
আরো
একবার ব্যাট হাতে নিজের দিকে আলো টানলেন তামিম ইকবাল। তবে ইনিংস শেষে
অতৃপ্তি রইলো ভক্তদের। গতকাল অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দলের বাকিদের ঠুনকো
ব্যাটিংয়ের মাঝেও তামিম ছিলেন অবিচল। কিন্তু অল্পের জন্য সেঞ্চুরি মিস করেন
তামিম, ব্যক্তিগত ৯৫ রানে অজি ফাস্টবোলার মিচেল স্টার্ককে হাঁকাতে গিয়ে
উইকেট খোয়ান তামিম। ওয়ানডের শেষ ছয় ইনিংসে চতুর্থবার ৫০+ রানের ইনিংস
খেললেন তামিম ইকবাল । আগের পাঁচ ইনিংসে বাংলাদেশের এ ড্যাশিং ওপেনারের
সংগ্রহ যথাক্রমে ৬৪, ২৩, ৪৭, ৬৫ ও ১২৮ । গত মার্চে শ্রীলঙ্কা সফরে সিরিজের
প্রথম ওয়ানডেতে ১২৭ রানের ইনিংস খেলেন তামিম ইকবাল। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে
‘এ’ গ্রুপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে গতকাল টস জিতে ব্যাটিং বেছে নেন
বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। আর দলীয় ২২ রানে প্রথম উইকেট খোয়ায়
বাংলাদেশ। ১১৪ বলে ইনিংসে তামিম হাঁকান ৬টি চার ও তিনটি ছক্কা। ব্যক্তিগত
এক অঙ্কের রানে সাজঘরে ফেরেন বাংলাদেশের পাঁচ ব্যাটসম্যান। ওপেনার সৌম্য
সরকার ৩, ওয়ানডাউন ব্যাটসম্যান ইমরুল কায়েস ৬ ও চার নম্বরে ব্যাট হাতে
মুশফিকুর রহীম করেন ৯ রান। সাব্বির রহমান ও মাহমুদুল্লাহ উইকেট খোয়ান সমান ৮
রানে।
৩০তম ওভারের শুরুর দুই বলে অজি স্পিনার ট্রাভিস হেডকে জোড়া ছক্কা হাঁকান তামিম ইকবাল। তবে ওই ওভারেই এলবিডব্লিউ’র ফাঁদে জড়ান সাকিব আল হাসান। ব্যক্তিগত ২৯ রানে উইকেট খোয়ান সাকিব। শেষ ছয় ওয়ানডেতে অর্ধশতকবিমুখ রয়েছেন বাংলাদেশের এ বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। আগের পাঁচ ইনিংসে সাকিব অর্ধশতক হাঁকান তিনটি। গত এপ্রিলে শ্রলঙ্কা সফরে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ৫৪ রান করেন সাকিব আল হাসান। তবে নিউজিল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ত্রিদেশীয় সিরিজে ব্যাট হাতে মলিন থাকেন সাকিব। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির উদ্বোধনী ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ব্যক্তিগত ১০ রানে উইকেট খোয়ান সাকিব। ওয়ানডেতে ব্যাট হাতে শেষ ছয় ইনিংসে সাকিব আল হাসানের সংগ্রহ ১৪, ৬, ১৯, ১০ ও ২৯। ত্রিদেশীয় সিরিজে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে বৃষ্টি বিঘ্নিত এক ম্যাচে ব্যাট করেননি সাকিব। অ্যাডাম গিলক্রিস্ট, ম্যাথিউ হেইডেন, রিকি পন্টিং, ডেমিয়েন মার্টিন, মাইক হাসি, সাইমন ক্যাটিচ, গ্লেন ম্যাকগ্রা, জেসন গিলেস্পিদের অজেয় অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ক্রিকেট বিশ্বকে চমকে দিয়েছিল বাংলাদেশ। তার আগে ১৯৯৯ বিশ্বকাপে পাকিস্তান ও ২০০৪ সালে ভারতকে হারানো ছাড়া বড় দল বলতে কেবল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টাইগারদের জয় ছিল চারটি।
টেস্ট খেলুড়ে বাকি ৬ সদস্যের বিপক্ষে টাইগাররা জয়ের স্বাদ নেয় ২০০৫’র কার্ডিফ জয়ের পর। তবে গত একযুগে বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ডকে ৯ বার হারিয়েছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে সাতবার, দক্ষিণ আফ্রিকাকে তিনবার। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এসেছে মোট ৩৯টি জয়। ভারতকেও হারানো গেছে ৫ বার। ২০১৫-তে নিজ মাটিতে পাকিস্তানকে টাইগাররা ডুবিয়েছে ৩-০তে হোয়াইট ওয়াশের লজ্জায় ।
