Monday, February 5, 2018

জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি সব দলে

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বাকি আরও প্রায় ১১ মাস। এই লম্বা সময় হাতে নিয়েই ভোটের মাঠে নেমে পড়েছে প্রায় সব রাজনৈতিক দল। দলগুলোর নেতারা এরই মধ্যে প্রচারও শুরু করেছেন। ব্যস্ত সময় পার করছেন দলের কোন্দল নিরসনে। প্রার্থী বাছাই থেকে শুরু করে সার্বিক বিষয়ে বিশেষ পরিকল্পনা তৈরি করছেন তারা। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও বিরোধী দল জাতীয় পার্টির নেতারা আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটের মাঠে নেমেছেন। অনানুষ্ঠানিকভাবে মাঠে আছে বিএনপিও। আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৩০ জানুয়ারি সিলেটে তিনটি মাজার জিয়ারত শেষে জনসভা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচার শুরু করেছেন। বিরোধী দল জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বৃহস্পতিবার সিলেটে গিয়ে মাজার জিয়ারতের পর নির্বাচনী প্রচার শুরুর ঘোষণা দেন। আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনে যাওয়ার ঘোষণা না দিলেও প্রস্তুতিতে পিছিয়ে নেই মাঠের বিরোধী দল বিএনপি। প্রার্থী বাছাই, ইশেতাহার তৈরি থেকে শুরু করে ভেতরে ভেতরে সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে দলটি। এদিকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আজ সড়কপথে সিলেট সফরে যাচ্ছেন। ৮ ফেব্রুয়ারির রায়কে সামনে রেখে তিনি সিলেট গেলেও তার এ সফরে প্রাধান্য পাবে আগামী নির্বাচন। অঘোষিতভাবে এটা নির্বাচনী সফরেই রূপ নেয়ার সম্ভাবনা আছে। যদিও নির্বাহী কমিটির সভায় দলের চেয়ারপারসন এত আগে থেকে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচার শুরুর সমালোচনা করেন। সিলেট সফরকালে রাজনৈতিক কোনো কর্মসূচি না থাকলেও সম্ভাব্য প্রার্থীরা পথে পথে ব্যাপক লোক সমাগমের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সফরের সময় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়ে আগামী জাতীয় নির্বাচন ও আন্দোলন সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা দিতে পারেন তিনি। একইভাবে প্রধান দুই দলের শরিকরাও যার যার মতো করে নির্বাচনী মাঠে নেমে পড়েছে। এলাকায় গণসংযোগসহ তারা দলীয়ভাবেও প্রস্তুতি গ্রহণ করছেন। আসন ভাগাভাগি নিয়ে প্রধান শরিকের সঙ্গে ইতিমধ্যে আলোচনা শুরু করেছেন। বড় দলের পাশাপাশি নির্বাচন ঘিরে ছোট ছোট দলও নানা তৎপরতায় ব্যস্ত। চলছে তৃতীয় জোট গঠনের তোড়জোড়। নেতাকর্মীদের চাঙ্গা করতে দুই দলের নেতারাই এখন তৃণমূল সফরে আছেন। আগামী নির্বাচনে দলকে সাংগঠনিকভাবে প্রস্তুত করতে নানা পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিরসনের পাশাপাশি সম্ভাব্য প্রার্থীদের ব্যাপারেও তারা খোঁজখবর নিচ্ছেন।
দুই দলের কেন্দ্রীয় নেতারা তৃণমূল সফর শেষে কেন্দ্রে আলাদা প্রতিবেদন জমা দেবেন। নির্বাচনের চূড়ান্ত পরিকল্পনা প্রণয়নে তাদের প্রতিবেদনগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম যুগান্তরকে বলেন, দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী সিলেট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবেই প্রচার শুরু করেছেন। আমরা কেন্দ্রীয় নেতারা সারা দেশ চষে বেড়াচ্ছি। যে যেখানেই যাচ্ছি, সেখানেই সমাবেশসহ নানা কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। এসব কর্মসূচিতে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং বিএনপি-জামায়াতের দুঃশাসন ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড জনগণের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে। দলের ভেতরেও নির্বাচন নিয়ে নানা প্রস্তুতি চলছে। কাজেই সার্বিকভাবে আওয়ামী লীগ নির্বাচনী কর্মকাণ্ডের মধ্যে আছে, নির্বাচনী মাঠে নেমে পড়েছে। