Saturday, December 9, 2017

নানা অপরাধে জড়িত হচ্ছে রোহিঙ্গারা


নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ
ইয়াবা পাচারের পাশাপাশি ঈদকে সামনে রেখে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ বাড়ছে। কক্সবাজারের  টেকনাফ সীমান্ত পথে আসা এসব রোহিঙ্গাদের একটি বড় অংশ চট্টগ্রামের পাহাড়ী এলাকায় বসতি গড়েছে। এতে এসব এলাকায় আইনশৃঙ্খলা ও সামাজিক ভারসাম্য যেমন বিনষ্ট হচ্ছে তেমনি বিপথগামী হচ্ছে যুবকরা। এক সময় ঈদ এলে বাড়তি আয়ের আশায় চট্টগ্রামে ভীড় করতো দরিদ্র রোহিঙ্গারা। তবে এখন শুধু আর যাকাতের জন্য নয় মিয়ানমার থেকে কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে  চট্টগ্রামে আসার সময় রোহিঙ্গারা সাথে নিয়ে আসছে ইয়াবা। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে শেরশাহ, রউফাবাদসহ  নগরীর পাহাড়ী এলাকায় আস্তানা  করে রোহিঙ্গারা এলাকায় শান্তি নষ্টের পাশাপাশি যুবকদের ঠেলে দিচ্ছে মাদকের দিকে। এমনকি অনেকে ভোটার তালিকায় নাম তুলে বনে গেছে বাংলাদেশের নাগরিকও। স্থানীয়দের একজন বলেন, ‘সামাজিকভাবে প্রভাব পড়েছে, আমাদের চলার ওপর প্রভাব পড়েছে, আমরা যখন প্রশাসনের কথা অনুযায়ী তাদের চলে যেতে বলি তখন তারা বেপরোয়া হয়ে আক্রমণের চেষ্টা করে।’ এদিকে ঈদ উপলক্ষ্যে চট্টগ্রামে আসা রোহিঙ্গারা ছড়িয়ে  আছে নগরীর কাজীর দেউড়ি, স্টেশন রোড ,চকবাজার ও বহদ্দারহাট এলাকায়। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোর মতে, পুলিশ প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় রোহিঙ্গাদের অবাধ বিচরণ এবং অপরাধ কার্যক্রমে সম্পৃক্ততা বাড়ছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.নিকারুজ্জামান বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের শান্তি শৃঙ্খলা স্থাপনা করার জন্য আমরা অনেকগুলো পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করবো, এই প্রক্রিয়া ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে। উন্নয়ন ও মানবাধিকার কর্মী আসিফ মুনীর বলেন, আমাদের দেশের আইনকানুন বা কোনটা করা যাবে বা যাবে না, তাদেরকে কিছুটা শেখানো দরকার যে কীভাবে থাকলে তা সহনশীল হয়। এদিকে রোহিঙ্গাদের অপরাধ কাযর্ক্রমে জড়িয়ে পড়ার বিষয়টি স্বীকার করে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। সংশ্লিষ্টদের মতে, রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ ঠেকানো না গেলে তা এক সময় তা দেশের জন্য বিষফোড়া হয়ে দাঁড়াবে।

No comments:

Post a Comment