
হাওর এলাকায় ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ত্রাণ তৎপরতা জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ নির্দেশ দেন তিনি। এছাড়া প্লাবিত হাওর এলাকায় সরকারের ত্রাণ কার্যক্রম মিডিয়ায় ফলাও করে প্রচারের ব্যবস্থা নিতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে মন্ত্রিসভা বৈঠকে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসনের যে কর্মকাণ্ড চলছে, সেসব বিষয় প্রচারে নিয়ে আসতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, হাওর এলাকায় ত্রাণ ও পুনর্বাসনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে একটু তৎপর হতে অনুশাসন দেয়া হয়েছে। যা প্রয়োজন পুনর্বাসনের জন্য, জনগণ যাতে সন্তুষ্ট হয় যে, আমাদের জন্য কিছু করা হচ্ছে। ত্রাণ মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে অ্যাকশন প্ল্যান করে ফেলেছে, কাজও করছে। তারপর যেটা করছে সেটা যাতে সবাইকে জানানো হয়। বাঁধ নিয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে আলোচনা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, বাঁধ নিয়ে আলোচনা হয়নি। মানুষ ঠিকভাবে রিলিফ পাচ্ছে কিনা তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ত্রাণ মন্ত্রণালয় সঙ্গে সঙ্গেই স্টেপ নিয়েছে, মানুষ ফিল করছে যে, কিছু কাজ হয়েছে। আলোচনা হয়েছে যে, অনেক কাজ হচ্ছে, এটাকে একটু প্রচারে নিয়ে আসা- এটা প্রধানমন্ত্রীর বার্তা।
এদিকে, বৈঠকে উপস্থিত দুজন সিনিয়র মন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, ধান ও মাছের ক্ষতি সম্পর্কে যেসব তথ্য পত্রিকায় আসছে তা বিভ্রান্তিকর বলে মন্ত্রিসভায় এক অনির্ধারিত আলোচনায় উল্লেখ করা হয়। এতে বলা হয়, ৫০০ টন, ৮০০ টন ও ৯০০ টনসহ বিভিন্ন ধরনের তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে। মাছ মারা যাওয়ার এসব ক্ষয়ক্ষতি কিসের ভিত্তিতে করা হয়েছে তার সঠিকতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। মনে হচ্ছে, এসব তথ্যের কোনো ভিত্তি নেই। বৈঠকে অনির্ধারিত আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, হাওরে বন্যাদুর্গত এলাকায় ত্রাণ দিচ্ছে সরকার। ত্রাণের যেন কোনো ঘাটতি না হয়। দুর্গত মানুষদের মাঝে যেন পর্যাপ্ত ত্রাণ দেয়া হয়।
No comments:
Post a Comment