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ‘পুলিশ, প্রশাসন, সেনাবাহিনী বিএনপির সঙ্গে আছে’ বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, সবাই তার সঙ্গে থাকলে খালেদা জিয়া ভয় পাচ্ছেন কেন? তার লোকরাই তো সরকারে আছে, সংবিধানে ব্যবস্থা না থাকার পরও কেন তিনি তত্ত্বাবধায়ক বা সহায়ক সরকার চাচ্ছেন। জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যুগান্তরকে বলেন, বিএনপি নির্বাচনমুখী দল। আমরা নির্বাচনের মাধ্যমেই ক্ষমতার পালাবদলে বিশ্বাসী। তবে সেই নির্বাচন অবশ্যই গ্রহণযোগ্য ও সব দলের অংশগ্রহণে হতে হবে। আমরা সে দাবিই জানিয়ে আসছি। বিএনপি নির্বাচনের জন্য সব সময় প্রস্তুত। তিনি আরও বলেন, শনিবার জাতীয় নির্বাহী কমিটির বৈঠকেও আমাদের চেয়ারপারসন আগামী নির্বাচন নিয়ে কথা বলেছেন। সব দলের অংশগ্রহণে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। আশা করি সরকার একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানে কার্যকর উদ্যোগ নেবেন। জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান জিএম কাদের যুগান্তরকে বলেন, দলের চেয়ারম্যান সিলেটে মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু করে দিয়েছেন। আসলে একটি দলের রাজনীতি নির্বাচনকে ঘিরেই আবর্তিত হয়। আমরাও এর বাইরে নই। ইতিমধ্যে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কাজগুলো শুরু হয়েছে। ভোট কেন্দ্রভিত্তিক কমিটি করা, প্রচারণার জন্য কমিটি করা, নির্বাচনে নেতারা কে কোন দায়িত্ব পালন করবে তা ঠিক করা এবং পোলিং এজেন্ট প্রস্তুত করার মতো কাজগুলো আমরা গুছিয়ে আনছি। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ইতিমধ্যে সাড়ম্বরে নির্বাচনী প্রস্তুতিও শুরু করেছে। দলটি ভোটকেন্দ্রভিত্তিক কমিটি গঠনের জন্য তৃণমূলে চিঠি দিয়েছে। আর সম্ভাব্য পোলিং এজেন্টদের প্রশিক্ষণ নেয়ার জন্য জেলা-মহানগর-উপজেলা কমিটিকে কেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য নির্দেশও দিয়েছে। দলের অভ্যন্তরীণ বিরোধ মেটানোর পাশাপাশি সারা দেশেই চলছে নির্বাচনী প্রচারও। ২৬ জানুয়ারি থেকে কেন্দ্রীয় নেতারা শুরু করেছেন সাংগঠনিক সফর। সেই থেকে প্রতিদিনই কোনো না কোনো জেলা বা উপজেলায় কর্মী সভা কিংবা বর্ধিত সভা চলছে। এ ধরনের প্রায় প্রতিটি সভায় নৌকায় ভোট চাইছেন দলটির নেতারা। পাশাপাশি সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং বিএনপি-জামায়াতের ধ্বংসলীলা তুলে ধরছেন তারা। অবশ্য আরও আগে থেকেই মনোনয়ন পেতে ইচ্ছুকরা নিজ এলাকায় গিয়ে প্রচার শুরু করেছেন। জোরেশোরে চালাচ্ছেন গণসংযোগও। পিছিয়ে নেই বড় নেতারাও। আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, মতিয়া চৌধুরী, মোহাম্মদ নাসিম, কাজী জাফর উল্লাহ, ড. আবদুর রাজ্জাক, মাহবুবউল আলম হানিফসহ শীর্ষ নেতারাও যার যার নির্বাচনী আসনে যাচ্ছেন সপ্তাহান্তর। একইভাবে বিএনপিও ভোটের জন্য মাঠে নেমে পড়েছে। এদিকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনে যাওয়ার ঘোষণা না দিলেও প্রস্তুতিতে পিছিয়ে নেই মাঠের বিরোধী দল বিএনপিও। দলটির হাইকমান্ড এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছেন। সম্ভাব্য প্রার্থী বাছাই, ইশতেহার তৈরিসহ সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধিতে নানা উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি দলের চেয়ারপারসনের রায়কে কেন্দ্র করে শনিবার নির্বাহী কমিটির সভা হলেও সেখানে উঠে আসে নির্বাচনের বিষয়। আগামী নির্বাচনে যোগ্য ও ত্যাগী নেতাদের দলীয় মনোনয়ন দিতে তৃণমূল থেকে চেয়ারপারসনের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়। দলের হাইকমান্ডও আগামী দিনের আন্দেলন ও নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত থাকতে নেতাদের নির্দেশ দেন।
সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দলের চেয়ারপারসনের বক্তব্যে আগামী নির্বাচনে অংশ নেয়া ও প্রস্তুতির বিষয়টি উঠে আসে। সূত্র জানায়, দলের থিঙ্কট্যাঙ্কদের সহায়তায় সিনিয়র কয়েক নেতা আগামী নির্বাচনে ইশতেহার তৈরির কাজ করছেন। ভিশন-২০৩০ আলোকে এ ইশতেহার তৈরি করা হচ্ছে। চলেছে সম্ভাব্য প্রার্থী বাছাইও। তিন ক্যাটাগরিতে এ প্রার্থী বাছাই করা হচ্ছে। দলের পাশাপাশি বেসরকারি কয়েকটি সংস্থা দিয়ে সম্ভাব্য প্রার্থী সম্পর্কে খোঁজখবর নিচ্ছেন। বিএনপিও গোপনে প্রার্থীদের ব্যাপারে খোঁজখবর নিচ্ছে। সংগ্রহ করছে তাদের নানা তথ্য। খালেদা জিয়া আজ সড়কপথে সিলেট যাচ্ছেন। যাত্রাপথে বিভিন্ন জায়গায় কর্মী-সমাগম, রাস্তার দুই পাশের মানুষের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া এবং সিলেটে পৌঁছে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে খালেদা