টেস্ট খেলুড়ে ৯ দেশের প্রত্যেকের বিপক্ষে একাধিকবার জয়ের স্বাদ নিয়েছে বাংলাদেশ। শুধু অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জয় বলতে ওই কার্ডিফ। কার্ডিফের সেই ম্যাচের পর আরো ১৩ বার মুখোমুখি হয়েছে দু’দল। টানা ১২ হারের পর বাংলাদেশের স্বস্তিটা ছিল বৃষ্টিতে। ২০১৫ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ-অস্ট্রেরিযার গ্রুপ পর্বের ম্যাচটি ভেসে যায় বৃষ্টিতে। এবারের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলতে নামার আগে পরস্পর ১৮ সাক্ষাতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১৭ বার হারের স্মৃতি টাইগারদের।
৩০তম ওভারের শুরুর দুই বলে অজি স্পিনার ট্রাভিস হেডকে জোড়া ছক্কা হাঁকান তামিম ইকবাল। তবে ওই ওভারেই এলবিডব্লিউ’র ফাঁদে জড়ান সাকিব আল হাসান। ব্যক্তিগত ২৯ রানে উইকেট খোয়ান সাকিব। শেষ ছয় ওয়ানডেতে অর্ধশতকবিমুখ রয়েছেন বাংলাদেশের এ বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। আগের পাঁচ ইনিংসে সাকিব অর্ধশতক হাঁকান তিনটি। গত এপ্রিলে শ্রলঙ্কা সফরে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ৫৪ রান করেন সাকিব আল হাসান। তবে নিউজিল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ত্রিদেশীয় সিরিজে ব্যাট হাতে মলিন থাকেন সাকিব। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির উদ্বোধনী ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ব্যক্তিগত ১০ রানে উইকেট খোয়ান সাকিব। ওয়ানডেতে ব্যাট হাতে শেষ ছয় ইনিংসে সাকিব আল হাসানের সংগ্রহ ১৪, ৬, ১৯, ১০ ও ২৯। ত্রিদেশীয় সিরিজে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে বৃষ্টি বিঘ্নিত এক ম্যাচে ব্যাট করেননি সাকিব। অ্যাডাম গিলক্রিস্ট, ম্যাথিউ হেইডেন, রিকি পন্টিং, ডেমিয়েন মার্টিন, মাইক হাসি, সাইমন ক্যাটিচ, গ্লেন ম্যাকগ্রা, জেসন গিলেস্পিদের অজেয় অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ক্রিকেট বিশ্বকে চমকে দিয়েছিল বাংলাদেশ। তার আগে ১৯৯৯ বিশ্বকাপে পাকিস্তান ও ২০০৪ সালে ভারতকে হারানো ছাড়া বড় দল বলতে কেবল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টাইগারদের জয় ছিল চারটি।
টেস্ট খেলুড়ে বাকি ৬ সদস্যের বিপক্ষে টাইগাররা জয়ের স্বাদ নেয় ২০০৫’র কার্ডিফ জয়ের পর। তবে গত একযুগে বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ডকে ৯ বার হারিয়েছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে সাতবার, দক্ষিণ আফ্রিকাকে তিনবার। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এসেছে মোট ৩৯টি জয়। ভারতকেও হারানো গেছে ৫ বার। ২০১৫-তে নিজ মাটিতে পাকিস্তানকে টাইগাররা ডুবিয়েছে ৩-০তে হোয়াইট ওয়াশের লজ্জায় ।
টেস্ট খেলুড়ে ৯ দেশের প্রত্যেকের বিপক্ষে একাধিকবার জয়ের স্বাদ নিয়েছে বাংলাদেশ। শুধু অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জয় বলতে ওই কার্ডিফ। কার্ডিফের সেই ম্যাচের পর আরো ১৩ বার মুখোমুখি হয়েছে দু’দল। টানা ১২ হারের পর বাংলাদেশের স্বস্তিটা ছিল বৃষ্টিতে। ২০১৫ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ-অস্ট্রেরিযার গ্রুপ পর্বের ম্যাচটি ভেসে যায় বৃষ্টিতে। এবারের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলতে নামার আগে পরস্পর ১৮ সাক্ষাতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১৭ বার হারের স্মৃতি টাইগারদের।
No comments:
Post a Comment