশ, বাংলাদেশ স্কাউট, গণবিশ্ববিদ্যালয়,
গণতান্ত্রিক পার্টি, খেলাঘর, উদীচী, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, দুর্নীতি দমন
কমিশন, বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদ। সকাল ৯টার দিকে ভাষা শহীদদের স্মৃতির
প্রতি শ্রদ্ধা জানান প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা। এ সময়
সুপ্রিমকোর্ট ও হাইকোর্টের বিচারপতিরা তার সঙ্গে থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ
করেন। তারপর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস
অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল
মাহমুদ বেলা সাড়ে ১১টায় কর্মকর্তাদের নিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে তিনি
যুগান্তরকে জানান, ভাষা শহীদদের স্বপ্ন ছিল বাংলাদেশে কোনো দুর্নীতি থাকবে
না। এ দিনে দেশের মানুষের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি, দুর্নীতিমুক্ত দেশ গঠনে
সবার সহযোগিতা চাই। সবার সহযোগিতা থাকলে নিশ্চয়ই এ দেশ দুর্নীতিমুক্ত হবে।
শ্রদ্ধা জানানো সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা
সংসদ, বাংলাদেশ পুলিশ, র্যাব, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন,
নির্র্বাচন কমিশন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
মেট্রোপলিটন পুলিশ, বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ পুলিশ
অ্যাসোসিয়েশন, একুশে ল ইয়ার্স কাউন্সিল, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট,
স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুবদল, ছাত্রদল, ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্র ফ্রন্ট, ছায়ানট,
ইসলামী ব্যাংক, আনসার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, বাংলাদেশ অনলাইন
অ্যাক্টিভিস্ট ফোরাম, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
শিক্ষক সমিতি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ হিজড়া
কমান্ড কর্পোরেশন, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ,
সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতি, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন, গ্রিন ভয়েজ, রোভার
স্কাউট, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি, বাংলাদেশ টেলিভিশন, নারীমুক্তি,
মানুষের
জন্য ফাউন্ডেশন, সুশাসনের জন্য নাগরিক। সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, শহীদ
মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর অনেকেই ঘুরে বেরিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
এলাকাসহ রাজধানীর বিভিন্ন পার্ক ও উন্মুক্ত স্থানে। সরকারি ছুটি থাকায়
পরিবারের সদস্য ও বন্ধুদের নিয়ে ছুটে বেড়িয়েছেন। তাদেরও পোশাকে ছিল একুশের
ছোঁয়া। অনেকের গাল ও বাহুতে আঁকা ছিল শহীদ মিনার। শহীদ মিনার থেকে ঢল চলে
গেছে বাংলা একাডেমিতে একুশে গ্রন্থমেলায়। মালিবাগ থেকে যমজ কন্যাশিশুকে
নিয়ে আসেন বাবা ইঞ্জিনিয়ার হারুন অর রশিদ। দুই শিশুর পরনে কালো আর লাল রঙের
পোশাক, হাতে ফুল। হারুন অর রশিদ জানান, তারা দুজনই আইডিয়াল স্কুলে তৃতীয়
শ্রেণীতে পড়ছে। ভোর না হতেই তারা পোশাক পরে প্রস্তুত হয়েছিল। সকাল সাড়ে
৬টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় পৌঁছি। আর এখন প্রায় ১২টা। প্রচণ্ড ভিড়ের
কারণে একজনকে আমি, অন্য জনকে তার মামা ঘাড়ে নিয়ে শহীদ মিনারে আসি। প্রচণ্ড
ক্ষুধা লাগা সত্ত্বেও মেয়েরা ফুল দিতে পেরে অনেক খুশি। শিশু তাবাসুম ও
মুনতাহীনা জানায়, প্রতি বছরই আসব। ভাষা শহীদরা আমাদের কাছে শ্রদ্ধার।
গর্বের। ১৯৫২ সালের এ দিনে পাকিস্তানি শাসকদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে ১৪৪
ধারা ভেঙে পথে নেমে এসেছিল নানা বয়সী মানুষ। বজ কণ্ঠে আওয়াজ তুলেছিল,
‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’। ওই মিছিলে গুলি চালালে সালাম, বরকত, রফিক, শফিক,
জব্বারসহ বাংলা মায়ের অকুতোভয় সন্তানদের তাজা রক্তে রঞ্জিত হয় রাজপথ। ভাষার
জন্য বাঙালির এ আত্মদানের দিনটিকে ১৯৯৯ সালে ইউনেসকো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা
দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
উত্তরায় মহান একুশে পালিত : যুগান্তর স্বজন সমাবেশ উত্তরা ও সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে প্রভাতফেরি এবং উত্তরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করা হয়েছে। শ্রদ্ধা নিবেদন করে ঢাকা জেলা পরিষদ, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ১ নং ওয়ার্ড, ডিএমপি উত্তরা পূর্ব থানা, এসএ পরিবহন, সন্ত্রাস দমন নাগরিক কমিটি, ছাত্র ও যুব ইউনিয়ন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, সরকারি অফিসার্স কোয়ার্টার কল্যাণ সমিতি, সেক্টর কল্যাণ সমিতি এবং বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়। এ ছাড়া রাজধানীর অনেক প্রতিষ্ঠানেও যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়।
উত্তরায় মহান একুশে পালিত : যুগান্তর স্বজন সমাবেশ উত্তরা ও সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে প্রভাতফেরি এবং উত্তরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করা হয়েছে। শ্রদ্ধা নিবেদন করে ঢাকা জেলা পরিষদ, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ১ নং ওয়ার্ড, ডিএমপি উত্তরা পূর্ব থানা, এসএ পরিবহন, সন্ত্রাস দমন নাগরিক কমিটি, ছাত্র ও যুব ইউনিয়ন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, সরকারি অফিসার্স কোয়ার্টার কল্যাণ সমিতি, সেক্টর কল্যাণ সমিতি এবং বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়। এ ছাড়া রাজধানীর অনেক প্রতিষ্ঠানেও যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়।
বাংলাদেশ
উপ-হাইকমিশন, মুম্বাইয়ে একুশে উদ্যাপন : মুম্বাইয়ে নিযুক্ত বাংলাদেশের
উপ-হাইকমিশনার সামিনা নাজ সকালে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করেন। পরে
রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর
বাণী পাঠ করা হয়। পরে ভাষা শহীদদের জন্য মোনাজাত করা হয়। হাইকমিশনের
কর্মকর্তা ও অতিথিরা সেখানে ছিলেন। দুপুরে চ্যান্সারি ভবনে অনাড়ম্বর
অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মহারাষ্ট্র সরকারের রাষ্ট্রাচার প্রধান এবং
অতিরিক্ত ম–খ্য সচিব সুমিত মল্লিক অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার ছিলেন।

No comments:
Post a Comment