জিয়া কার্যত নির্বাচনী প্রচারণায় নামছেন বলে মনে করা হচ্ছে। কয়েক মাস আগে রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনে কক্সবাজার গেলেও পুরো সফরেই ছিল নির্বাচনী আমেজ। সম্ভাব্য প্রার্থীরা তাদের সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক শোডাউন করেন। বিরোধী দল জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সিলেটে হজরত শাহজালালের মাজার জিয়ারত শেষে নেতাকর্মীদের সামনে নির্বাচনী প্রচার শুরুর ঘোষণা দেন। ইতিমধ্যে একাধিক বক্তব্যে দলের চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, এককভাবে আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি রয়েছে জাতীয় পার্টির। তিনি দলের বর্তমান সংসদ সদস্য এবং এ পদে আগ্রহী অন্যদের এলাকায় ঘন ঘন যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। সে অনুযায়ী গণসংযোগ বাড়িয়ে দিয়েছেন দলটির নেতারাও। এছাড়া দলের প্রার্থী তালিকা তৈরির কাজও চলছে। রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে বর্ধিত সভাসহ নানা ধরনের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দলটির নেতাকর্মীরাও ইতিমধ্যে চাঙ্গা। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সঙ্গে তাল মেলাতে ব্যস্ত ১৪ দলের শরিকরাও। অন্যতম প্রধান শরিক বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি ইতিমধ্যেই জেলা কমিটিগুলোকে নির্বাচনী প্রস্তুতি নেয়ার নির্দেশনা পাঠিয়েছে। দলটি প্রার্থী মনোনয়নের জন্য জেলা থেকে প্রস্তাব আহবানের পাশাপাশি যেসব স্থানে কমিটি গঠন বাকি আছে সেগুলো দ্রুত শেষ করছে। দলটির সভাপতি এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন যুগান্তরকে বলেন, আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে তাদের দলের অভ্যন্তরেও আলোচনা হয়েছে। তার দলের যে ২১ দফা কর্মসূচি চলছে, এর অংশ হিসেবে আগামী ৩ মার্চ রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখান থেকে পরবর্তী কর্মসূচিগুলো ঘোষণা করা হবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সেদিন থেকেই তাদের আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে বলে ধরে নেয়া যেতে পারে। জাসদ একাংশের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া যুগান্তরকে বলেন, তার দলেরও নির্বাচনী প্রস্তুতি রয়েছে। তিনিসহ যারা নির্বাচন করতে ইচ্ছুক তারা এলাকায় যাচ্ছেন, গণসংযোগ করছেন। তবে কি প্রক্রিয়ায় নির্বাচন হবে, তাতে কে কে অংশ নেবে সেসব স্পষ্ট হওয়ার পর তারা প্রার্থী ও আসন সংখ্যা চূড়ান্ত করবেন বলে আম্বিয়া যুগান্তরকে জানান। দুই জোটের বাইরে থাকা দলগুলোর প্রস্তুতি সেভাবে চোখে না পড়লেও তারাও নির্বাচনের মাঠে আছে। জানতে চাইলে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম যুগান্তরকে বলেন, তাদের নির্বাচনভিত্তিক কর্মকাণ্ড শুধু নির্বাচন এলেই হয় না, সারা বছরই হয়। সিপিবি নির্বাচনকে আন্দোলনের অংশ মনে করে। তার দল জনকল্যাণে এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বছরজুড়েই কাজ করে। বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের শরিকরাও আলাদাভাবে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। সম্প্রতি জোটের বৈঠকে আগামী নির্বাচনের বিষয়টি প্রাধান্য পায়। নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে নিজ নিজ দলের সাংগঠনিক শক্তি বাড়ানোর পরামর্শ দেন জোটনেত্রী খালেদা জিয়া। সূত্র জানায়, জোটের শরিকদের ক’টি আসন দেয়া যেতে পারে সে ব্যাপারেও আলোচনা চলছে। শরিকরাও তাদের সম্ভাব্য আসন নিয়ে দরকষাকষি শুরু করেছেন। এ প্রসঙ্গে জোটের শরিক বাংলাদেশ ন্যাপের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি যুগান্তরকে বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে আগামী নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সব দলের অংশগ্রহণে এ নির্বাচন হবে বলে আমি বিশ্বাস করি। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে ওই নির্বাচনে ২০ দল অংশ নেবে। তিনি বলেন, জোটের আসন নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না। এ নিয়ে আমাদের মধ্যে আলোচনা চলছে। নির্বাচনে জয়ী হতে পারবেন এমনটা নিশ্চিত হয়েই আসন চূড়ান্ত করা হবে।

No comments:

Post a Comment