
দুই
মেয়েকে স্কুলে ভর্তি করানোর জন্য লক্ষ্মীপুর থেকে চট্টগ্রাম শহরে
এসেছিলেন এলজিইডির উপসহকারী প্রকৌশলী সত্যব্রত ভট্টচার্য। স্কুল থেকে ভর্তি
ফরম নিয়ে তা পূরণ করে রেখেছিলেন পকেটেই। কিন্তু মেজবান খেতে গিয়ে পদদলিত
হয়ে মারা যান তিনিও। রীমা ট্র্যাজেডিতে’ নিহত সত্যব্রত ভট্টচার্যসহ ১০ জনের
পরিবারের সব স্বপ্নই যেন সোমবার মধ্যরাতে চিতার আগুনে ভস্ম হয়ে গেছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে লাশ হস্তান্তরের পর নিহতদের লাশ নগরীর বলুয়ার দিঘির
শ্মশানে সৎকার করা হয়েছে। প্রকৌশলী সত্যব্রত ভট্টাচার্য এলজিইডির উপসহকারী
প্রকৌশলী হিসেবে লক্ষ্মীপুরে কর্মরত ছিলেন। দুই মেয়েকে স্কুলে ভর্তির
উদ্দেশে চট্টগ্রামে এসেছিলেন তিনি।
তার বড় মেয়ে প্রযুক্তি স্তুতি
ভট্টাচার্যকে পঞ্চম শ্রেণিতে এবং ছোট মেয়ে প্রজন্ম শ্লোক ভট্টাচার্য
নার্সারিতে ভর্তি হওয়ার কথা ছিল। জামালখান লেন সিটি করপোরেশন
কিন্ডারগার্টেন স্কুল থেকে ফরম নিয়ে তা পূরণও করেছিলেন। নিহতের পরিবার
জানায়, ওই দুই শিশুকন্যার স্কুল ভর্তি ফরম পকেটে নিয়ে সোমবার নগরীর
আসকারদিঘি পাড় শতদল ক্লাবের পাশের বাসা থেকে বের হয়েছিলেন তিনি। পথিমধ্যে
দেখা হওয়া বন্ধুদের মন রক্ষায় রীমা কনভেনশন সেন্টারে যান। পদদলিত হয়ে মারা
যান তিনি। সত্যব্রতের স্কুলপড়ুয়া দুই শিশুকন্যা বাবাকে হারিয়ে এখন
বাকরুদ্ধ। সন্তানদের কোনো সান্ত্বনাই দিতে পারছেন না সত্যব্রতের স্ত্রী।
No comments:
Post a Comment