ছোট্ট
শিশুরা অনেক সময় অল্পতেই বিরক্ত হয়, রেগে যায় ও কান্নাকাটি করে। এটা শুধু
বায়না করার সময় নয়, সে তার পছন্দের সঙ্গীর সঙ্গে খেলা করতেও বিরক্ত প্রকাশ
করে। এ নিয়ে শিশুকে বুঝিয়ে স্বাভাবিক করলেও তার এই খিটখিটে স্বভাব থেকে
যায়। এ নিয়ে জোরাজরি করতেই সে কান্না শুরু করে। যদি স্বাভাবিকের তুলনায়
এমনটা অনেক বেশি হয় তবে তা গুরুতর কোনো সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। বিভিন্ন
কারণে এই লক্ষণ দেখা যেতে পারে। যেমন : পুষ্টিহীনতা, স্কুলে বেশি পড়ার চাপ,
প্রতিনিয়ত মায়ের পড়ার রুটিনে হাঁপিয়ে ওঠা, আর ছোট্ট শিশুরা ডাইপারে
র্যাশের কারণেও খিটখিটে মেজাজের হয়। এছাড়া পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া, ক্ষুধা,
ভাই-বোনদের সঙ্গে ঝগড়া, কানে ইনফেকশন, দাঁত ব্যথা, ঠাণ্ডা বা ফ্লু,
মূত্রনালীর ইনফেকশন, পেটে ব্যথা, মাথা ব্যথা, কোষ্ঠ্যকাঠিন্য,
গুঁড়াক্রিমি, ঘুমের অনিয়ম হওয়া ইত্যাদি কারণে শিশুরা খিটখিটে মেজাজের
হয়। অনেক সময় শিশুরা অভিমানে মেঝেতে গড়াগড়ি দেয়, দেয়ালে মাথা ঠুকতে থাকে,
লাথি দিয়ে সবকিছু ফেলে দেয়, যাকে সামনে পায় তাকে আঘাত করে ও মারপিট করে।
জন্মের পর শিশুরা প্রথমে থেকে শিক্ষা নেয় পরিবার থেকে। তাই যতো কষ্টই হোক
না কেন, শিশুকে ইতিবাচক শিক্ষা দিতে ও খিটখিটে মেজাজ কমাতে অভিভাবকদের চরম
ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে হয়। শিশু যদি খুব বেশি বিরক্ত করে তাহলে তার সঙ্গে
কথা বলুন, খেলা ও আদর করে তাকে বোঝাতে চেষ্টা করুন। এছাড়াও শিশুর ঘুম,
খাওয়া-দাওয়া ও অন্যান্য বিষয়ে যত্নশীল হওয়াও জরুরী। ছোট্ট শিশুরা
অভিমান, জেদ ও একটু আবদার করতেই পারে ধৈর্য ধরে তাকে বোঝালে দেখবেন সে সব
ভুলে ঠিক আপনার কথাই শুনছে।
শিশু বিশেষজ্ঞ ড. রাজিব সাহা,
ইন্সস্টিটিউট অব চাইল্ড হেল্থ এন্ড শিশু স্বাস্থ্য ফাউন্ডেশন হাসপাতাল, মিরপুর- ২, ঢাকা
শিশু বিশেষজ্ঞ ড. রাজিব সাহা,
ইন্সস্টিটিউট অব চাইল্ড হেল্থ এন্ড শিশু স্বাস্থ্য ফাউন্ডেশন হাসপাতাল, মিরপুর- ২, ঢাকা

No comments:
Post a Comment