
‘উন্নয়নের
মহাসাগরে বাংলাদেশ: সময় এখন আমাদের’ শিরোনামের এবারের ২০১৭-১৮ অর্থবছরের
বাজেটে ব্যক্তিশ্রেণি আয়করে কিছুটা ছাড় দেয়ার প্রচেষ্টা থাকছে। একই সঙ্গে
রাজস্ব আদায়ের হার বৃদ্ধিতে উৎসে করের পরিধি সম্প্রসারণে প্রস্তাব করা
হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এ
ছাড়া বিনিয়োগে উৎসাহিত করতে করপোরেট কর হার কমানো হতে পারে। আগামী ১লা জুন
বেলা দেড়টায় অর্থমন্ত্রী বাজেট বক্তৃতায় এসব ঘোষণা দেবেন বলে সূত্র
নিশ্চিত করেছে। তা ছাড়া সামনে জাতীয় নির্বাচন। এটাকে সামনে রেখেই বাজেট
প্রণয়ন হয়েছে বলে সূত্র জানায়।
সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী জানান, আগামী ২৯শে জুন সংসদে বাজেট পাস হবে। এবারের বাজেট চার লাখ কোটি টাকার চেয়ে কিছুটা বেশি হবে। মানব সম্পদে আগের চেয়ে অনেক বেশি জোর দেয়া হচ্ছে ও বরাদ্দ বাড়ানো হচ্ছে। কৃষি খাত আগের মতোই থাকছে।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বাংলাদেশে জনগণের যে হারে আয় বেড়েছে, তার চেয়ে বেশি বেড়েছে জিনিসপত্রের দাম। এ ছাড়া বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের তদারকির অভাব রয়েছে। সেজন্য আয়করে আরো ছাড় দেয়া উচিত বলে মনে করেন তারা।
ব্যক্তিশ্রেণি কর: জানা গেছে, বর্তমানে বাড়ি ভাড়া, যাতায়াত ও চিকিৎসা ভাতা বাদ দিয়ে ব্যক্তিশ্রেণির বার্ষিক করমুক্ত আয়সীমা আড়াই লাখ টাকা। পর পর দু’বছর এ সীমা অপরিবর্তিত রয়েছে। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধিসহ নানা কারণে ব্যবসায়ীসহ সর্বমহল থেকে বার্ষিক করমুক্ত সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়ে আসছে। এ অবস্থায় এবারের বাজেটে আয়করে ছাড় দেয়া হচ্ছে। নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, আসছে বাজেটে ব্যক্তিশ্রেণির বার্ষিক করমুক্ত সীমা বর্তমানের চেয়ে আরো বাড়িয়ে ২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা থেকে ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হতে পারে। প্রস্তাবিত করমুক্ত সীমা কার্যকর হলে একজন ব্যক্তির মাসিক আয় ২৩ হাজার টাকা পর্যন্ত কোনো কর দিতে হবে না। এর বেশি আয় হলে প্রযোজ্য হারে কর দিতে হবে। যদিও ব্যবসায়ীদের দাবি, তিন লাখ টাকা পর্যন্ত করমুক্ত করা হোক।
সূত্র জানায়, করমুক্ত আয়ের সীমা তিন লাখ টাকায় উন্নীত করলে নিয়মিত কর দেন, এমন একটি অংশ করের আওতার বাইরে চলে যাবে। এতে কর আদায় কমে যাবে। সে জন্য বিদ্যমানের চেয়ে আরো ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা ছাড় দেয়া হচ্ছে। আগামী ৫ বছর পর্যন্ত প্রস্তাবিত করমুক্ত আয়ের সীমা অপরিবর্তিত রাখার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। এনবিআর সূত্র জানায়, বর্তমানে করদাতা শনাক্তকরণ নম্বরধারীর (ই-টি আইন) সংখ্যা ২৮ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। গত বছর আয়কর রিটার্ন জমা দেন প্রায় ১৬ লাখ।
