
রাখাইন
রাজ্যে রোহিঙ্গাদের বর্বর নিধনযজ্ঞে জড়িত অন্তত একজনকে শনাক্ত করেছে
যুক্তরাষ্ট্র। তার ওপর অচিরেই নিষেধাজ্ঞা আসছে। শুক্রবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা
পরিষদের এক বৈঠকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন এ কথা
জানিয়েছেন। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের ওপর অভিযানের জন্য দায়ী অন্তত একজন
ব্যক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এখনই ওই
ব্যক্তির পরিচয় জানাননি তিনি। এছাড়া আর কোন কোন ব্যক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা
আরোপ করা যায় সেটিও খতিয়ে দেখছে দেশটি। গত মাসে রোহিঙ্গাদের ওপর সহিংসতাকে
জাতিগত নিধন বলে ঘোষণা করেন তিনি। খবর রয়টার্সের। তবে মার্কিন কিছু
কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ট্রাম্প প্রশাসন চাচ্ছে সীমিত পরিসরে নিষেধাজ্ঞা আরোপ
করতে।
তাদের মতে, মিয়ানমার সেনাবাহিনীকে টার্গেট করে এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ
করার প্রস্তুতি চলছে এবং চলতি বছরের শেষের দিকেই এই পদক্ষেপ কার্যকর হতে
পারে। তারা আরও বলেছেন, মিয়ানমার সরকারের ওপর রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টির
উদ্দেশ্যে এই নিষেধাজ্ঞার চিন্তা করা হলেও দেশটির শক্তিশালী সেনাবাহিনীর
সর্বোচ্চ স্তর পর্যন্ত প্রভাব পড়বে না। কয়েক দশকের সামরিক শাসনের পর
গণতন্ত্রের দিকে ফিরে আসার মিয়ানমারের প্রতিশ্রুতির পুরস্কার হিসেবে ২০১২
সাল থেকে দেশটির ওপর আগে থেকে আরোপিত অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা
উঠিয়ে নিতে শুরু করে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্রশাসন।
মিয়ানমারের বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ওপর পুনরায় ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা আরোপের
বিষয়টি মার্কিন নীতিতে না থাকলেও রোহিঙ্গাদের ওপর সহিংসতার কারণে গত মাসে
দেশটির সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের শাস্তি দেয়ার হুমকি দেয় যুক্তরাষ্ট্র।
No comments:
Post a Comment