
দেশের
রাজনৈতিক পরিবেশ, আগামী নির্বাচনে বিএনপি ও সরকারের ভূমিকা এবং একটি
সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের বিষয়ে তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী বিনালি
ইলদিরিমের সঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আলোচনা হয়েছে। মঙ্গলবার
সন্ধ্যায় খালেদা জিয়ার সঙ্গে তুরস্কের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের পর দলের
মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ সব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন,
বাংলাদেশের রাজনীতি কেমন চলছে, আসন্ন নির্বাচনের কী অবস্থা দাঁড়াবে, সেই
নির্বাচনে আমাদের ভূমিকা কী থাকবে, সরকারের ভূমিকা কেমন আছে এবং দেশ কেমন
চলছে- এসব নিয়ে তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের
জন্য সরকার কী ভূমিকা পালন করছে সেই বিষয়টি আলোচনায় স্থান পায়। দেশে
অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হবে- এমনটাই প্রত্যাশা তুরস্কের। এক প্রশ্নের জবাবে
তিনি বলেন, নির্বাচনের বিষয়ে আমরা আমাদের বক্তব্য বলেছি, তারা তাদের মতামত
দিয়েছেন। জেরুজালেম ও ইসরাইল ইস্যুতে মির্জা ফখরুল জানান, তুরস্ক
ফিলিস্তিনের পক্ষে রয়েছে বলে জানিয়েছে।
খালেদা জিয়ার সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান
বৈঠক হয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, তুরস্কের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ৪৫ মিনিটের
বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হোটেল সোনারগাঁওয়ে বিএনপি
চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী বিনালি ইলদিরিমের
প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা বৈঠক হয়। বৈঠকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়াও
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চেৌধুরী,
চেয়ারপারসনের উপদষ্টো সাবিহ উদ্দিন আহমেদ, এনামুল হক চৌধুরী উপস্থিত
ছিলেন। বৈঠকের পর সাংবাদিকদের ফখরুল আরও বলেন, রোহিঙ্গা ইসু্যতে যে
সমস্যার উদ্ভব হয়েছে, তা সরেজমিন দেখার জন্য ও রোহিঙ্গাদের কিভাবে তাদের
দেশে সসম্মানে, নিরাপত্তার সঙ্গে ফেরত নেয়া যায়, তার জন্য বাংলাদেশ সরকারের
সঙ্গে কথা বলতে তারা এখানে এসেছেন। তুরস্ক সরকার ও তাদের জনগণ
রোহিঙ্গাদের প্রতি অত্যন্ত সহানুভূতিশীল। সেজন্য তারা প্রথম থেকে কাজ
করছেন। তারা মনে করেন, রোহিঙ্গাদের তাদের দেশে নিজ বাসভূমিতে ফিরিয়ে নিয়ে
যেতে হবে এবং পুরোপুরিভাবে একটি স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন। এ জন্য অন্যান্য
দেশ ও বিশ্ব সংস্থাগুলোর সঙ্গে তারা যোগাযোগ রক্ষা করছেন।
No comments:
Post a Comment