উৎসে কর: জানা গেছে, আগামী ২০১৭-১৮ অর্থবছরে সব ক্ষেত্রেই উৎসে কর বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যমান সর্বনিম্ন ১.৫ থেকে ৫ শতাংশ পর্যন্ত থাকা সব খাতের উৎসে করকে ৫ শতাংশে বৃদ্ধি করা হচ্ছে। আয়কর ও ভ্যাট উভয় ক্ষেত্রেই আগাম করের এই ৫ শতাংশ একক হার কার্যকরের প্রস্তাব করা হবে নতুন বাজেটে। এজন্য মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২-এর ৪৯(১) ধারা ও আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪ এবং আয়কর বিধিমালার সংশ্লিষ্ট ধারা সংশোধন করা হচ্ছে। চলতি অর্থবছরে ৫২ খাত থেকে এ কর আদায় করা হচ্ছে। কিন্তু আগামী অর্থবছর তা আরো সমপ্রসারিত করে ৬১টি খাত থেকে এ কর আদায় করা হবে। সব ধরনের উৎপাদক, আমদানিকারক ও সেবা প্রদানকারীর ওপরই উৎসে কর কার্যকর করা হচ্ছে। এর বিরূপ প্রভাবে এসব পণ্য বা সেবার মূল্য বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
‘এক অর্থবছর শেষ হলে পরের অর্থবছরে কর আদায় করা হবে এটাই সাধারণ নিয়ম হলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে অর্থবছর শেষ হওয়ার আগেই আগাম কর প্রদান করতে হয়। আইনের পরিভাষায় একে ‘ট্যাক্স ডিডাকটেড অ্যাট সোর্স’ (টিডিএস) বা ‘উৎসে কর কর্তন’ বলা হয়।’
এনবিআরের একজন কর্মকর্তা জানান, নতুন বছরে ভ্যাট ও কর আদায়ে উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা থাকছে। এর বিরাট অংশ আসবে উৎসে কর থেকে। আয়কর আদায়েও সবচেয়ে বড় খাত হচ্ছে উৎসে কর। মোট আয়করের ৫৭ শতাংশই আসে এ খাত থেকে। নতুন ব্যবস্থায় ভ্যাট ও আয়কর খাতে রাজস্ব আদায় অনেক বেড়ে যাবে। কর ফাঁকি কমে যাবে। সব ক্ষেত্রেই প্রমাণপত্র বাধ্যতামূলক থাকায় স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠিত হবে।
করপোরেট কর: শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত নয়, এমন কোম্পানির জন্য বর্তমানে করপোরেট কর হার ৩৫ শতাংশ। আসন্ন বাজেটে এ স্তরে করপোরেট কর হার ২ শতাংশ কমে ৩৩ শতাংশ নির্ধারণ করা হতে পারে। এনবিআর সূত্র জানায়, বাংলাদেশে বর্তমানে সাতটি স্তরে করপোরেট কর আদায় করা হয়। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৪৫ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ২৫ শতাংশ।
উদ্যোক্তারা মনে করেন, অন্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে করপোরেট কর হার অনেক বেশি। করপোরেট কর কমালে যে পরিমাণ কর সাশ্রয় হবে, তা পুনর্বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করবে। এতে নতুন কর্মসংস্থান হবে। করপোরেট কর হার ৩০ শতাংশ নির্ধারণের দাবি জানিয়ে আসছেন তারা। তাদের দাবির কারণে এবার কমানো হতে পারে এই হার।
ভ্যাটমুক্ত সীমা বাড়ছে: নতুন আইনে ভ্যাটমুক্ত বার্ষিক লেনদেনের সীমা ৩০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়। সূত্র জানায়, শেষ মুহূর্তে এ সীমা আরো বৃদ্ধি করে ৩৫ লাখে উন্নীত করা হতে পারে। নতুন আইনে ৩০ লাখ থেকে ৮০ লাখ টাকা পর্যন্ত বছরে লেনদেন হলে ৩ শতাংশ হারে টার্নওভার কর দেয়ার বিধান করা হচ্ছে। বার্ষিক বিক্রির সীমা ৮০ লাখ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে এক কোটি ১৫ লাখ টাকা করা হচ্ছে এবং টার্নওভার কর নির্ধারণ করা হতে পারে ৩ শতাংশের পরিবর্তে ৪ শতাংশ। আর এক কোটি ১৫ লাখ টাকার বেশি বিক্রি হলে প্রকৃত লেনদেনের ওপর ১৫ শতাংশ হারে ভ্যাট আরোপ করা হতে পারে।
