
মিতা
দাসের মৃত্যু কীভাবে হয়েছিল প্রায় দেড় বছর পর ফের সেই প্রশ্ন তুলে
সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে সরব হলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মিতার
বন্ধুরা। ভারতের উলুবেড়িয়ার কুশবেড়িয়ার বাসিন্দা রানা মণ্ডলের সঙ্গে বিয়ে
হয়েছিল যাদবপুরের বাংলা বিভাগের মেধাবী ছাত্রী মিতা দাসের। ২০১৬ সালের ১১
অক্টোবর ভোর ৫টা নাগাদ ফোন করে শ্বশুরবাড়ি থেকে জানানো হয়,মিতা আত্মঘাতী
হওয়ার চেষ্টা করছেন। ফুলেশ্বরের হাসপাতালে মিতার দাদা খোকন দাস পৌঁছে
দেখেছিলেন মৃত বোনের নাকে রক্ত। কপাল ফুলে উঠেছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে
পরিবারের অভিযোগ ছিল মিতাকে পিটিয়ে মারা হয়েছে। তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল
বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের
নির্দেশে ঘটনার তদন্তভার নেয় সিআইডি। আর সেই তদন্তে১৬ মাস পর জানা গেল
‘মিতাকে কেউ মারেনি’! বুধবার তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে
মিতার ভাই খোকন দাস বলেন, মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছিলেন অভিযুক্তদের
উপযুক্ত শাস্তি হবে। অথচ স্বামীসহ সবাই জামিন পেয়ে গেছেন। খোকনের দাবি,
ময়নাতদন্তের রিপোর্টে বিস্তর গলদ আছে। তিনি বলেন, ‘মাথার পেছনে আঘাতের যে
চিহ্ন দেখেছিলাম, তার উল্লেখ রিপোর্টে নেই। ভিডিও অটোপসি নট ডান লেখা আছে।
ময়নাতদন্তে বোনের পোশাকের রং এক রকম বলা হয়েছে, চার্জশিটে আরেক রকম।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, ভোর ৫টায় বোনের দেহ আনা হয়েছিল। চার্জশিটে
রয়েছে, সকাল ৬টা। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে বোনের মৃত্যুর সময় ও তারিখ উল্লেখ
নেই’। এ নিয়ে মিতার শ্বশুরবাড়িতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে কারও মন্তব্য
পাওয়া যায়নি। সিআইডির এক কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন।
চার্জশিট পেশ হয়েছে। তাতে সব কিছুই রয়েছে।
No comments:
Post a Comment