
রাশিয়ার
প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, ‘দেশপ্রেমিক’ রাশিয়ান নাগরিকরা হয়তো
হ্যাকিং-এ জড়িত থাকতে পারেন। তার মতে, এসব ব্যক্তিবিশেষ হয়তো রাশিয়ার
বিরুদ্ধে বাজে কথা লোকগুলোর বিরুদ্ধে ন্যায়সঙ্গত লড়াইয়ে যুক্ত হতে পারেন।
যেমন, অনেক শিল্পীর মতো যারা এঁকে প্রতিবাদে শামিল হন, হ্যাকাররাও শত্রুদের
আক্রমণ করতে তাদের দিন ব্যয় করেন। তিনি এ-ও অস্বীকার করে বলেন, গত বছর
মার্কিন নির্বাচনের সময় হ্যাকের জড়িত ছিল না তার প্রশাসন। এ খবর দিয়েছে
বিবিসি।
পুতিনের ভাষ্য, এসব কর্মকান্ড কখনই সরকারী পর্যায় থেকে করা হয়নি। এছাড়া তিনি আরও বলেন, হ্যাকাররা ভোটারদের মনজগতে খুব পরিবর্তন আনতে পারেনি। উল্লেখ্য, অনেক মার্কিন রাজনীতিক বিশ্বাস করেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করতে চেয়েছিল রাশিয়া।
মার্চে এফবিআই নিশ্চিত করে জানায় যে, রাশিয়ার এই হস্তক্ষেপ নিয়ে তদন্ত চালাচ্ছে তারা। এই তদন্তের লক্ষ্য রাশিয়া ও প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রচার শিবিরের মধ্যে সম্ভ্যাব্য যোগসাজশ পরীক্ষা করা। ট্রাম্প প্রশাসন যেকোন ধরণের যোগসাজশের কথা উড়িয়ে দিয়েছে। তবে এফবিআই’র এ তদন্ত নিয়ে টালমাটাল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে প্রশাসন।
তবে নিজের বক্তব্যে পুতিন বলেছেন, সাইবার হামলা এমনভাবেও চালানো যায় যাতে এর উৎস রাশিয়া বলে মনে হয়।
পুতিনের ভাষ্য, এসব কর্মকান্ড কখনই সরকারী পর্যায় থেকে করা হয়নি। এছাড়া তিনি আরও বলেন, হ্যাকাররা ভোটারদের মনজগতে খুব পরিবর্তন আনতে পারেনি। উল্লেখ্য, অনেক মার্কিন রাজনীতিক বিশ্বাস করেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করতে চেয়েছিল রাশিয়া।
মার্চে এফবিআই নিশ্চিত করে জানায় যে, রাশিয়ার এই হস্তক্ষেপ নিয়ে তদন্ত চালাচ্ছে তারা। এই তদন্তের লক্ষ্য রাশিয়া ও প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রচার শিবিরের মধ্যে সম্ভ্যাব্য যোগসাজশ পরীক্ষা করা। ট্রাম্প প্রশাসন যেকোন ধরণের যোগসাজশের কথা উড়িয়ে দিয়েছে। তবে এফবিআই’র এ তদন্ত নিয়ে টালমাটাল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে প্রশাসন।
তবে নিজের বক্তব্যে পুতিন বলেছেন, সাইবার হামলা এমনভাবেও চালানো যায় যাতে এর উৎস রাশিয়া বলে মনে হয়।
No comments:
Post a Comment