এদিকে নতুন মূল্যসংযোজন কর (ভ্যাট) আইনে নিত্যপ্রয়োজনীয় ও কৃষিজাত পণ্য, চিকিৎসাসেবা, জীবন রক্ষাকারী ওষুধসহ বেশ কিছু পণ্য ও সেবা খাতকে অব্যাহতি দেয়া হচ্ছে।
সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী জানান, আগামী ২৯শে জুন সংসদে বাজেট পাস হবে। এবারের বাজেট চার লাখ কোটি টাকার চেয়ে কিছুটা বেশি হবে। মানব সম্পদে আগের চেয়ে অনেক বেশি জোর দেয়া হচ্ছে ও বরাদ্দ বাড়ানো হচ্ছে। কৃষি খাত আগের মতোই থাকছে।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বাংলাদেশে জনগণের যে হারে আয় বেড়েছে, তার চেয়ে বেশি বেড়েছে জিনিসপত্রের দাম। এ ছাড়া বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের তদারকির অভাব রয়েছে। সেজন্য আয়করে আরো ছাড় দেয়া উচিত বলে মনে করেন তারা।
ব্যক্তিশ্রেণি কর: জানা গেছে, বর্তমানে বাড়ি ভাড়া, যাতায়াত ও চিকিৎসা ভাতা বাদ দিয়ে ব্যক্তিশ্রেণির বার্ষিক করমুক্ত আয়সীমা আড়াই লাখ টাকা। পর পর দু’বছর এ সীমা অপরিবর্তিত রয়েছে। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধিসহ নানা কারণে ব্যবসায়ীসহ সর্বমহল থেকে বার্ষিক করমুক্ত সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়ে আসছে। এ অবস্থায় এবারের বাজেটে আয়করে ছাড় দেয়া হচ্ছে। নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, আসছে বাজেটে ব্যক্তিশ্রেণির বার্ষিক করমুক্ত সীমা বর্তমানের চেয়ে আরো বাড়িয়ে ২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা থেকে ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হতে পারে। প্রস্তাবিত করমুক্ত সীমা কার্যকর হলে একজন ব্যক্তির মাসিক আয় ২৩ হাজার টাকা পর্যন্ত কোনো কর দিতে হবে না। এর বেশি আয় হলে প্রযোজ্য হারে কর দিতে হবে। যদিও ব্যবসায়ীদের দাবি, তিন লাখ টাকা পর্যন্ত করমুক্ত করা হোক।
সূত্র জানায়, করমুক্ত আয়ের সীমা তিন লাখ টাকায় উন্নীত করলে নিয়মিত কর দেন, এমন একটি অংশ করের আওতার বাইরে চলে যাবে। এতে কর আদায় কমে যাবে। সে জন্য বিদ্যমানের চেয়ে আরো ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা ছাড় দেয়া হচ্ছে। আগামী ৫ বছর পর্যন্ত প্রস্তাবিত করমুক্ত আয়ের সীমা অপরিবর্তিত রাখার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। এনবিআর সূত্র জানায়, বর্তমানে করদাতা শনাক্তকরণ নম্বরধারীর (ই-টি আইন) সংখ্যা ২৮ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। গত বছর আয়কর রিটার্ন জমা দেন প্রায় ১৬ লাখ।
উৎসে কর: জানা গেছে, আগামী ২০১৭-১৮ অর্থবছরে সব ক্ষেত্রেই উৎসে কর বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যমান সর্বনিম্ন ১.৫ থেকে ৫ শতাংশ পর্যন্ত থাকা সব খাতের উৎসে করকে ৫ শতাংশে বৃদ্ধি করা হচ্ছে। আয়কর ও ভ্যাট উভয় ক্ষেত্রেই আগাম করের এই ৫ শতাংশ একক হার কার্যকরের প্রস্তাব করা হবে নতুন বাজেটে। এজন্য মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২-এর ৪৯(১) ধারা ও আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪ এবং আয়কর বিধিমালার সংশ্লিষ্ট ধারা সংশোধন করা হচ্ছে। চলতি অর্থবছরে ৫২ খাত থেকে এ কর আদায় করা হচ্ছে। কিন্তু আগামী অর্থবছর তা আরো সমপ্রসারিত করে ৬১টি খাত থেকে এ কর আদায় করা হবে। সব ধরনের উৎপাদক, আমদানিকারক ও সেবা প্রদানকারীর ওপরই উৎসে কর কার্যকর করা হচ্ছে। এর বিরূপ প্রভাবে এসব পণ্য বা সেবার মূল্য বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
