
সাবেক
এক জেনারেলসহ ৪০ আসামিকে মানবপাচার মামলায় দোষী সাব্যস্ত করেছে
থাইল্যান্ডের একটি আদালত। রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি অভিবাসী পাচার চক্রে এদের
জড়িত থাকার বিষয়টি গতকালের শুনানিতে উঠে আসে। মামলায় অভিযুক্ত শতাধিক
আসামির বিরুদ্ধে পাচার, অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি ও হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।
দোষী সাব্যস্ত হওয়া সব থেকে হাইপ্রোফাইল আসামির মধ্যে রয়েছেন থাই
সেনাবাহিনীর সাবেক লে. জেনারেল মানাস কোংপান। তাদের বিরুদ্ধে থাই-মালয়েশিয়া
সীমান্তে শরণার্থী ও অভিবাসী পাচারের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এ খবর দিয়েছে
বিবিসি ও আল জাজিরা। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আদালতের শুনানি চলছিল। গতকাল
দিন শেষ হতে হতে আরো আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত রায় ঘোষণা হবে বলে
আশা করা হচ্ছিল। মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে আরো রয়েছেন, মিয়ানমারের একাধিক
নাগরিক, থাই পুলিশ কর্মকর্তা এবং স্থানীয় রাজনীতিকরা। ২০১৫ সালে দক্ষিণ
থাইল্যান্ডের জঙ্গল থেকে একাধিক গণকবরের খোঁজ মেলে। সেখান থেকে ৩৬ জনের
মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপরই পাচারকারী চক্র ছত্রভঙ্গ করে দেয়ার প্রচেষ্টায়
শুরু হয় ধরপাকড়। জানা যায় এর নেপথ্যে রয়েছে শক্তিশালী এক চক্রের হাত। তারা
মিয়ানমার থেকে দমন-পীড়ন থেকে বাঁচার উদ্দেশ্যে পালানো রোহিঙ্গা মুসলিম
শরণার্থী এবং বাংলাদেশ থেকে উন্নত জীবনের প্রত্যাশায় বিদেশে পাড়ি দেয়ার
স্বপ্নে বিভোর অভিবাসীদের পাচার করে আসছিল। তাদের নিয়ে গহিন জঙ্গলে আটকে
রাখা হয়। আদায় করা হয় মুক্তিপণ। এরপর তাদের মালয়েশিয়া পাচার করা হয়। অনেকেই
পাচারকারীদের হাত থেকে বেঁচে আসতে পারেন নি। তাদের কপালে জুটেছে নির্মম
মৃত্যু।
থাইল্যান্ড এখনো উদ্ধারকৃত গণকবরগুলো নিয়ে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট এবং ময়নাতদন্তের ফল প্রকাশ করে নি। মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, ২০১৫ সালে থাইল্যান্ডে পাচারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান ও বিচার সত্ত্বেও পাচার নেটওয়ার্ক বহুলাংশে সচলই রয়েছে। ওই বছর মে মাসে অভিযান শুরু করেছিল থাইল্যান্ডের সামরিক জান্তা। এরপর আরেকটি ভয়াবহ সংকটের অবতারণা হয়েছিল। পাচারকারীরা কার্গোভর্তি শরণার্থীদের সমুদ্রের মাঝে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। শরণার্থীদের নৌকাগুলো থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার মাঝখানে সমুদ্রের মধ্যে আটকে পড়ে। সেখানে কয়েক শ’ শরণার্থী ও অভিবাসনপ্রত্যাশী ক্ষুধায় ও ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা যায়।
থাই অভিযানে উঠে আসে বিরাট এই চক্রে সেনা, পুলিশসহ জড়িত রয়েছে স্থানীয় রাজনীতিবিদ ও মাফিয়ারা। ব্যাংকক ক্রিমিনাল কোর্টে আজ গণরায় দেন বিচারকরা। অভিযুক্তদের সংখ্যা ছিল মোট ১০৩ জন। এদের মধ্যে একজন রিমান্ডে থাকা অবস্থায় মারা যায়। আসামিদের মধ্যে আনীত অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে মানবপাচার, মুক্তিপণ আদায় ও হত্যা। আসামিরা আনীত অভিযোগ অস্বীকার করেছে। এদিন, আদালতে গণমাধ্যমকে প্রবেশ করতে দেয়া হয় নি। তাদেরকে শুনানির অডিও সম্প্রচারের ওপর নির্ভর করতে হয়েছে।
গতকালের শুনানিতে দোষী সাব্যস্ত হওয়া জেনারেল মানাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল ২০১৫ সালের জুন মাসে। দোষী সাব্যস্ত হওয়া তিনি ও অপর অভিযুক্তদের এখনো দণ্ড ঘোষণা করেনি আদালত। সংবাদকর্মীরা বলছেন, সেনাশাসন চলা থাইল্যান্ডে মানাসই সামরিক বাহিনীর প্রথম সদস্য যাকে মানবপাচার মামলায় দোষী সাব্যস্ত করেছে আদালত।
থাইল্যান্ড এখনো উদ্ধারকৃত গণকবরগুলো নিয়ে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট এবং ময়নাতদন্তের ফল প্রকাশ করে নি। মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, ২০১৫ সালে থাইল্যান্ডে পাচারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান ও বিচার সত্ত্বেও পাচার নেটওয়ার্ক বহুলাংশে সচলই রয়েছে। ওই বছর মে মাসে অভিযান শুরু করেছিল থাইল্যান্ডের সামরিক জান্তা। এরপর আরেকটি ভয়াবহ সংকটের অবতারণা হয়েছিল। পাচারকারীরা কার্গোভর্তি শরণার্থীদের সমুদ্রের মাঝে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। শরণার্থীদের নৌকাগুলো থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার মাঝখানে সমুদ্রের মধ্যে আটকে পড়ে। সেখানে কয়েক শ’ শরণার্থী ও অভিবাসনপ্রত্যাশী ক্ষুধায় ও ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা যায়।
থাই অভিযানে উঠে আসে বিরাট এই চক্রে সেনা, পুলিশসহ জড়িত রয়েছে স্থানীয় রাজনীতিবিদ ও মাফিয়ারা। ব্যাংকক ক্রিমিনাল কোর্টে আজ গণরায় দেন বিচারকরা। অভিযুক্তদের সংখ্যা ছিল মোট ১০৩ জন। এদের মধ্যে একজন রিমান্ডে থাকা অবস্থায় মারা যায়। আসামিদের মধ্যে আনীত অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে মানবপাচার, মুক্তিপণ আদায় ও হত্যা। আসামিরা আনীত অভিযোগ অস্বীকার করেছে। এদিন, আদালতে গণমাধ্যমকে প্রবেশ করতে দেয়া হয় নি। তাদেরকে শুনানির অডিও সম্প্রচারের ওপর নির্ভর করতে হয়েছে।
গতকালের শুনানিতে দোষী সাব্যস্ত হওয়া জেনারেল মানাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল ২০১৫ সালের জুন মাসে। দোষী সাব্যস্ত হওয়া তিনি ও অপর অভিযুক্তদের এখনো দণ্ড ঘোষণা করেনি আদালত। সংবাদকর্মীরা বলছেন, সেনাশাসন চলা থাইল্যান্ডে মানাসই সামরিক বাহিনীর প্রথম সদস্য যাকে মানবপাচার মামলায় দোষী সাব্যস্ত করেছে আদালত।
No comments:
Post a Comment