
জাহাঙ্গীরনগর
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হিসেবে ড. ফারজানা ইসলামকে নিয়োগ দেওয়া কেন অবৈধ
ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আজ সোমবার এ
বিষয়ে দায়ের করা এক রিটের শুনানি করে বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি
মো. সেলিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আগামী এক সপ্তাহের
মামলার বিবাদীদেরকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আজ আদালতে রিট আবেদনের
পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ড. শাহদীন মালিক। তাকে সহযোগিতা করেন আইনজীবী এম
মঞ্জুর আলম। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপ সচিব
জিন্নাত রেহানা জাবির ভিসি হিসেবে ড. ফারজানা ইসলামকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন
জারি করেন। এতে বলা ‘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় আইন ১৯৭৩ এর ১১ (১) ধারা
অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর এ ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে
ফারজানা ইসলামকে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। ’ গত ১৮ ফেব্রুয়ারি প্রজ্ঞাপনটির
বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ড.
শরীফ এনামুল কবিরসহ অন্য এক শিক্ষক। পরে আদালত থেকে বেরিয়ে মঞ্জুর আলম
সাংবাদিকদের বলেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় আইন ১৯৭৩ এর ১১ (১) ধারা
অনুসারে ভাইস চ্যান্সেলর নিয়োগের জন্য তিন সদস্যদের প্যানেল মনোনয়ন করতে
হবে। কিন্তু এখানে সেটা করা হয়নি। তাই এই দুই শিক্ষক রিট করেন। সে রিটের
শুনানি করে আজ আদালত এ আদেশ দেন। মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ২
মার্চ ভিসি প্যানেলে নির্বাচিত হয়ে ভিসি হিসেবে জাহাঙ্গীরনগর
বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করেন অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম। যার মেয়াদ ছিলো
আগামী ২ মার্চ পর্যন্ত। কিন্তু মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ১৮ ফেব্রুয়ারি তাকে
নতুন করে নিয়োগ দেয়া হয়।
No comments:
Post a Comment