‘এক অর্থবছর শেষ হলে পরের অর্থবছরে কর আদায় করা হবে এটাই সাধারণ নিয়ম হলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে অর্থবছর শেষ হওয়ার আগেই আগাম কর প্রদান করতে হয়। আইনের পরিভাষায় একে ‘ট্যাক্স ডিডাকটেড অ্যাট সোর্স’ (টিডিএস) বা ‘উৎসে কর কর্তন’ বলা হয়।’
এনবিআরের একজন কর্মকর্তা জানান, নতুন বছরে ভ্যাট ও কর আদায়ে উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা থাকছে। এর বিরাট অংশ আসবে উৎসে কর থেকে। আয়কর আদায়েও সবচেয়ে বড় খাত হচ্ছে উৎসে কর। মোট আয়করের ৫৭ শতাংশই আসে এ খাত থেকে। নতুন ব্যবস্থায় ভ্যাট ও আয়কর খাতে রাজস্ব আদায় অনেক বেড়ে যাবে। কর ফাঁকি কমে যাবে। সব ক্ষেত্রেই প্রমাণপত্র বাধ্যতামূলক থাকায় স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠিত হবে।
করপোরেট কর: শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত নয়, এমন কোম্পানির জন্য বর্তমানে করপোরেট কর হার ৩৫ শতাংশ। আসন্ন বাজেটে এ স্তরে করপোরেট কর হার ২ শতাংশ কমে ৩৩ শতাংশ নির্ধারণ করা হতে পারে। এনবিআর সূত্র জানায়, বাংলাদেশে বর্তমানে সাতটি স্তরে করপোরেট কর আদায় করা হয়। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৪৫ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ২৫ শতাংশ।
উদ্যোক্তারা মনে করেন, অন্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে করপোরেট কর হার অনেক বেশি। করপোরেট কর কমালে যে পরিমাণ কর সাশ্রয় হবে, তা পুনর্বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করবে। এতে নতুন কর্মসংস্থান হবে। করপোরেট কর হার ৩০ শতাংশ নির্ধারণের দাবি জানিয়ে আসছেন তারা। তাদের দাবির কারণে এবার কমানো হতে পারে এই হার।
ভ্যাটমুক্ত সীমা বাড়ছে: নতুন আইনে ভ্যাটমুক্ত বার্ষিক লেনদেনের সীমা ৩০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়। সূত্র জানায়, শেষ মুহূর্তে এ সীমা আরো বৃদ্ধি করে ৩৫ লাখে উন্নীত করা হতে পারে। নতুন আইনে ৩০ লাখ থেকে ৮০ লাখ টাকা পর্যন্ত বছরে লেনদেন হলে ৩ শতাংশ হারে টার্নওভার কর দেয়ার বিধান করা হচ্ছে। বার্ষিক বিক্রির সীমা ৮০ লাখ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে এক কোটি ১৫ লাখ টাকা করা হচ্ছে এবং টার্নওভার কর নির্ধারণ করা হতে পারে ৩ শতাংশের পরিবর্তে ৪ শতাংশ। আর এক কোটি ১৫ লাখ টাকার বেশি বিক্রি হলে প্রকৃত লেনদেনের ওপর ১৫ শতাংশ হারে ভ্যাট আরোপ করা হতে পারে।
এদিকে নতুন মূল্যসংযোজন কর (ভ্যাট) আইনে নিত্যপ্রয়োজনীয় ও কৃষিজাত পণ্য, চিকিৎসাসেবা, জীবন রক্ষাকারী ওষুধসহ বেশ কিছু পণ্য ও সেবা খাতকে অব্যাহতি দেয়া হচ্ছে।
No comments:
Post a Comment