
নিরাপত্তারক্ষীর
হাতে ছাত্র লাঞ্চনার প্রতিবাদে রাজধানীর বসুন্ধরায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ
করেছে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এসময় তারা কয়েকটি ক্যাফে ও
একটি কাঁচের দোকান ভাঙচুর করে। এতে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ
এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ
মোতায়ন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা জানান, নিরাপত্তারক্ষীর লাঠির আঘাতে
শিক্ষার্থী শাহরিয়ার হাসনাত তপু গুরুতর আহত হন। তাকে অ্যাপোলো হাসপাতালে
ভর্তি করা হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতি এড়াতে আগামীকাল সব ক্লাস ও পরীক্ষা
বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয়রা ও পুলিশ জানিয়েছে, বুধবার রাত ৯ টার দিকে এ্যাপোলে হাসপাতালের সামনে মোটর সাইকেল রাখাকে কেন্দ্র করে নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তপুর সঙ্গে সেখানে দায়িত্ব পালন করা বসুন্ধরার এক নিরাপত্তারক্ষীর কথা কাটাকাটি হয়। এসময় তাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। তখন সেখানে আরও কয়েকজন নিরাপত্তারক্ষী ওই শিক্ষার্থীকে মারধর করে। খবর পেয়ে ইভিনিংয়ে ক্লাসরত নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এ্যাপোলে হাসপাতালের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করতে থাকে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা এসে নিরাপত্তারক্ষীদের শাস্তির আত্ততায় আনা হবে বলে আশ্বাস দিলে শিক্ষার্থীরা সেখান থেকে চলে যান। এরপর গতকাল সকাল ১০ টার দিকে বিষয়টি ক্যাম্পাসে আলোচনা হলে পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসের বাইরের প্রধান সড়ক প্রগতি স্বরণীসহ বসুন্ধরার আশপাশের সড়ক অবরোধ করে। নিরাপত্তারক্ষীদের যতক্ষণ শাস্তির আওতায় না আনা হবে ততক্ষণ তারা অবরোধ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়। এসময় তারা বসুন্ধরার মধ্যে থাকা ১ টি ক্যাফে, একটি ফার্নিচারের দোকানসহ ৬ টি স্থাপনা ভাংচুর করে। এতে ওই এলাকায় আতংঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সাধারণ পথচারীরা এদিকে সেদিক ছোটাছুটি শুরু করে। বসুন্ধরার মধ্যে থাকা সবগুলো দোকান বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ ৪ ঘণ্টা রাস্তায় আটকা পড়ে শত শত গাড়ি। প্রধান সড়কে প্রচন্ড যানযট সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা বেলাল আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, খবর পেয়ে রাতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক ও আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরিয়ে আনা হয়। আজ সকালে কিছু শিক্ষার্থী প্রগতি স্বরণী অবরোধ করে আবার বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। পরে কর্তৃপক্ষ তাদের ক্যাম্পাসে ফিরিয়ে আনে।
স্থানীয়রা ও পুলিশ জানিয়েছে, বুধবার রাত ৯ টার দিকে এ্যাপোলে হাসপাতালের সামনে মোটর সাইকেল রাখাকে কেন্দ্র করে নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তপুর সঙ্গে সেখানে দায়িত্ব পালন করা বসুন্ধরার এক নিরাপত্তারক্ষীর কথা কাটাকাটি হয়। এসময় তাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। তখন সেখানে আরও কয়েকজন নিরাপত্তারক্ষী ওই শিক্ষার্থীকে মারধর করে। খবর পেয়ে ইভিনিংয়ে ক্লাসরত নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এ্যাপোলে হাসপাতালের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করতে থাকে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা এসে নিরাপত্তারক্ষীদের শাস্তির আত্ততায় আনা হবে বলে আশ্বাস দিলে শিক্ষার্থীরা সেখান থেকে চলে যান। এরপর গতকাল সকাল ১০ টার দিকে বিষয়টি ক্যাম্পাসে আলোচনা হলে পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসের বাইরের প্রধান সড়ক প্রগতি স্বরণীসহ বসুন্ধরার আশপাশের সড়ক অবরোধ করে। নিরাপত্তারক্ষীদের যতক্ষণ শাস্তির আওতায় না আনা হবে ততক্ষণ তারা অবরোধ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়। এসময় তারা বসুন্ধরার মধ্যে থাকা ১ টি ক্যাফে, একটি ফার্নিচারের দোকানসহ ৬ টি স্থাপনা ভাংচুর করে। এতে ওই এলাকায় আতংঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সাধারণ পথচারীরা এদিকে সেদিক ছোটাছুটি শুরু করে। বসুন্ধরার মধ্যে থাকা সবগুলো দোকান বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ ৪ ঘণ্টা রাস্তায় আটকা পড়ে শত শত গাড়ি। প্রধান সড়কে প্রচন্ড যানযট সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা বেলাল আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, খবর পেয়ে রাতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক ও আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরিয়ে আনা হয়। আজ সকালে কিছু শিক্ষার্থী প্রগতি স্বরণী অবরোধ করে আবার বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। পরে কর্তৃপক্ষ তাদের ক্যাম্পাসে ফিরিয়ে আনে।
No comments:
Post a Comment