নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ
কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী কেন্দ্রীয় আ’লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ উপ- কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের উপ-কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা ধলঘাটা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নুরুল হক এর সুযোগ্য কন্যা প্রকৌশলী ইসমত আরা ইসমু আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গতকাল বৃহস্পতিবার দিন ব্যাপী কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার প্রবেশদ্বার চালিয়াতলী থেকে প্রচারনা শুরু করে উত্তর নলবিলা, বড়–য়া বাজার, ইউনুছখালী বাজার, ঝাপুয়া বাজার, চিকনী পাড়া ও কালারমারছড়া বাজার প্রর্যন্ত ব্যাপক গণসংযোগ করেন। এ সময় কালারমারছড়া বাজার প্রঙ্গণে জনতার উদ্দেশে বক্তব্যে তিনি বলেন, আমি আপনাদের মেয়ে, যদি জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী আমাকে এ আসনে মনোনয়ন দেন তাহলে মহেশখালী কুতুবদিয়ায় আমাকে সংসদ সদস্য হিসাবে নির্বাচিত করলে মহেশখালী কুতুবদিয়ার সাধারণ জনগনের মান উন্নয়নের কাজ করে যাব। আমার পিতা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, তিনি ধলঘাটা ইউনিয়নে জনগনের সেবক হিসাবে দীর্ঘ দিন অত্র এলাকায় কাজ করে গেছেন। আমি তার যোগ্য কন্যা হিসাবে কিভাবে মানুষের ভালবাসা নিয়ে এলাকার উন্নয়ন করতে হবে সেই মানষীকতা নিয়ে আমার পথ চলা। তিনি আরো বলেন, অবহেলিত মহেশখালী-কুতুবদিয়ার উন্নয়নের জন্য আপনারা আমাকে একবার সুযোগ দেন, আমি আপনাদের সেবক হিসাবে কাজ করে যাব। এসময় এ নেতার আসার খবরে এলাকায় হাজারো অধিক স্থানীয় আওয়ামীলীগ, ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীসহ জনতার ঢল নামে। কালারমারছড়া ইউনিয়নে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিভিন্ন স্কুল, মাদ্রাসা সহ বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে সাধারন জনগন ও দলীয় নেতা কর্মীদের সাথে কৌশল বিনিময় করেন। তিনি উন্নয়নের কথা তুলে ধরে যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের আস্বস্ত করে বিভিন্ন পেশার লোকজনের সাথে মতবিনিময় করে সৌজন্য স্বাক্ষাত করেন। এসময় তিনি তার নিজস্ব তহবিল থেকে গরীবদের আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেন। সরেজমিন গিয়ে জানা গেছে, এখন ইসমু সরাসরি নির্বাচনি মাঠে চলে আসায় মহেশখালী-কুতুবদিয়া মনোনয়ন দৌড়ে মোটামুটি শক্ত অবস্থানে রয়েছে। তিনি বর্তমানে তার নির্বাচনী এলাকায় শোডাউন ও মিটিং করে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছেন। দলীয় হাইকমান্ড পর্যন্ত লবিং শুরু করেছেন বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে। এদিকে তার রাজনীতিতে আসা কোনো বিস্ময়কর ঘটনা ছিল না, তবে এটা অনেকটা বিস্ময়ে ভরা হঠাৎ অনেক সিনিয়রদের ভীড়ে, নিজের যোগ্যতায় আ’লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে। এদিকে গেল ঈদুল আযহার সময় ঈদ শুভেচ্ছা সম্বলিত পোষ্টার দিয়ে মহেশখালী-কুতুবদিয়াবাসীকে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী বলে তাক লাগিয়ে দিয়ে আলোচনায় চলে আসেন কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের উপ-কমিটির সাবেক-সহ সম্পাদক প্রকৌশলী ইসমত আরা ইসমু। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ইসমু’র কর্মী সমর্থকদের তুমুল প্রচারণায় অনেকটা হৈ চৈ পড়ে গেছে এমন কথার উদয় হল মহেশখালী-কুতুবদিয়া নির্বাচনী এলাকায়। ইসমত আরা ইসমু নির্বাচনী মাঠে চলে আসার খবরে এখন দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশি অনেকে তাকে বড় ফ্যাক্টর মনে করছেন বলে ধারণা করছেন রাজনৈতিকবোদ্ধরা। অপরদিকে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ইসমত আরা ইসমু ১/১১ থেকে শুর করে প্রধানমন্ত্রীর ঢাকার রাজ পথে সকল আন্দোলন সংগ্রামে লড়াকু সৈনিকের ভূমিকা পালন করেন বলে নেতাকর্মীদের মাঝে জনশ্রুতি আছে। তিনি আওয়ামীলীগের শীর্ষ কয়েকজন মন্ত্রীর খুব আস্থাভাজন হিসাবে পরিচিত। ঢাকা’র স্থায়ী হিসাবে দলীয় প্রধান জননেত্রী শেখ হাসিনার সাক্ষাত পান এবং তিনি প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গীও হন প্রায় সময়। তিনি সরাসরি দলীয় প্রধানের কাছে মনোনয়নের জন্য লবিং করছেন বলেও শোনা গেছে। এ সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু জাতীয় চার নেতা পরিষদের সাবেক সিনিয়র স্বাস্থ্য ৃবিষয়ক সম্পাদক ফোরকান উদ্দিন ফোরকান, মাস্টার হুমায়ুন কবির, বোধিমিত্র বড়–য়া সুমেশ, জহিরসহ স্থানীয় দলীয় নেতা কর্মীরা।
কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী কেন্দ্রীয় আ’লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ উপ- কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের উপ-কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা ধলঘাটা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নুরুল হক এর সুযোগ্য কন্যা প্রকৌশলী ইসমত আরা ইসমু আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গতকাল বৃহস্পতিবার দিন ব্যাপী কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার প্রবেশদ্বার চালিয়াতলী থেকে প্রচারনা শুরু করে উত্তর নলবিলা, বড়–য়া বাজার, ইউনুছখালী বাজার, ঝাপুয়া বাজার, চিকনী পাড়া ও কালারমারছড়া বাজার প্রর্যন্ত ব্যাপক গণসংযোগ করেন। এ সময় কালারমারছড়া বাজার প্রঙ্গণে জনতার উদ্দেশে বক্তব্যে তিনি বলেন, আমি আপনাদের মেয়ে, যদি জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী আমাকে এ আসনে মনোনয়ন দেন তাহলে মহেশখালী কুতুবদিয়ায় আমাকে সংসদ সদস্য হিসাবে নির্বাচিত করলে মহেশখালী কুতুবদিয়ার সাধারণ জনগনের মান উন্নয়নের কাজ করে যাব। আমার পিতা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, তিনি ধলঘাটা ইউনিয়নে জনগনের সেবক হিসাবে দীর্ঘ দিন অত্র এলাকায় কাজ করে গেছেন। আমি তার যোগ্য কন্যা হিসাবে কিভাবে মানুষের ভালবাসা নিয়ে এলাকার উন্নয়ন করতে হবে সেই মানষীকতা নিয়ে আমার পথ চলা। তিনি আরো বলেন, অবহেলিত মহেশখালী-কুতুবদিয়ার উন্নয়নের জন্য আপনারা আমাকে একবার সুযোগ দেন, আমি আপনাদের সেবক হিসাবে কাজ করে যাব। এসময় এ নেতার আসার খবরে এলাকায় হাজারো অধিক স্থানীয় আওয়ামীলীগ, ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীসহ জনতার ঢল নামে। কালারমারছড়া ইউনিয়নে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিভিন্ন স্কুল, মাদ্রাসা সহ বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে সাধারন জনগন ও দলীয় নেতা কর্মীদের সাথে কৌশল বিনিময় করেন। তিনি উন্নয়নের কথা তুলে ধরে যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের আস্বস্ত করে বিভিন্ন পেশার লোকজনের সাথে মতবিনিময় করে সৌজন্য স্বাক্ষাত করেন। এসময় তিনি তার নিজস্ব তহবিল থেকে গরীবদের আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেন। সরেজমিন গিয়ে জানা গেছে, এখন ইসমু সরাসরি নির্বাচনি মাঠে চলে আসায় মহেশখালী-কুতুবদিয়া মনোনয়ন দৌড়ে মোটামুটি শক্ত অবস্থানে রয়েছে। তিনি বর্তমানে তার নির্বাচনী এলাকায় শোডাউন ও মিটিং করে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছেন। দলীয় হাইকমান্ড পর্যন্ত লবিং শুরু করেছেন বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে। এদিকে তার রাজনীতিতে আসা কোনো বিস্ময়কর ঘটনা ছিল না, তবে এটা অনেকটা বিস্ময়ে ভরা হঠাৎ অনেক সিনিয়রদের ভীড়ে, নিজের যোগ্যতায় আ’লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে। এদিকে গেল ঈদুল আযহার সময় ঈদ শুভেচ্ছা সম্বলিত পোষ্টার দিয়ে মহেশখালী-কুতুবদিয়াবাসীকে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী বলে তাক লাগিয়ে দিয়ে আলোচনায় চলে আসেন কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের উপ-কমিটির সাবেক-সহ সম্পাদক প্রকৌশলী ইসমত আরা ইসমু। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ইসমু’র কর্মী সমর্থকদের তুমুল প্রচারণায় অনেকটা হৈ চৈ পড়ে গেছে এমন কথার উদয় হল মহেশখালী-কুতুবদিয়া নির্বাচনী এলাকায়। ইসমত আরা ইসমু নির্বাচনী মাঠে চলে আসার খবরে এখন দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশি অনেকে তাকে বড় ফ্যাক্টর মনে করছেন বলে ধারণা করছেন রাজনৈতিকবোদ্ধরা। অপরদিকে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ইসমত আরা ইসমু ১/১১ থেকে শুর করে প্রধানমন্ত্রীর ঢাকার রাজ পথে সকল আন্দোলন সংগ্রামে লড়াকু সৈনিকের ভূমিকা পালন করেন বলে নেতাকর্মীদের মাঝে জনশ্রুতি আছে। তিনি আওয়ামীলীগের শীর্ষ কয়েকজন মন্ত্রীর খুব আস্থাভাজন হিসাবে পরিচিত। ঢাকা’র স্থায়ী হিসাবে দলীয় প্রধান জননেত্রী শেখ হাসিনার সাক্ষাত পান এবং তিনি প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গীও হন প্রায় সময়। তিনি সরাসরি দলীয় প্রধানের কাছে মনোনয়নের জন্য লবিং করছেন বলেও শোনা গেছে। এ সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু জাতীয় চার নেতা পরিষদের সাবেক সিনিয়র স্বাস্থ্য ৃবিষয়ক সম্পাদক ফোরকান উদ্দিন ফোরকান, মাস্টার হুমায়ুন কবির, বোধিমিত্র বড়–য়া সুমেশ, জহিরসহ স্থানীয় দলীয় নেতা কর্মীরা।

No comments:
Post a Comment