
নীতিনির্ধারকরা
প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নিলে ফেসবুক আর গুগলের আধিপত্যের কারণে বিজ্ঞাপন
খাতে হুমকির মুখে পড়তে পারে স্ন্যাপচ্যাটের মতো ছোট প্রতিষ্ঠানগুলো- এমনটাই
মত দিয়েছেন এক অধ্যাপক। ইউনিভার্সিটি অব সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ার
অ্যানেনবার্গ ইনোভেশন ল্যাবের জোনাথন ট্যাপলিন সোমবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম
সিএনবিসিকে বলেন, ‘এই প্রতিষ্ঠানগুলো স্ন্যাপচ্যাটের মতো ভালো অর্থ থাকা
প্রতিষ্ঠানগুলোকেও দমিয়ে দিতে পারে, শুধু তাদের ফিচারগুলো দিয়েই।’ চলতি বছর
শেয়ারবাজারে যাত্রা শুরু করা স্ন্যাপচ্যাট বিজ্ঞাপন থেকে অর্থ আয় করে
থাকে। স্ন্যাপচ্যাটের জনপ্রিয়তা থাকা সত্ত্বেও বাজার বিশ্লেষণী প্রতিষ্ঠান
ইমার্কেটারের পূর্বাভাস অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটি চলতি বছর মার্কিন মোবাইল
বিজ্ঞাপন বাজারের প্রায় ১.৩ শতাংশ তাদের দখলে রাখতে পারবে।
এরই মধ্যে
ফেসবুক প্রতিদ্বন্দ্বী স্ন্যাপচ্যাটের ফিচারগুলো হুবহু নকল করে ফিচার চালু
করেছে। এ ক্ষেত্রে ট্যাপলিনের সমাধান হচ্ছে- গুগলের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোকে
‘উপযোগ’ হিসেবে বিবেচনা করা, যার ফলে এই প্রতিষ্ঠানগুলোর পেটেন্টগুলো
সম্প্রদায়ের অন্যরা ব্যবহার করতে পারে। গুগল তাদের অনেক পণ্য ডেভেলপার আর
ভোক্তাদের জন্য বিনা মূল্যে ছেড়ে দিয়েছে, সেই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি ভোক্তাদের
জন্য অনেক প্রযুক্তি উদ্ভাবনের দাম কমিয়ে দিয়েছে। গুগলের এ আচরণ একচেটিয়া
অর্থনীতিতে সাধারণ নয়, বলা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে। অন্যদিকে ট্যাপলিন বলেন,
‘আপনি এটি বলে তর্ক করতেই পারেন যে গুগল একটি স্বাভাবিক একচেটিয়া
ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান।’
No comments:
Post a Comment