Wednesday, December 20, 2017

দুঃখী ও দরিদ্রের পাশে থেকে কাজ করতে চাই

সাবেক মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী এবং জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি বলেছেন, দোহার-নবাবগঞ্জের দুঃখী ও দরিদ্র মানুষের পাশে থেকে কাজ করতে চাই। যাতে উন্নয়নের ধারা প্রবাহমান থাকে সে চেষ্টাই থাকবে। সুখেদুঃখে জনগণের পাশে দাঁড়াতে চাই। এ শীতে অনেক অসহায় ও গরিব মানুষের গায়ে জামাকাপড় নেই। আমাদের উচিত তাদের কষ্ট লাঘবে সহায়তা করা। মঙ্গলবার ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার আগলা, চুড়াইন, গালিমপুর, বাহ্রা ও বক্সনগর ইউনিয়নের দরিদ্র অসহায় শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণের সময় এসব কথা বলেন সালমা ইসলাম এমপি। তিনি আরো বলেন, দোহার নবাবগঞ্জের অসহায়, দরিদ্র মানুষ শীতের কষ্ট থেকে যাতে পরিত্রাণ পায় সে জন্য আমার এ উদ্যোগ। তাই আসুন, দলমত নির্বিশেষে আমরা দরিদ্র ও শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াই। সাবেক প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ অঞ্চলের মানুষের কল্যাণে কাজ করার ইচ্ছা নিয়ে আমি রাজনীতিতে এসেছি। আমার জীবনের চাওয়া পাওয়ার কিছু নেই। আপনারা আমাকে ভোট দিয়ে এমপি বানিয়েছেন। এটাই আমার পরম পাওয়া। আমি দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলার অসমাপ্ত উন্নয়ন কাজ সমাপ্ত করতে আপনাদের সহযোগীতা চাই। আমার মা বোনেরা, আপনারাও আমার মতো নারী। তাই সব সমস্যায় আমি আছি, থাকব। নিরাপদ নাগরিক জীবন গড়তে আমি সচষ্টে। বিগত যে কোনো আমলের চেয়ে দোহার নবাবগঞ্জের মানুষ এখন স্বস্তিতে আছেন।
আমি চাই আপনারা আগামী দিনে সুখে শান্তিতে থাকবেন। আমার অফিস আপনাদের জন্য উম্মুক্ত থাকবে। যে কোনো প্রয়োজনে আপনারা আমার কাছে আসবেন। সংসদ সদস্য সালমা ইসলাম তার নিজস্ব অর্থায়নে প্রতিটি ইউনিয়নে প্রায় ১ হাজার করে কম্বল বিতরণ করেন। মঙ্গলবার সকাল থেকে তিনি কম্বল বিতরণ কর্মসূচি শুরু করেন। আরো ৪দিন তিনি দোহার নবাবগঞ্জের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছিন্নমূল মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করবেন। কয়েক দিনের প্রচণ্ড শীতে দুস্থ পরিবারগুলো কম্বল পেয়ে অনেকটাই খুশি হয়েছেন। অনেকেই দু'হাত তুলে দোয়া করেন সংসদ সদস্য সালমা ইসলামের জন্য। আগলা ইউপি চত্বরে কম্বল হাতে শুকুরজান বিবি (৬৫) বলেন, মা সালমা আমাগো সব সময় কাপড় ও কম্বল দেয়। 'আল্লা যেন ওনারে ভালো রাহে'। উপস্থিত ছিলেন আগলা ইউপি চেয়ারম্যান আবেদ হোসেন, চুড়াইনের আব্দুল জলিল বেপারি, গালিমপুরের তপন মোল্লা, ঢাকা জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জুয়েল আহমেদ, উপজেলা সাবেক সভাপতি হুমায়ন কবির, মুক্তিযোদ্ধা মোশারফ হোসেন দিলু, মোশারফ হোসেন খান, আব্দুল বাসেত, আবুল হোসেন মোড়ল, উপজেলা জাতীয় পার্টি যুগ্ন আহবায়ক খলিলুর রহমান, কফিল উদ্দিন, এম এ মজিদ, একে এম আব্দুল হালিম, মান্নান মাস্টার, শাজাহান, মুরাদ মিয়া, আনোয়ার হোসেন মোড়ল, রেশমী হোসেন আজাদ, আসমা আক্তার রুমি, যুবসংহতির নেতা নাজিম আহমেদ, এসএম মোস্তারীম মিথুন, বোরহান হোসেন, ফয়সাল আহমেদ, শ্রীকৃষ্ণ সাহা, ছাত্রসমাজের ইফতিয়াজ মাসুদ, ইমরান হোসেনসহ ইউনিয়ন জাতীয় পার্টি, যুবসংহতি, ছাত্র সমাজ, স্বেচ্ছাসেবক পার্টি ও মহিলা পার্টির নেতৃবৃন্দ।

No comments:

Post a Comment