
নোয়াখালী
মাইজদী থেকে ৪০ নেতাকর্মীকে আটক ও
তাদের জড়িয়ে পুলিশের 'অস্ত্র উদ্ধার নাটকের' তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ
জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। এক যৌথ প্রতিবাদ বার্তায়
ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ইয়াছিন আরাফাত ও সেক্রেটারি জেনারেল মোবারক
হোসাইন বলেন, সরকার ছাত্রশিবিরকে আদর্শিকভাবে মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হয়ে
রাষ্ট্রীয় শক্তি ব্যবহার করে দমন নিপীড়ন ও ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছে।
গতকাল নোয়াখালীর মাইজদী থেকে কোনো কারণ ছাড়াই ক্যারিয়ার গাইডলাইন প্রোগ্রাম
থেকে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে আটক করা হয়েছে ৪০ নেতাকর্মীকে। আটকের পর পুলিশ
নিরপরাধ শিবির নেতাকর্মীদের জড়িয়ে পেট্রোল বোমা, কিরিচ ও 'জিহাদী বইয়ের'
নাটক মঞ্চায়ন করে। যা সম্পূর্ণ পরিকল্পিত ও সাজানো। শিবিরের বিবৃতিতে আরো
বলা হয়- এটি ছিল একটি ক্যারিয়ার গাইডলাইন প্রোগ্রাম এবং সেখান থেকে পুলিশ
কিছুই পায়নি। তবুও ছাত্রশিবিরের ভাবমর্যাদা ক্ষুন্ন ও মেধাবী ছাত্রদের
ভবিষ্যৎ ধ্বংস করে দিতে পুলিশ এ অস্ত্র উদ্ধার নাটকের অবতারণা করেছে।
এসব
অস্ত্র উদ্ধার নাটকের সাথে পুলিশের সরাসরি সম্পৃক্ততা থাকলেও ছাত্রশিবিরের
নেতাকর্মীদের দূরতম কোনো সম্পর্ক নেই। পুলিশের এই দায়িত্বহীন আচরণ
কোনোভাবেই গ্রহনযোগ্য নয়। নিরীহ ছাত্রদের অন্যায়ভাবে আটকের পর এমন নিকৃষ্ট
নাটক সুগভীর ষড়যন্ত্রের অংশ বলে সচেতন দেশবাসী মনে করে। আমরা এর তীব্র
নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। নেতৃবৃন্দ বলেন, এর আগে বহুবার পুলিশ নিরপরাধ
শিবির নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করে অস্ত্র উদ্ধার ও 'জিহাদি বইয়ের' নাটক
সাজিয়েছে। যা সময়ের ব্যবধানে মিথ্যা প্রমাণ হয়েছে এবং মিথ্যাচারের জন্য
পুলিশ জনগণের ধিক্কার কুড়িয়েছে। কিন্তু পুলিশ এখনো এই অস্ত্র উদ্ধার নাটক
মঞ্চায়নের ধারা থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই,
ছাত্রশিবির আদর্শবাদী সংগঠন ও শান্তিপূর্ণ পথ চলায় বিশ্বাসী। এসব অস্ত্র
নাটকের সাথে ছাত্রশিবিরের দূরতম কোনো সম্পর্ক নেই। বরং সরকারের সীমাহীন
ব্যর্থতাকে আড়াল করতেই পুলিশের সহায়তায় এমন ঘৃণ্য নাটকের অবতারণা করেছে বার
বার। পুলিশের এই প্রতিহিংসাপূর্ণ তামাশায় বহু মেধাবী ছাত্রের শিক্ষা জীবন
আজ ধ্বংসের মুখে। আমরা অবিলম্বে এই বেআইনি কর্মকাণ্ড বন্ধের দাবি জানাচ্ছি।
নেতৃবৃন্দ ভবিষ্যতে এমন সাজানো নাটক থেকে বিরত থাকতে এবং আটক শিবির
নেতাকর্মীদের মুক্তি দিতে প্রশাসনের প্রতি আহবান জানান।
No comments:
Post a Comment