
আন্তর্জাতিক
বাজারে কয়েকটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী অবস্থানে রয়েছে। চলতি
বছরের অক্টোবর থেকে নভেম্বর মাসের মধ্যে চাল, স্বর্ণ, জ্বালানি তেল,
সয়াবিন তেল, টিএসপি সার ও চিনির দাম বেড়েছে। অপরদিকে একই সময়ে পামওয়েল ও
গমের দাম কিছুটা কমেছে। কয়েকটি পণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় অস্বস্তিতে
রয়েছে বাংলাদেশের মতো সেসব দেশ, যারা এগুলো আমদানি করে চাহিদা মেটায়।
বিশ্বব্যাংক প্রতি মাস শেষে আন্তর্জাতিক বাজারের প্রধান প্রধান পণ্যের
দামের হিসাব নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এতে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ বাজারের
চিত্র তুলে ধরা হয়। ডিসেম্বরের প্রতিবেদনটি সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে।
বিশ্বব্যাংকের হিসাবে দেখা যায়, অক্টোবর থেকে নভেম্বরের মধ্যে বিশ্ববাজারে
জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৫ ডলার বেড়েছে। অক্টোবরে ব্যারেলপ্রতি দাম
ছিল ৫৭ ডলার ৬ সেন্ট, নভেম্বরের তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬২ ডলার ৬ সেন্ট বা
স্থানীয় মুদ্রায় ৫ হাজার ৮ টাকা (প্রতি ডলার ৮০ টাকা ধরে)। বিশ্বব্যাংক গত
মাসে পণ্যমূল্য নিয়ে ত্রৈমাসিক একটি পূর্বাভাস প্রকাশ করে। সেখানে বলা হয়,
চলতি বছর জ্বালানি তেলের দাম ২৪ শতাংশ ও পরের বছর ৮ শতাংশ বাড়তে পারে।
বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, থাইল্যান্ড এবং ভিয়েতনামে চালের দাম বেড়েছে।
অক্টোবরে থাইল্যান্ডে প্রতিটন ৫ শতাংশ ভাঙা চালের দাম ছিল ৩৯৪ ডলার, যা
নভেম্বরে ৮ ডলার বেড়ে ৪০২ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে ২৫ শতাংশ ভাঙা চালের
দাম ৭ ডলার বেড়ে ৩৭৯ ডলার থেকে ৩৮৬ ডলার হয়েছে। অপরদিকে ভিয়েতনামের চালের
দামও কিছুটা বেড়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম
অক্টোবরের চেয়ে নভেম্বরে আউন্সপ্রতি ২ ডলার বেড়েছে। অক্টোবরে মূল্যবান
ধাতুটির দাম ছিল প্রতি আউন্স ১ হাজার ২৮০ ডলার, নভেম্বরের তা বেড়ে ১ হাজার
৩১৪ ডলারে অবস্থান করে। কয়েক মাস মূল্যবান ধাতুটির দাম নিন্মগামী থাকার পর
সেপ্টেম্বরে আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে।
No comments:
Post a Comment