
নীলফামারীর
ডিমলা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মাহফুজুর
রহমানের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে। গত শনিবার
রংপুরের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালককে দেওয়া এলাকাবাসীর
একটি লিখিত অভিযোগ সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। ওই লিখিত অভিযোগের অনুলিপি
মাধ্যমিক উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের ঢাকার মহাপরিচালক, জেলা প্রশাসক, জেলা
মাধ্যমিক উচ্চশিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা
নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)এবংনীলফামারী প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সম্পাদকের
কাছে দেওয়া হয়েছে। ওই লিখিত অভিযোগে বলা হয়, মাহফুজুর রহমান বিদ্যালয়ের
ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বভার গ্রহণের পর বিদ্যালয়ের মাঠে অবস্থিত
দীর্ঘদিনের পুরোনো একটি মেহগনিগাছ কিছুদিন আগে গোপনে কেটে বিদ্যালয় ভবনের
পেছনে লুকিয়ে রাখেন। পরে গাছটি তিনি অবৈধভাবে বিক্রির পাঁয়তারা করছেন। নাম
প্রকাশ না করার শর্তে ওই বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক বলেন, গাছটি প্রায় দেড় মাস
আগে গোপনে কাটা হয়। যার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৩০ হাজার টাকা।
এ বিষয়ে
জানতে চাইলে মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘প্রায় পাঁচ-ছয় মাস আগে গাছটি উপড়ে পড়ে।
তখন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন মো. নিয়াজুল হক। আমি সহকারী শিক্ষক
ছিলাম। তখন আমরা গাছটি সেখান থেকে সরিয়ে বিদ্যালয় ভবনের পেছনে রেখেছি। আমার
বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সঠিক নয়। গত বছরের ১ আগস্ট আমি ভারপ্রাপ্ত প্রধান
শিক্ষকের দায়িত্ব গ্রহণ করি।’ এ বিষয়ে জানতে চাইল জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা
মো. শফিকুল ইসলাম গতকাল সোমবার বেলা তিনটার দিকে মুঠোফোনে প্রথমআলোকে বলেন,
‘এ-সংক্রান্ত অভিযোগ এখনো পাইনি। তবে সরকারি গাছ কাটার প্রয়োজন হলে
এ-সংক্রান্ত জেলা ও উপজেলায় কমিটি রয়েছে। ওই কমিটির কাছে আবেদন করার পর
কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া যাবে। এর বাইরে বিদ্যালয়ের কাজেও
ওই গাছ কাটা যাবে না। আর ওই কমিটির কাছে এ ধরনের আবেদন এখনো আসেনি। এলে
আমার জানা থাকত।’
No comments:
Post a Comment