
সিটিং
বাসের নামে 'চিটিং' (প্রতারণা) বন্ধ এবং শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে
'হাফ'(অর্ধেক) ভাড়া নেয়াসহ আট দফা দাবি জানিয়েছে 'যাত্রী অধিকার আন্দোলন'।
শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে এ সব দাবি জানানো হয়।
দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, রাজধানীসহ সব নগর-মহানগর ও আন্তজেলার গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে হাফ ভাড়া এবং দূরপাল্লার পরিবহনে ৭৫ ভাগ ভাড়া নিতে হবে।
যত্রতত্র যাত্রী উঠা-নামা বন্ধ,মানসম্মত কিছু স্পেশাল পরিবহন ছাড়া সব সিটিং সার্ভিস বন্ধ, ভাড়ায় সমতা ও সব গাড়িতে ভাড়ার চার্ট টানানো, পরিবহন নৈরাজ্য বন্ধে অভিযান পরিচালনা ও সড়ক দুর্ঘটনা রোধে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে আইন প্রণয়ন, উন্নতমানের এসি ও নন-এসি বাস সার্ভিস চালু এবং ট্রাফিক পুলিশের চাঁদাবাজী বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
কর্মসূচিতে সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত মুখপাত্র দাউদ ফেরদাউস বলেন, রাজধানীসহ সারাদেশে গণপরিবহনে যাত্রী হয়রানী চরম আকার ধারণ করেছে। একদিকে সিটিং বাসের নামে যাত্রীদের থেকে আদায় করা হচ্ছে বাড়তি ভাড়া, অন্যদিকে নূন্যতম সেবাও পাচ্ছে না যাত্রীরা।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ(বিআরটিএ) পরিবহনের ভাড়া নির্ধারণ করে দিলেও গুটিকয়েক ছাড়া কেউ তা মানছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়ার বিষয়টি বরাবরের মতো উপেক্ষিত রয়েছে মন্তব্য করে দাউদ ফেরদাউস বলেন, এখন শিক্ষার্থী পরিচয় দিলেও পরিবহনে উঠানো হয় না। জোর করে উঠলেও অযাচিত আচরণ করা হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন যাত্রী অধিকার আন্দোলনের আহ্বায়ক কেফায়েত শাকিল, যুগ্ম আহ্বায়ক মুজাহিদুল ইসলাম, বার্তা সচিব মাহমুদুল হাসান সাকুরী, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মুঈন উদ্দিন আরিফ, অর্ণব সাদনিম, তাকবির মাহিন, ওয়াহিদা আক্তার তৃষ্ণা, হুমায়ুন কবির, জাহিদ হাসান, আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।
শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে এ সব দাবি জানানো হয়।
দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, রাজধানীসহ সব নগর-মহানগর ও আন্তজেলার গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে হাফ ভাড়া এবং দূরপাল্লার পরিবহনে ৭৫ ভাগ ভাড়া নিতে হবে।
যত্রতত্র যাত্রী উঠা-নামা বন্ধ,মানসম্মত কিছু স্পেশাল পরিবহন ছাড়া সব সিটিং সার্ভিস বন্ধ, ভাড়ায় সমতা ও সব গাড়িতে ভাড়ার চার্ট টানানো, পরিবহন নৈরাজ্য বন্ধে অভিযান পরিচালনা ও সড়ক দুর্ঘটনা রোধে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে আইন প্রণয়ন, উন্নতমানের এসি ও নন-এসি বাস সার্ভিস চালু এবং ট্রাফিক পুলিশের চাঁদাবাজী বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
কর্মসূচিতে সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত মুখপাত্র দাউদ ফেরদাউস বলেন, রাজধানীসহ সারাদেশে গণপরিবহনে যাত্রী হয়রানী চরম আকার ধারণ করেছে। একদিকে সিটিং বাসের নামে যাত্রীদের থেকে আদায় করা হচ্ছে বাড়তি ভাড়া, অন্যদিকে নূন্যতম সেবাও পাচ্ছে না যাত্রীরা।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ(বিআরটিএ) পরিবহনের ভাড়া নির্ধারণ করে দিলেও গুটিকয়েক ছাড়া কেউ তা মানছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়ার বিষয়টি বরাবরের মতো উপেক্ষিত রয়েছে মন্তব্য করে দাউদ ফেরদাউস বলেন, এখন শিক্ষার্থী পরিচয় দিলেও পরিবহনে উঠানো হয় না। জোর করে উঠলেও অযাচিত আচরণ করা হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন যাত্রী অধিকার আন্দোলনের আহ্বায়ক কেফায়েত শাকিল, যুগ্ম আহ্বায়ক মুজাহিদুল ইসলাম, বার্তা সচিব মাহমুদুল হাসান সাকুরী, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মুঈন উদ্দিন আরিফ, অর্ণব সাদনিম, তাকবির মাহিন, ওয়াহিদা আক্তার তৃষ্ণা, হুমায়ুন কবির, জাহিদ হাসান, আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।
No comments:
Post a Comment